২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪ আশ্বিন ১৪৩৩

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধু হলের নাম এখন শাহ আজিজুর রহমান হল

আগের নাম বদলে নতুন নামকরণ করতে ২৩টি নাম প্রস্তাব করেছিল বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও ছাত্রদল।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধু হলের নাম এখন শাহ আজিজুর রহমান হল
কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়। ফাইল ছবি

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 05 Mar 2025, 10:18 PM

Updated : 26 Aug 2026, 11:57 AM

কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে শেখ পরিবারের নামে প্রতিষ্ঠিত ছয়টি আবাসিক হল ও স্থাপনার নাম পরিবর্তন করা হয়েছে; এরমধ্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে শাহ আজিজুর রহমান হল।  

বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর বুধবার পরিপত্র জারি করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ বিভাগের পরিচালক অধ্যাপক আমানুর আমান বলেন, সিন্ডিকেট সভায় নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত হয়।

এ বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো বিশ্ববিদ্যালয়ের এক চিঠিতে বলা হয়েছে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের নামে থাকা স্থাপনা-প্রতিষ্ঠানের নাম গত ২৬ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের ২৬৭তম (সাধারণ) সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরিবর্তন করা হয়েছে।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে ‘শাহ আজিজুর রহমান হল’, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা হলের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে ‘উম্মুল মুমিনীন আয়েশা সিদ্দিকা হল’, শেখ হাসিনা হলের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে ‘জুলাই ৩৬ হল’, শেখ রাসেল হলের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে ‘শহীদ আনাছ হল’।

এছাড়া ওয়াজেদ মিয়া বিজ্ঞান ভবন এখন থেকে ‘ইবনে সিনা বিজ্ঞান ভবন’ নামে পরিচিত হবে।

মুসলিম লীগ নেতা শাহ আজিজুর রহমান ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধবিরোধী ছিলেন। তিনি সেসময় তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের আবদুল মোতালেব মালিকের নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভার সদস্য হন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় জাতিসংঘে পাকিস্তানি প্রতিনিধিদলের অন্যতম সদস্য ছিলেন।

পরে জিয়াউর রহমানের আমলে শাহ আজিজুর রহমান প্রধানমন্ত্রী হন। 

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে শেখ পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা এসব হল ও স্থাপনার নাম পরিবর্তনের দাবি জানিয়েছিল বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও ছাত্রদল। গত ২৬ ফেব্রুয়ারি নতুন নামকরণ করতে ২৩টি নাম প্রস্তাব করেছিল সংগঠন দুটি।

একই দাবিতে ৫ ও ২০ ফেব্রুয়ারি বৈষম্যবিরোধী ছাত্ররা বিক্ষোভ মিছিলও করে। পরে সিন্ডিকেট সভায় এ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।