Published : 10 Jul 2026, 11:56 AM
বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিলের বিদায় মানতে পারছেন না রোমারিও। বিশ্বকাপ জয়ী সাবেক এই ফরোয়ার্ড মনে করেন, এবারের দ্রুত বিদায়ের পর আর ব্রাজিল কোচের পদে কার্লো আনচেলত্তির থাকা উচিত নয়।
কক্ষপথে ফিরতে ব্রাজিলের বাজি আনচেলত্তি। নরওয়ের বিপক্ষে হেরে আগেভাগে বিদায়ের পরও ইতালিয়ান কোচের উপরই আস্থা রেখেছে ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (সিবিএফ)। তারা জানিয়েছে ২০৩০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত আনচেলত্তিই থাকবেন ভিনিসিউস জুনিয়র, রাফিনিয়াদের কোচ।
এই সিদ্ধান্ত একদমই পছন্দ হয়নি ব্রাজিলের ১৯৯৪ বিশ্বকাপ জয়ী দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য রোমারিওর। ফেভারিটদের একটি হিসেবে বিশ্বকাপে এসে নরওয়ের বিপক্ষে হার মানতে পারছেন না তিনি। নিজের ইউটিউব চ্যানেলে রোমারিও বলেছেন, এবারের ব্যর্থতার পর কোচ পরিবর্তন করা উচিত।
“আমি সিবিএফের প্রেসিডেন্ট হলে, চুক্তি বাতিল করতাম। চুক্তি বহাল থাকার কোনো সুযোগই নেই। এটা হতে পারে না, পরিবর্তন করতেই হবে।
“ম্যাচ শেষে আমি তার কঠোর সমালোচনা করতাম। প্রেসিডেন্ট হিসেবে আমি ড্রেসিং রুমে যেতাম এবং তাদের বলতাম, ‘অসাধারণ, আপনাদের অনেক ধন্যবাদ, বিদায়।’ এরপর ছাঁটাই করতাম। যে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে তিনি আমাদের ফেলেছেন, যেভাবে ব্যর্থ হয়েছেন, এরপর আর তার ব্রাজিল জাতীয় দলের কোচ হিসেবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।”
কোচের পাশাপাশি খেলোয়াড়দেরও সমালোচনা করেছে সাবেক বার্সেলোনা ফরোয়ার্ড। তবে তিনি মনে করেন, মূল পরিবর্তন আনতে হবে কোচিং স্টাফদের মধ্যে। ৬০ বছর বয়সী রোমারিও মনে করেন না, এই কোচিং স্টাফদের দিয়ে বিশ্বকাপের নতুন চক্র শুরু করা উচিত।
শিরোপা ছাড়া বিশ্বকাপের যে কোনো পর্যায় থেকে বিদায় ব্রাজিলের ফুটবল ভক্তদের কাছে ব্যর্থতা। এবার দল কোয়ার্টার-ফাইনালের আগেই বিদায় নিলেও কোচের তেমন সমালোচনা হয়নি। রোমারিও মনে করেন, আনচেলত্তি ব্রাজিলিয়ান নন বলেই এবার সুর নরম। এবারের পারফরম্যান্সের পর যে কোনো স্থানীয় কোচ এরই মধ্যে ছাঁটাই হয়ে যেতেন।
১৯৯০ সালের পর প্রথমবার শেষ ষোলো থেকে বিদায় নেওয়া ব্রাজিলের শিরোপার জন্য অপেক্ষা বেড়েছে আরও। ২০০২ সালে নিজেদের পঞ্চম শিরোপা জিতেছিল লাতিন আমেরিকার দেশটি।