Published : 06 Jun 2026, 03:23 PM
মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে গ্রাম আদালতের সালিশ বৈঠকে যুবদল নেতাকে মারধর এবং যুবদলের সদস্য সচিবের কার্যালয়ে ভাঙচুরের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা হয়েছে।
শুক্রবার বিকালে ও রাতে হরিরামপুর থানায় মামলাগুলো হয়েছে বলে জানান থানার ওসি মুহাম্মদ আফজাল হোসেন। দুটি মামলারই বেশিরভাগ আসামি উপজেলা যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মী।
এর মধ্যে উপজেলা যুবদলের সদস্য কাজী সালাউদ্দিন শিমুলকে মারধরের ঘটনায় বিকালে শিমুল বাদী হয়ে যুবদল সদস্য সচিব মোল্লা শাহিন, কাইয়ূম মোল্লা, মিশন চৌধুরী, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক কবির হোসেন বুলবুলসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন।
অন্যদিকে উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আবু সাদাত শাহিন (মোল্লা শাহিন) তার অফিসে ভাংচুরের ঘটনায় নিজে বাদী হয়ে উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আশিকুজ্জামান শিপু, ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের সহসভাপতি শাকিল মোল্লা, হরিরামপুর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নাসির উদ্দীনসহ ৩১ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন।
স্থানীয়রা জানায়, বুধবার দুপুরে উপজেলার চালা ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের বারান্দায় একটি পারিবারিক বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে গ্রাম আদালতের সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, স্থানীয় গণ্যমান্যরা উপস্থিত ছিলেন। সালিশে বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে যুবদল নেতা শিমুলকে মারধরের ঘটনা ঘটে।
চালা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আব্দুল বাসেদ বলেন, “পারিবারিক বিষয় নিয়ে বৈঠক চলছিল। একপর্যায়ে কয়েকজনের মধ্যে বাকবিতণ্ডা থেকে মারধরের ঘটনা ঘটে।”
ওই ঘটনার জের ধরে বুধবার রাতে উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আবু সাদাত শাহিনের অফিসে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
এদিকে যুবদল সদস্য সচিব মোল্লা শাহিনের মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো এমদাদুল হক বলেন, মামলায় ৩১ জনকে আসামি করা হয়েছে। তারমধ্যে এজাহার নামীয় সজলকে শুক্রবার রাত ৯টার দিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে শনিবার সকালে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
হরিরামপুর থানার ওসি মুহাম্মদ আফজাল হোসেন বলেন, “গ্রাম আদালতে মারধরের ঘটনায় এবং অফিস ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা হয়েছে। আসামিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ”