Published : 16 Jun 2026, 06:58 PM
ইলিশ মাছের উৎপাদন, সংরক্ষণে প্রতিবন্ধক ক্ষতিকর জাল উৎপাদন বন্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অভিযানের নির্দেশ দিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
মঙ্গলবার ঢাকার মৎস্য ভবনে ‘জাটকা ও মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান ২০২৫-২৬ এর মূল্যায়ন ও ভবিষ্যৎ করণীয়’-শীর্ষক কর্মশালায় এ নির্দেশ দেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, “ইলিশ ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য এবং এটি বাংলাদেশের গর্ব ও গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। এর সঙ্গে প্রায় ৭৫ হাজার কোটি টাকার অর্থনীতি জড়িত। তাই ইলিশের উৎপাদন আরও বৃদ্ধি করা গেলে অর্থনীতিতে বড় ধরনের ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
“দেশে প্রায় ৪০ লাখের বেশি মানুষ ইলিশ উৎপাদন, আহরণ, বিপণনের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত, যা এ খাতকে কর্মসংস্থানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উৎসে পরিণত করেছে। তাই এ খাতে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ অপরিহার্য।”
ভবিষ্যতে জেলেদের জন্য সহায়তা আরও বাড়ানোর আশ্বাস দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “গত বছর প্রায় ৪০ হাজার জেলেকে ভিজিএফ সহায়তা করা হয়েছে। ভবিষ্যতে এ সহায়তার পরিমাণ ও পরিধি আরও বাড়ানো হবে, যাতে জেলেরা মাছ ধরা থেকে বিরত থাকতে উৎসাহিত হন।”
সরকার প্রবর্তীত কৃষক কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে ধীরে ধীরে দেশের সব শ্রেণির মানুষকে এর আওতায় আনা হবে এবং মৎস্যজীবীরাও কৃষক কার্ডের সুবিধাভোগী হবেন বলে আশ্বাস দেন প্রতিমন্ত্রী।
কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন মৎস্য অধিদপ্তরের উপপরিচালক আবুল কালাম আজাদ। অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. খালেদ কনকের সভাপতিত্বে মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব নীলুফা আক্তার ও সৈয়দা নওয়ারা জাহান, মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক অনুরাধা ভদ্র কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন।