২৫ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
২৫ মার্চের কালরাত্রির পর যখন চারদিকে চরম অনিশ্চয়তা, তখন বাঙালির মুক্তির লড়াইকে এক সুতোয় গেঁথেছিলেন তিনি। প্রচারের আলো থেকে দূরে থাকা সেই মানুষটিই ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের প্রধান প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক কারিগর। ২৩ জুলাই, স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের জন্মদিনে তার আপসহীন নেতৃত্ব ও আধুনিক রাষ্ট্রচিন্তার এক গভীর মূল্যায়ন।
মুক্তিযুদ্ধের ৯ মাস রণাঙ্গনে শত্রু মোকাবিলা করার পাশাপাশি তাজউদ্দীন আহমদকে লড়তে হয়েছিল অভ্যন্তরীণ কোন্দলের বিরুদ্ধেও। কেন গঠিত হয়েছিল ‘মুজিববাহিনী’?
বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র কেবল একটি ঘোষণা নয়, এটি একটি রাষ্ট্রের জন্মের বৈধ দলিল। ১৯৭১ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু করে ১০ এপ্রিলের চূড়ান্ত রূপান্তর পর্যন্ত এই দলিলের বিবর্তনের গল্প আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সুসংগঠিত রূপটিকেই তুলে ধরে।
মুক্তিযুদ্ধ কি কেবল একটি স্মৃতি, নাকি রাষ্ট্রের স্থায়ী ভিত্তি? জুলাই অভ্যুত্থানের উত্তাল সময়ের পর নতুন বাংলাদেশের রাজনীতি, ভাষা বিতর্ক এবং ইতিহাসের গতিপথ নিয়ে কিছু কথা না বলা রয়ে গেছে।
একাত্তরে ধর্ষণের কোনো ঘটনাই ঘটেনি–এমন বিকৃত বয়ান আর রাজাকারদের আস্ফালন বুকের ভেতর দহন জাগায়। এত রক্ত আর সম্ভ্রমের বিনিময়ে অর্জিত দেশটা কি তবে জলের দামে বিক্রি হয়ে গেল?
৭ই মার্চের ভাষণ ফেইসবুকে শেয়ার করায় নির্মম নির্যাতনের শিকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী পাভেল। অন্যদিকে ভাষণ বাজানোর দায়ে ইমি, মামুন ও আসিফ এখন কারাগারে। ছাত্রলীগ যা করেছে, এখন কি ছাত্রশক্তি তা করবে?
৭ই মার্চের ভাষণ বাজানো কি ‘সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড’? বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের যে ভাষণকে পাকিস্তানি সামরিক ও রাজনৈতিক নেতৃত্ব দেখেছিল পূর্ব বাংলার স্বাধীনতা আন্দোলনের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া মুহূর্ত হিসেবে, সেই ভাষণ বাজানোর ‘অপরাধে’ শেখ তাসনিম আফরোজ ইমিসহ কয়েজনকে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মুক্তিযুদ্ধের শিকড়ের ইতিহাসের সঙ্গে মিশে আছে ৭ই মার্চের ভাষণটি। ঐতিহাসিক এই ভাষণটি কোনো নির্দিষ্ট দলের নয়। দলমত নির্বিশেষে এ ভাষণটিকে উপলব্ধি করা জরুরি।