Published : 29 Oct 2023, 10:49 PM
রাজধানীতে বিএনপির মহাসমাবেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ চলাকালে হত্যার শিকার কনস্টেবল আমিরুল হক পারভেজকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হয়েছে।
রোববার বিকালে মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলা সদর কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয় বলে চরকাটারি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আইয়ূব আলী জানান।
এর আগে উপজেলার সরকারি প্রমোদা সুন্দরী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে মাগরিবের নামাজ শেষে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা, পরিবারের সদস্য, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধবসহ শত শত মানুষ অংশ নেন।
পুরানো খবর:
পুলিশ হত্যায় ছাত্রদল নেতা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীপুরানো খবর:
কাকরাইলে সংঘর্ষে আক্রান্ত গণমাধ্যমকর্মীরাওপুরানো খবর:
বিএনপির সঙ্গে সংঘর্ষের মধ্যে পুলিশ সদস্য নিহতশনিবার বিকালে রাজধানীর দৈনিক বাংলা মোড় এলাকায় হামলায় গুরুতর আহত হন কনস্টেবল পারভেজ। পরে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান।
পারভেজের (৩২) বর্তমান বাড়ি টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার দপ্তিয়র ইউনিয়নের ফয়েজপুর গ্রামে। তবে তার আদি বাড়ি দৌলতপুর উপজেলার চরকাটারি ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের চরকাটারি গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সেকেন্দার আলী মোল্লার বড় ছেলে।
ঢাকা মহানগর পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের সদস্য পারভেজ স্ত্রী রুমা আক্তার ও একমাত্র মেয়ে তানহা ইসলামকে নিয়ে রাজধানীর খিলগাঁওয়ের রেলওয়ে কলোনিতে বসবাস করতেন।
বিকালে কনস্টেবল পারভেজের মরদেহবাহী গাড়ি সরকারি প্রমোদা সুন্দরী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এসে পৌঁছায়। গাড়ি দেখেই কান্নায় ভেঙে পড়েন তার মা-বাবা, স্ত্রী-সন্তানসহ আত্নীয়-স্বজন। তাকে একনজর দেখতে ভিড় করেন সহপাঠী, বন্ধু-বান্ধবরা।
জানাজায় অংশ নিতে আসেন স্থানীয় সংসদ সদস্য নাঈমুর রহমান দর্জয়। এ সময় তিনি পারভেজের পরিবারকে এক লাখ টাকা সহায়তা করার কথা জানান।
জানাজায় জেলা প্রশাসক রেহেনা আকতার, পুলিশ সুপার গোলাম আজাদ খান, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপিত গেলাম মহীউদ্দীন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম, দৌলতপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম রাজা উপস্থিত ছিলেন।