Published : 09 Jul 2026, 02:20 PM
কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে এক রোহিঙ্গা নারী ও তার আট বছরের ছেলেকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনার পর থেকে গৃহকর্তা পলাতক রযেছেন।
উখিয়া থানার ওসি মুজিবুল হক জানান, বুধবার রাত ৮টার দিকে কুতুপালং আশ্রয়শিবিরের ৬ নম্বর ক্যাম্পের বি ব্লকে এ ঘটনায় পরিবারের আরও এক শিশু আহত হয়েছে।
নিহতরা হলেন- কুতুপালং আশ্রয়শিবিরের বাসিন্দা এহানুল হকের স্ত্রী সুফিয়া বেগম (৩৪) এবং তার ছেলে সমিন।
তাদের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এ ঘটনায় আহত চার বছর বয়সী বাপ্পিকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
রোহিঙ্গা মাঝি ও আশ্রয়শিবিরের বাসিন্দাদের বরাতে ওসি বলেন, “পারিবারিক বিরোধের জেরে এহানুল হক তার স্ত্রী সুফিয়া এবং দুই ছেলে সমিন ও বাপ্পিকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করেন। এতে ঘটনাস্থলেই সুফিয়া ও সমিনের মৃত্যু হয়।”
গুরুতর অবস্থায় বাপ্পিকে প্রথমে ক্যাম্পের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে বৃহস্পতিবার ভোরে তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয় বলে জানান এ পুলিশ কর্মকর্তা।
ওই ক্যাম্পের রোহিঙ্গা মাঝি আমির হোসেন বলেছেন, “এহানুল প্রথমে তার স্ত্রীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করলে তিনি মারা যান। দুই ছেলে চিৎকার শুরু করলে তাদেরও কুপিয়ে জখম করেন। প্রতিবেশীরা এগিয়ে গেলে তিনি পালিয়ে যান।”
ওসি মুজিবুল বলছেন, “ঘটনার পরপরই এহানুল হক পালিয়ে গেছেন। তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।”
এ ঘটনায় স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য, রোহিঙ্গা নেতাদের বক্তব্য এবং তদন্তে পাওয়া তথ্য মিলিয়ে অনুসন্ধান করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।