Published : 10 Jul 2026, 09:48 AM
কিলিয়ান এমবাপেকে যখন তুলে নেওয়া হলো, কিছু প্রশ্ন, খানিকটা কৌতূহলের জন্ম হলো। সব ঠিকঠাক আছে তো? ম্যাচের পর তিনি নিজেই খোলাসা করলেন, সমস্যা কিছু আছে। তবে দুর্ভাবনার কিছু নেই। চোট খানিকটা থাকলেও গুরুতর নয়। গোটা ফ্রান্স তাই আপাতত নির্ভার হতেই পারে।
বিশ্বকাপের ফ্রান্সের অপ্রতিরোধ্য ছুটে চলায় কোয়ার্টার-ফাইনালেও যথারীতি সামনের থেকেই নেতৃত্ব দেন এমবাপে। যদিও পেনাল্টিতে ব্যর্থ হয়ে কিছুটা অবাক করেছিলেন সবাইকে, তবে পরে দুর্দান্ত গোল করে স্বাভাবিক রূপেই ফেরেন। যেটি ছিল এবারের বিশ্বকাপে তার অষ্টম গোল, যেখানে তিনি লিওনেল মেসির সঙ্গে যৌথভাবে শীর্ষে। সব মিলিয়ে বিশ্বকাপে তার গোল ২০ ম্যাচে ২০টি, এখানে তিনি মেসির ঠিক পরেই।
৬০তম মিনিটে ওই গোলের পর ৭৭তম মিনিটে তুলে নেওয়া হয় তাকে। উসমান দেম্বেলেও গোল করায় ফ্রান্স তখন ২-০ গোলে এগিয়ে। তার পরও এমবাপেকে তুলে নেওয়াটা চোখে পড়ার মতো ব্যাপারই ছিল। মাঠ ছাড়ার সময় অবশ্য তিনি খোঁড়াননি বা তেমন কিছু বোঝা যায়নি তাকে দেখেননি। পরিচিত ভঙ্গিতে দর্শকদের দিকে দুই হাত নেড়েই বাইরে যান। তবে ডাগআউটে বসে থাকার সময় তার চোখেমুখে ছিল কিছুটা অস্বস্তির ছাপ।
তবে ম্যান অব দা ম্যাচের পুরস্কার নেওয়ার পর ২৭ বছর বয়সী তারকা জানালেন, দুর্ভাবনার কিছু নেই।
“আমার অ্যাঙ্কলে সামান্য চোট আছে, কিন্তু আমি ভালো আছি, পুরোপুরি ঠিক আছি। ম্যাচের বাকি সময়টা খেলার জন্য (জাঁ-ফিলিপ) মাতেতা আরও ভালো অবস্থানে ছিল এবং সেই মুহূর্তে সে আরও ফিট ছিলেন। ব্যাপার শুধু এটুকুই।”
সেমি-ফাইনালে ফ্রান্সে প্রতিপক্ষ স্পেন কিংবা বেলজিয়াম। ম্যাচটি জিততে পারলে টানা তিন বিশ্বকাপে ফাইনালে খেলা তৃতীয় দল হবে ফ্রান্স। এখনও পর্যন্ত এই কৃতিত্ব আছে কেবল জার্মানি ও ব্রাজিল।
নিজের চোট নিয়ে সুখবর জানানোর পাশাপাশি দেশের মানুষ ও সমর্থকদের জন্যও বার্তা দিলেন এমবাপে।
“আমি চাই তারা খেলাগুলো দেখতে থাকুক, আমাদের শক্তি জোগাক। যদিও তারা স্টেডিয়ামে নেই, আমরা তাদের শক্তি অনুভব করি। আমরা পরবর্তী ম্যাচগুলোর জন্য এই বিপুল সংখ্যক সমর্থককে এক সুতোয় গাঁথার চেষ্টা করব।”