Published : 13 Nov 2025, 11:54 AM
অনেক সময় বোঝা কঠিন হয়ে যায়, ফোনের ব্যাটারি সক্ষমতা আসলেই কমে এসেছে না কি কোনো অ্যাপ অযথা বেশি চার্জ খরচ করছে। এ সমস্যা সমাধানে অতিরিক্ত ব্যাটারি খরচের কারণ হওয়া বিভিন্ন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে গুগল।
সম্প্রতি ‘অ্যান্ড্রয়েড ডেভেলপার ব্লগে’ এক পোস্টে গুগল বলেছে, ব্যবহারকারীদের এই সমস্যার সঠিক কারণ জানতে সাহায্য করবে মার্কিন সার্চ জায়ান্টটি।
গুগল নতুন এক মেট্রিক চালুর ঘোষণা দিয়েছে, যা অ্যাপ ডেভেলপারদের ব্যাটারি ব্যবহারের ওপর নজর রাখতে সাহায্য করবে বলে প্রতিবেদনে লিখেছে প্রযুক্তি বিষয়ক সাইট এনগ্যাজেট।
এর আওতায় কোনো ডেভেলপার যদি ধারাবাহিকভাবে গুগলের ব্যাটারি ব্যবহারের নির্দেশিকা লঙ্ঘন করে তবে প্লে স্টোরে ব্যবহারকারীদের সতর্কবার্তা পাঠাবে কোম্পানিটি।
এ নতুন মেট্রিকটি বিশেষভাবে নজর রাখবে ‘ওয়েক লক’-এর ওপর। ব্যাটারি যখন বেশি খরচ করা কোনো অ্যাপ ফোনকে স্লিপ মোডে যেতে দেয় না ও স্ক্রিন বন্ধ থাকলেও ব্যাকগ্রাউন্ডে কাজ চালাতে চায় তখন ‘ওয়েক লক’ ঘটে।
গুগল বলছে, ‘ব্যাটারি খরচের একটি প্রধান কারণ ওয়েক লক’। এজন্য কোম্পানিটি এমন এক সীমা নির্ধারণ করেছে, যা ব্যাকগ্রাউন্ডে চলা অ্যাপের গ্রহণযোগ্যতা ঠিক করে দেবে।
এই সীমা অনুসারে, কোনো ‘ব্যবহারকারীর সেশন যদি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দুই ঘণ্টার বেশি ওয়েক লক ধরে রাখে তবে সেটিকে অতিরিক্ত হিসেবে ধরবে’ গুগল। তবে কিছু ক্ষেত্রে ছাড় দেবে কোম্পানিটি, বিশেষ করে ফোনের ব্যাকগ্রাউন্ড প্রক্রিয়াটি যদি ‘ব্যবহারকারীকে সুবিধা দেয়’, যেমন– অডিও প্লেব্যাক বা ব্যবহারকারীর ডেটা ট্রান্সফারের বেলায়।
কোনো ডেভেলপার যদি ওয়াক লকের মূল সমস্যা ঠিক না করে তবে তাদের স্পষ্ট সতর্কবার্তা দেবে গুগল। প্লে স্টোরের লেবেলে লেখা থাকবে ‘এই অ্যাপের ব্যাকগ্রাউন্ড কার্যকলাপ বেশি হওয়ায় ব্যাটারি খচর বেশি হতে পারে’, যা নতুন কোনো অ্যাপ ডাউনলোড থেকে দূরে রাখতেও সাহায্য করবে ব্যবহারকারীদের।
কিছু ক্ষেত্রে গুগল আরও একটি পদক্ষেপ নেবে, যেখানে সমস্যাওয়ালা বিভিন্ন অ্যাপ প্লে স্টোরে নির্দিষ্ট সার্চ বিভাগে দেখাবে না তারা। এসব নিয়ম ২০২৬ সালের ১ মার্চ থেকে কার্যকর হবে।