Published : 16 Jun 2026, 05:24 PM
বিশ্বকাপে প্রথম জয়ের সম্ভাবনা জাগিয়েও শেষ পর্যন্ত আশাহত হতে হয় মিশরকে। বেলজিয়ামকে বাগে পেয়েও হারাতে না পারার আক্ষেপে পুড়ছেন দলটির কোচ হোসাম হাসান। তবে রোমেলু লুকাকু, কেভিন ডে ব্রুইনেদের বিপক্ষে এই ড্র জয়ের চেয়ে কমও মনে হচ্ছে না তার।
সিয়াটলে সোমবার ‘জি’ গ্রুপের ম্যাচটি ১-১ সমতায় শেষ হয়। প্রথমার্ধে ইমাম আশুরের গোলে এগিয়ে যায় মিশর। দ্বিতীয়ার্ধে দলটির ডিফেন্ডার মোহামেদ হানি হন আত্মঘাতী। তাতে দারুণ এক জয়ের আশা ভেঙে যায় তাদের।
উজ্জীবিত ফুটবল খেলা মিশর ১৯তম মিনিটে গোলের জন্য প্রথম শট নিয়েই সাফল্য পেয়ে যায়। মোহামেদ সালাহর পাস বক্সের বাইরে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে জোরাল শটে ঠিকানা খুঁজে নেন ইমাম আশুর।
বেলজিয়ামের মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে চোখে চোখ রেখে লড়াই করে যায় মিশর। অনেকটা সময় লিডও ধরে রাখে তারা। কিন্তু বদলি নামা লুকাকুর চাপের মুখে ৬৬তম মিনিটে নিজেদের জালে পাঠিয়ে দেন ডিফেন্ডার হানি।
সমানে-সমান লড়াইয়ের ম্যাচে বেলজিয়াম গোলের জন্য শট নিতে পারে ১৫টি, মিশর একটি কম। দুই দলেরই তিনটি করে শট লক্ষ্যে ছিল।
দলের পারফরম্যান্সের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেন হাসান। সঙ্গে আলাদা করে বলেন দলে লিভারপুলের সাবেক তারকা সালাহ ও ম্যানচেস্টার সিটির ফরোয়ার্ড ওমার মার্মুশের প্রভাবের কথা।
“মিশরের ঐতিহ্য নিয়ে কথা বলব না। এই দলের খেলোয়াড়রা শীর্ষ মানের। বিশ্বের সেরা দুইজন ফুটবলার আমাদের দলে আছে। তারা আমাদের অনুপ্রেরণা যোগায়।”
“আমরা বিশ্বকাপে কেবল দল সংখ্যা বাড়াতে আসিনি। আজকে জয়টা আমাদের হাতেই ছিল।”
চতুর্থবারের মতো বিশ্বকাপ খেলতে আসা মিশর এবার নিজেদের ইতিহাসের সেরা পারফরম্যান্সের খোঁজে আছে। এখন পর্যন্ত একবার শেষ ষোলোতে খেলা দলটি এবার শুরুটা ভালোই করেছে।
ফিফা র্যাঙ্কিংয়ের ২৯ নম্বর হয়ে ১০ নম্বরের বেলজিয়ামকে হারানোর সুযোগটা হাতছাড়া হওয়ার হতাশা থাকলেও, দলের সামগ্রিক পারফরম্যান্সে ভীষণ খুশি মিশর কোচ।
“এমন খেলাই ছিল আমাদের অগ্রাধিকার এবং আমাদের মনোযোগের চূড়ায়। আমরা অন্য কোনো কিছু নিয়েই ভাবছিলাম না।”
“আসলে এই ড্রও এক ধরনের জয়। এমন শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে ড্র করা (দারুণ প্রাপ্তি)। তাদের দলে বড় বড় খেলোয়াড় আছে।”