১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

মেটাভার্স অভিজ্ঞতা বাড়াতে এআই মডেল আনছে মেটা

‘ডিজিটাল অ্যাভাটার’ বা ডিজিটাল কার্টুন চরিত্রগুলোর শরীরের নিয়ন্ত্রণের সমস্যাকেই সমাধান করবে মেটা মোটিভো। ফলে এগুলো বাস্তবসম্মত, আসল মানুষের মতো নাড়াচাড়া করতে পারবে বলে জানিয়েছে কোম্পানিটি।

মেটাভার্স অভিজ্ঞতা বাড়াতে এআই মডেল আনছে মেটা
ছবি: রয়টার্স

প্রযুক্তি ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 14 Dec 2024, 02:35 PM

Updated : 26 Aug 2026, 11:07 AM

‘মেটা মোটিভো’ নামের একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মডেল প্রকাশ করছে ফেইসবুকের মালিক কোম্পানি মেটা। এটি মেটাভার্স অভিজ্ঞতায় নতুন মাত্রা যোগ করার পাশাপাশি মানুষের মতো ডিজিটাল এজেন্টের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।

বৃহস্পতিবার নতুন এআই মডেল প্রকাশের ঘোষণা দিয়েছে এ সোশাল মিডিয়া জায়ান্ট।

কোম্পানিটি এআই, অগমেন্টেড রিয়ালিটিসহ অন্যান্য মেটাভার্স প্রযুক্তিতে বিনিয়োগের জন্য শত শত কোটি ডলার ঢালছে। ফলে, ২০২৪ সালে মেটার মূল ব্যায়ের পূর্বাভাস তিন হাজার ৭০০ কোটি ডলার থেকে বেড়ে চার হাজার কোটি ডলারের রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছে গেছে বলে প্রতিবেদনে লিখেছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

ডেভেলপারা বিনামূল্যে ব্যবহার করতে পারবেন এমন অনেক এআই মডেলও এনেছে মেটা। এমন উন্মুক্ত পদ্ধতি কোম্পানির পরিষেবাগুলোর জন্য আরও ভালো টুল তৈরি করে ব্যবসায় উপকার করবে বলেই ধারণা তাদের।

“আমরা বিশ্বাস করি গবেষণাটি মেটাভার্সে একদম বাস্তবের মতো এজেন্টদের জন্য পথ তৈরি করতে পারে, যা আরও প্রাণবন্ত এনপিসি, অ্যানিমেশন চরিত্র তৈরির পাশাপাশি নতুন ধরনের ‘ইমার্সিভ অভিজ্ঞতা’ দিতে পারে।” – এক বিবৃতিতে বলেছে কোম্পানিটি।

‘ডিজিটাল অ্যাভাটার’ বা ডিজিটাল কার্টুন চরিত্রগুলোর অঙ্গ নিয়ন্ত্রণকে আরও বাস্তবসম্মত করবে মেটা মোটিভো। ফলে এগুলো আসল মানুষের মতো নাড়াচাড়া করতে পারবে বলে জানিয়েছে কোম্পানিটি।

মেটা আরও জানিয়েছে, কোম্পানিটি ল্যাঙ্গুয়েজ মডেলের জন্য ‘লার্জ কনসেপ্ট মডেল’ নামের ভিন্ন ধরনের প্রশিক্ষণ মডেল চালু করছে, যা কেবল ভাষা উপস্থাপন করবে না, যুক্তিও খণ্ডাবে।

“সাধারণ এলএলএম প্রযুক্তি থেকে অনেকটাই আলাদা এলসিএম। এটি কেবল পরবর্তী টোকেন বা কথা বোঝার পরিবর্তে একটি মাল্টিমোডাল বা ‘মাল্টিলিঙ্গুয়াল’ মডেলে এক লাইনের প্রম্পটের ধারণা বা উঁচু স্তরের চিন্তা বুঝতে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।”

সোশাল মিডিয়া জায়ান্টের প্রকাশিত অন্যান্য এআই টুলের মধ্যে রয়েছে ‘ভিডিও সিল’। টুলটি ভিডিওতে লুকানো ওয়াটারমার্ক যোগ করে, যা খালি চোখে দেখা না গেলেও শনাক্ত করা যায় বলে প্রতিবেদনে লিখেছে রয়টার্স।