‘ধর্ষকের জন্ম বিচারহীনতায়’: জাহাঙ্গীরনগরে ক্ষোভ

১৯৯৯ সালে এ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জসীম উদ্দীন মানিকের বিরুদ্ধে ‘ধর্ষণের সেঞ্চুরির’ অভিযোগ উঠেছিল।

হাসিবুর রহমানজাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধিবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 5 Feb 2024, 03:25 PM
Updated : 5 Feb 2024, 03:25 PM

ক্যাম্পাসে নানা সময়ে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ও র্যৌন নিপীড়ণের অভিযোগ এলেও কর্তৃপক্ষ সেগুলো ‘আমলে না নেওয়ায় বিচারহীনতার যে সংস্কৃতি’ তৈরি হয়েছে; তার ধারাবাহিকতাতেই ‘মোস্তাফিজদের মত ধর্ষক’ তৈরি হচ্ছে বলে অভিযোগ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের। 

নিজেদের ‘নিরাপত্তাহীনতার’ কথা তুলে ধরে তারা বলছেন, ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে ধর্ষক একদিনে তৈরি হয়নি। ছিনতাই, নারী হেনস্তা, ছাত্রী-সহপাঠীদের যৌন নিপীড়ন ও দীর্ঘদিনের ‘অনৈতিক’ কার্যকলাপ জারি থাকায় এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

শনিবার রাতে স্বামীকে মীর মশাররফ হোসেন হলে আটকে রেখে এক গৃহবধূকে দলবেঁধে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে ছাত্রলীগের এক নেতা এবং তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে। এর প্রতিবাদে বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে ওঠে ক্যাম্পাস। ফিরে আসে আড়াই দশক আগে ‘ধর্ষণের বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর’ আন্দোলনের স্মৃতি। 

১৯৯৯ সালে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জসীম উদ্দীন মানিকের বিরুদ্ধে ‘ধর্ষণের সেঞ্চুরির’ অভিযোগ উঠেছিল। পরে ছাত্র-শিক্ষকদের সম্মিলিত আন্দোলেনর মুখে মানিক ও তার সহযোগীরা ক্যাম্পাস ছাড়তে বাধ্য হয়। সেই ঘটনা সারাদেশে আলোড়ন তোলে।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, দেশের একমাত্র আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয়ে বেড়াতে এসে ছিনতাইয়ের শিকার হওয়া, নারী শিক্ষার্থীদের উত্ত্যক্ত করা এই ক্যাম্পাসে প্রায় নিয়মিত ঘটনা।

২০২৩ সালের ৯ জুন ক্যাম্পাসের ভেতরেই দিনে-দুপুরে ছিনতাইয়ের শিকার হন দুই নারী শিক্ষার্থী। পুরাতন প্রশাসনিক ভবনের পেছনে চাপাতি দেখিয়ে তাদের মোবাইল ও ব্যাগ নিয়ে যায় এক ছিনতাইকারী।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ‘সহযোগিতা না করলেও’ নিজেদের চেষ্টায় এবং পুলিশের সহযোগিতায় সেই ছিনতাইকারীকে ধরার কথা বলেছেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী।

আইন ও বিচার বিভাগের শিক্ষার্থী ইসরাত জাহান ইরা বলেন, “ছিনতাইয়ের ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর বরাবর লিখিত দিয়েছিলাম। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর কার্যালয় বা নিরাপত্তা কার্যালয় আজ পর্যন্ত সেটার কোনো সুরাহা করতে পারেনি।

ক্যাম্পাসের ভেতর থেকে আমাদের দুইটা মেয়ের মোবাইল, পার্টস নিয়ে নিল, অথচ ঘটনার পর এত ছুটোছুটি করলাম আজ পর্যন্ত প্রক্টর স্যারের সঙ্গে দেখা করতে পারি নাই। উনারা শুধু ‘আমরা দেখতেছি’ বলার মধ্যেই সীমাবদ্ধ।

“নিরাপত্তা শাখাও আমাদের জন্য কিছুই করেনি। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আমাদের কোনোরকম সহযোগিতা করেনি।”

২০২৩ সালের ১১ জুন ক্যাম্পাসের বোটানিক্যাল গার্ডেন সংলগ্ন রাস্তায় এক নারী শিক্ষার্থীকে হেনস্তা করে এক পুলিশ কনস্টেবল ও তার সহযোগী। পরে শিক্ষার্থীরা পুলিশ কনস্টেবলকে আটক করে নিরাপত্তা শাখায় হস্তান্তর করে। কিন্তু তার সহযোগী পালিয়ে যায়।

ওই ঘটনার ভুক্তভোগী ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী বলেন, “ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। প্রক্টর কার্যালয় এবং নিরাপত্তা কার্যালয়ে কয়েকবার গিয়েছি আমি ও আমার বন্ধুরা। ওই দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যবস্থা নিয়েছে কি-না জানার জন্য। কিন্তু তারা আজ পর্যন্ত কিছু জানায়নি।

“আমাদের সঙ্গে নিরাপত্তা শাখার প্রধান সুদীপ্ত শাহীনের আচরণ ছিল ‘অন্যরকম’। উনার আচরণে মনে হয়েছে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা কিংবা এরকম সমস্যায় পড়লে শিক্ষার্থীদের উনার কাছে যাওয়াটা পছন্দনীয় না।”

২০২৩ সালের ১২-১৩ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়ের সুফিয়া কামাল হল ও শেখ হাসিনা হলে মধ্যরাতে নারী শিক্ষার্থীদের হয়রানি করে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা। যে ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকে চিহ্নিত করা যায়নি বলেও অভিযোগ রয়েছে ছাত্রীদের।

বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে যৌন নিপীড়নের ঘটনাও ঘটছে কিন্তু সেটার বিচার হচ্ছে না- এমন নজিরও তুলে ধরেছেন তারা।

পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইনফরমেটিকস বিভাগের একজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রলোভন দেখিয়ে ছাত্রীর সঙ্গে ‘অনৈতিক সম্পর্ক’ গড়ে তোলার অভিযোগ উঠেছিল। এখন পর্যন্ত কয়েকবার তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছে, কিন্তু সুরাহা হয়নি। এরকম নজির আরো আছে।

এসব ঘটনার মধ্যে শনিবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের মীর মশাররফ আবাসিক হলের ‘এ’ ব্লকের ৩১৭ নম্বর কক্ষে স্বামীকে আটকে রেখে স্ত্রীকে কৌশলে বোটানিক্যাল গার্ডেনে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ৪৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ও শাখা ছাত্রলীগের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান, তার পরিচিত মামুনুর রশীদ মামুনসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে।

পরে ভুক্তভোগীর স্বামী ছয়জনকে আসামি করে ঘটনার রাতেই আশুলিয়া থানায় ‘নারী ও শিশু নির্যাতন দমন’ আইনে মামলা করেন।

এ ঘটনায় জড়িত শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণার পাশাপাশি সনদ স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি ধর্ষণের ঘটনা খতিয়ে দেখতে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে ক্যাম্পাস। সোমবারও শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে ধর্ষণবিরোধী পোস্টার টঙিয়ে প্রতিবাদ কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছেন।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ছাত্রলীগ নেতা মোস্তাফিজ ছাত্রত্ব শেষ হয়ে যাওয়ার পরও হলে থাকছেন এক বছরের বেশি সময় ধরে। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ৪৫তম ব্যাচের এই শিক্ষার্থী মীর মশাররফ হোসেন হলের ‘বি’ ব্লকের ২০৫ নম্বর কক্ষে থাকতেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদকের পদে ছিলেন। তবে ধর্ষণের এই অভিযোগ ওঠার পরপরই ছাত্রলীগ থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালের ৭ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের স্নাতকোত্তর শ্রেণির তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হয়। পরীক্ষা শুরু হয়েছিল ১০ নভেম্বর।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শৃঙ্খলা অধ্যাদেশ অনুযায়ী, স্নাতকোত্তর শ্রেণির পরীক্ষা শেষ হওয়ার সাত দিনের মধ্যে আবাসিক হল ছেড়ে দিতে হয় শিক্ষার্থীদের।

তবে এই বিধির বাস্তবায়ন নেই বিশ্ববিদ্যালয়ে। ছাত্রত্ব শেষ হওয়ার পরেও অবৈধভাবে হলে থাকছেন শিক্ষার্থীরা। তাদের মধ্যে যারা ক্ষমতাসীন ছাত্র সংগঠনের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত, তাদের মধ্যে হলে বেশিদিন অবস্থান করার প্রবণতা বেশি।

হলে ‘র‌্যাগিং’, নীপিড়ন, নিরাপত্তা চেয়ে অভিযোগ প্রক্টর কার্যালয়ে গেলেও বিচার নিশ্চিত করছে না প্রশাসন। এরকম বিচারহীনতাই অপরাধীদের জন্য ‍সুযোগ তৈরি করে দেয় বলে মনে করেন সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সংগঠক সোহাগি সামিয়া।

তিনি বলেন, “এ বিশ্ববিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে ত্রাসের রাজত্ব চলছে। এটা একদিনে তৈরি হয়নি। অনেক দিনের ফলাফল মোস্তাফিজ দেখিয়েছে। একটা নবীন শিক্ষার্থীকে ক্যাম্পাসে শুরুর দিন থেকেই শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের মধ্য দিয়ে যেতে হয়। যেটার ফলাফল আজকের এই মুস্তাফিজ, আজকে সে ধর্ষকে পরিণত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কখনোই সমস্যার মূলোৎপাটন করতে চায় না বরং জিইয়ে রাখতে চায়।”

প্রশাসন বিচার না করে ধর্ষক কিংবা নিপীড়কদের বাঁচিয়ে রাখতে চায় বলে অভিযোগ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ইউনিয়নের আহ্বায়ক আলিফ মাহমুদ।

তিনি বলেন, “এ ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীরা আজ নিরাপদ না। কর্তৃপক্ষ একটা নিরাপদ ক্যাম্পাস না দিতে পারার কারণ তাদের বিচারহীনতা। বিভিন্ন হল থেকে নবীন শিক্ষার্থীরা র‌্যাগিংয়ের শিকার হয়ে কিংবা নিপীড়নের শিকার হয়ে কর্তৃপক্ষ বরাবর অভিযোগ দাখিল করে। কিন্তু পরবর্তীতে আর কোনো সমাধান পাওয়া যায় না।

“কর্তৃপক্ষ সেটা ঝুলিয়ে রাখে, ফলে কয়েকদিন পরই সেটা স্তিমিত হতে হতে নাই হয়ে যায়। কর্তৃপক্ষ এই বাস্তবতাটা তৈরি করতে পেরেছে যে, এত ঝামেলার মধ্যে শিক্ষার্থীরা আসতে চাইবে না সুতরাং এটা ধাপাচাপা রয়ে যায়।”

ছাত্র ইউনিয়নের আহ্বায়ক বলেন, “অধিকাংশ অপরাধমূলক ঘটনায় দেখা যায়, ছাত্রলীগ জড়িত থাকে। কর্তৃপক্ষ কীভাবে তাদের বাঁচাবে সে চেষ্টা করে, ফলে বিচারহীনতার সংস্কৃতিটা জারিই থেকে যায়। মোস্তাফিজ যদি মনে করে থাকে একজন নিপীড়ক শিক্ষক যদি পার পেয়ে যায় তাহলে ক্ষমতাসীন ছাত্র সংগঠন করে সে কেন পার পাবে না। এসব চিন্তাই তাকে ধর্ষকে পরিণত করেছে।”

ধর্ষণবিরোধী আন্দোলনের সংঘটক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের অধ্যাপক রায়হান রাইন বলেন, “বিচারহীনতার সংস্কৃতিই আজকে এই মোস্তাফিজের জন্ম দিয়েছে। শিক্ষক মাহমুদুর রহমান জনির বিরুদ্ধে নিপীড়িনের অভিযোগ এক বছর ২ মাস ধরে তদন্তাধীন অবস্থায় রয়েছে। এরকম একজন নিপীড়কের যদি বিচার না হয় তখন অন্য নিপীড়িক ও ধর্ষকের জন্ম হতে বাধ্য।”

ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক গোলাম রাব্বানী বলেন, “ক্যাম্পাসে যে ক্ষমতা কাঠামো রয়েছে তাতে ক্ষমতাসীন ছাত্র সংগঠনের সঙ্গে প্রশাসন মিলে একটা নৈরাজ্য তৈরি করে রেখেছে। ওই ছাত্র সংগঠনে যারা জড়িত তারা যদি অপরাধ করে সেটার বিচার হবে না- এমন সংস্কৃতি চলছে৷ “বিশ্ববিদ্যালয়ে কেউ ঘুরতে এলে ব্ল্যাকমেইল, ছিনতাইসহ নানা অপরাধে ক্ষমতাসীন ছাত্র সংগঠন জড়িত থাকলেও তদের বিচার হতে দেখি না। এটা এখনও বজায় আছে। এই প্রশাসন সেটা বেশি করে বজায় রেখেছে। এই বিচারহীনতার জন্য সম্পূর্ণরূপে প্রশাসন দায়ী।”

অসহযোগিতার অভিযোগ অস্বীকার করলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা শাখার প্রধান সুদীপ্ত শাহীন বলেছেন কিছু ক্ষেত্রে ‘অসহায়ত্বের’ কথা।

তার ভাষ্য, তিনি এবং নিরাপত্তা শাখার সবাই ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে সবার নিরাপত্তা দিতে আন্তরিকভাবে চেষ্টা করেন। তবে অনেক ক্ষেত্রে নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য ‘পর্যাপ্ত উপাদান না থাকায়’ নিরাপত্তার কাজ বিঘ্নিত হয়।

আবার অনেক সময় অভিযুক্তদের শাস্তি দিতে চাইলে ‘অনেক কিছু বিবেচনায়’ সেটাও সম্ভব হয়ে ওঠে না বলে তার ভাষ্য।

সুদীপ্ত শাহীন বলেন, “অনেক সময় অনেক অভিযুক্ত ব্যক্তির জন্য অনেকে ‘সুপারিশ’ করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান এবং সাবেক শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে এসব সুপারিশ আসে। রাজনৈতিক পরিচয়ে এসব সুপারিশ আসার ফলে আমরা কিছু করতে পারি না।”

এসব সুপারিশের বিষয়ে উচ্চতর কর্তৃপক্ষকে জানানো হয় কি-না, সেই প্রশ্নে শাহীন বলেন, “রাজনৈতিক বা অন্য যে কোনো পরিচয়ে সুপারিশ এলে সবসময় উচ্চতর কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়। কিন্তু উচ্চতর কর্তৃপক্ষ এসব ব্যাপারে ‘নীরব’ থাকে। যার ফলে আমরা আমাদের মতো কাজ করতে পারি না।”

এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আ স ম ফিরোজ-উল-হাসান বলেন, “ছাত্র শৃঙ্খলা রক্ষায় আমাদের প্রক্টরিয়াল বডি সবসময় কাজ করে যাচ্ছে।” 

আরও পড়ুন:

Also Read: রাবিতে ধর্ষণ বিরোধী মিছিলে ‘ছাত্রলীগের বাধা’

Also Read: ধর্ষকদের শাস্তির দাবিতে জাহাঙ্গীরনগরে মশাল মিছিল

Also Read: ধর্ষণ: বিক্ষোভে উত্তাল জাহাঙ্গীরনগর

Also Read: জাবিতে স্বামীকে আটকে নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার

Also Read: জাবিতে ধর্ষণ: জড়িতদের সনদ স্থগিত, ক্যাম্পাসে 'অবাঞ্ছিত'

Also Read: ধর্ষণ: জাহাঙ্গীরনগরের চার শিক্ষার্থী ৩ দিনের রিমান্ডে

Also Read: জাবিতে স্বামীকে আটকে নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার