জাপানের ই-কমার্স শিল্পে প্রবেশ করছে টিকটক?
যুক্তরাষ্ট্রে নিষিদ্ধ হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছে টিকটক। তাই যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে তাদের ব্যবসা প্রসারিত করতে চাইছে জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম অ্যাপটি।
আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই জাপানের অনলাইন শপিং ইন্ডাস্ট্রিতে প্রবেশ করবে চীনা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টিকটক।
এই উদ্যোগের সঙ্গে জড়িত একটি সূত্রের বরাত দিয়ে রোববার জাপানের সংবাদপত্র নিক্কেই বলেছে, জাপানে নিজেদের ই-কমার্স শাখা ‘টিকটক শপ’-এর জন্য শিগগিরই বিক্রেতা নিয়োগের প্রস্তুতি নিচ্ছে কোম্পানিটি।
এ বিষয়ে মন্তব্যের জন্য রয়টার্সের অনুরোধে সাড়া দেয়নি টিকটক।
টিকটক শপ-এ স্নিকার থেকে শুরু করে প্রসাধন পণ্য আইশ্যাডো পর্যন্ত সবকিছু বিক্রির জন্য লাইভস্ট্রিম চালাতে পারেন ব্যবহারকারীরা। পাশাপাশি বিক্রির ওপর কমিশনও পেতে পারেন তারা। ছাড়ওয়ালা পণ্যের জন্যও এটি পরিচিত বলে প্রতিবেদনে লিখেছে রয়টার্স।
জাতীয় নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে যুক্তরাষ্ট্রে নিষিদ্ধ হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছে টিকটক। তাই যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে তাদের ব্যবসা প্রসারিত করতে চাইছে জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম অ্যাপটি।
গত মার্চে ফ্রান্স ও জার্মানি এবং সোমবার ইতালির ব্যবহারকারীদের জন্য টিকটক শপ চালু করেছে কোম্পানিটি। এর মাধ্যমে ইউরোপে নিজেদের পরিসর বাড়াচ্ছে বলে প্রতিবেদনে লিখেছে রয়টার্স।
গত সপ্তাহে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমটির ভাগ্য নিয়ে কোনো চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য প্লাটফর্মটিকে আরও অপেক্ষা করতে হতে পারে। কারণ ট্রাম্পের নতুন রাজস্ব নীতির জবাবে চীন জানিয়ে দিয়েছে, চীনের ওপর ওই নীতি প্রয়োগ করলে টিকটক বিক্রির অনুমোদন মিলবে না।
এর আগে এপ্রিলে দ্বিতীয়বারের মতো যুক্তরাষ্ট্রে টিকটকের নিষিদ্ধের সময়সীমা বাড়িয়েছিলেন ট্রাম্প।
সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ২০২৪ সালের ২৪ এপ্রিল ‘প্রটেকটিং আমেরিকানস ফ্রম ফরেন অ্যাডভারসারি কন্ট্রোলড অ্যাপলিকেশন অ্যাক্ট’ নামের একটি বিলে সই করলে যুক্তরাষ্ট্রে হুমকির মুখে পড়ে টিকটক।
