Published : 13 Jun 2026, 03:17 PM
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা থেকে নিখোঁজের আট দিন পর এক যুবকের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে পরিবারের দাবি, মুক্তিপণের ১২ লাখ টাকা না পেয়ে অপহরণকারীরা তাকে হত্যা করেছে।
শনিবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার কুতুবপুর এলাকার অর্জুন খাল থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছেন চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ওসি মিজানুর রহমান।
নিহত রাফিন (২০) আলমডাঙ্গা উপজেলার চিলাভালকি গ্রামের সৌদি প্রবাসী আক্তার হোসেনের ছেলে। তিনি পেশায় ব্যাটারিচালিত ‘পাখিভ্যান’ চালক ছিলেন।
ওসি মিজানুর রহমান বলেন, শুক্রবার রাতে খালের পাশে একটি মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। পরে সকালে ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করা হয়। মৃতদেহটি অর্ধগলিত অবস্থায় ছিল।
নিহতের দাদি আমেনা বেগম বলেন, ৫ জুন সকালে রাফিন তার ব্যাটারিচালিত পাখিভ্যান নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন। সন্ধ্যা পর্যন্ত বাড়ি না ফেরায় স্বজনরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। পরে তার মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।
তিনি বলেন, “ওইদিন রাত ৮টার দিকে একটি নম্বর থেকে ফোন করে বলা হয়, রাফিনকে অপহরণ করা হয়েছে। তাকে জীবিত ফেরত পেতে হলে ১২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দিতে হবে।”
এ ঘটনার পর পরিবারের পক্ষ থেকে আলমডাঙ্গা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।
স্বজনদের দাবি, অপহরণকারীদের সঙ্গে যোগাযোগের সময় তারা রাফিনের অবস্থান জানতে চাইলে কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি। বরং ফোনের অপর প্রান্ত থেকে তাকে মারধরের শব্দ শোনানো হয় বলে অভিযোগ স্বজনদের।
ওসি মিজানুর রহমান বলেন, “মৃতদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হচ্ছে। এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলমান।”