Published : 11 Jul 2026, 09:35 AM
গ্রুপ পর্বে দুর্বার গতিতে ছোটা আর্জেন্টিনা নকআউটে এসে ভুগছে বেশ। শেষ বত্রিশে কেইপ ভার্ড এবং শেষ ষোলোয় মিশর কঠিন পরীক্ষা নিয়েছে শিরোপাধারীদের। এবার আলবিসেলেস্তেদের প্রতিপক্ষ, ৭২ বছর পর কোয়ার্টার-ফাইনালে ওঠার আত্মবিশ্বাসে উজ্জীবিত সুইজারল্যান্ড। নিকো পাসের মনে হচ্ছে, সুইস বাধা পেরুতে হলে, দুর্দান্ত খেলতে হবে তাদেরকে।
ক্যানসাস সিটিতে ১২ জুলাই ৭টায় (এএম) সেমি-ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে সুইজারল্যান্ডের মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা। বিশ্বকাপের মঞ্চে দুই দলের সবশেষ দেখা হয়েছিল ২০১৪ সালে, ব্রাজিল আসরের শেষ ষোলোয়।
সাও পাওলোর সেই ম্যাচেও আর্জেন্টিনাকে ভুগিয়েছিল সুইজারল্যান্ড। তবে, আটকে রাখতে পারেনি শেষ পর্যন্ত। অতিরিক্ত সময়ে গোল করে ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দিয়েছিলেন আনহেল দি মারিয়া। ফুটবলকে বিদায় বলে দেওয়ায়, স্বাভাবিকভাবেই এবার মেসিদের সঙ্গে নেই তিনি।
১৯৫৪ সালের পর, প্রথমবার বিশ্বকাপের কোয়ার্টার-ফাইনালে ওঠা সুইজারল্যান্ড মুখিয়ে আছে, প্রথমবারের মতো সেরা চারে জায়গা করে নিতে। দলটির কোচ মুরাত ইয়াকিনও কেইপ ভার্ড ও মিশরের বিপক্ষে ম্যাচ বিশ্লেষণ করে হুঙ্কার ছেড়েছেন, আর্জেন্টিনা অজেয় নয়।
নবাগত কেইপ ভার্ড দুইবার পিছিয়ে পড়ে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল। শেষ পর্যন্ত আত্মঘাতী গোল করে হেরে যায় তারা ৩-২ ব্যবধানে। মিশরও ঘাম ছুটিয়ে দেয় স্কালোনির দলের। দুই গোলে পিছিয়ে পড়া মেসিরা শেষ দিকের ঝড়ে ৩-২ ব্যবধানে জিতে পার হন শেষ ষোলোর বৈতরণী।
দলের সবচেয়ে কনিষ্ঠ সদস্য পাসের মনে হচ্ছে, সুইসরাও তাদের জানাবে কঠিন চ্যালেঞ্জ। ২১ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডার তাই আগের ভুলগুলো শুধরে সেরাটা নিংড়ে দেওয়ার তাগিদ দিলেন সতীর্থদের।
“সুইজারল্যান্ডের দারুণ সব খেলোয়াড় আছে, যারা বল ভালোভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। পরের ধাপে যেতে হলে আমাদের দুর্দান্ত একটা ম্যাচ খেলতে হবে। আমাদের ভুলগুলোও শুধরে নেওয়া প্রয়োজন। স্বপ্ন পূরণের জন্য এই দলটি সবটুকু উজাড় করে দিবে।”