Published : 08 Dec 2025, 11:26 PM
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধসহ ৫ জনের আহত হওয়ার কথা জানিয়েছে পুলিশ।
রোববার রাত সাড়ে ১২টা থেকে সোমবার দুপুর পর্যন্ত কয়েক দফায় সংঘর্ষ চলে বলে জানান রূপগঞ্জ থানার ওসি মো. সবজেল হোসেন।
তিনি বলেন, ফেইসবুক পোস্টে ‘বাজে’ মন্তব্যের জেরে মিরাজুল মাহিম ও সাকিবুল হাসানের অনুসারীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। তবে এ ঘটনায় কেউ থানায় অভিযোগ করেনি বলেও জানান ওসি।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মিরাজুল মাহিম উপজেলার তারাব পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি এবং সাকিবুল হাসান ছাত্রলীগের সাবেক কর্মী।
যদিও সাকিবুল নিজের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। তিনি নিজেকে বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের নারায়ণগঞ্জ জেলা (উত্তর) কমিটির সদস্য বলে পরিচয় দেন।
ওসি সবজেল বলেন, সাকিবুলের একটি ফেইসবুক পোস্টে ‘গালি’ দেন মিরাজুল মাহিম। এ মন্তব্যের জেরে রোববার রাত ৮টার দিকে তাদের মধ্যে বিতণ্ডা হয়। এরই জেরে পরে উভয়পক্ষের অনুসারীরা সংঘর্ষে জড়ান।
“এ সময় আগ্নেয়াস্ত্র থেকে গুলি চালানো হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন স্থানীয়রা। স্থানীয় একজন ব্যক্তি গুলির তিনটি খোসাও পুলিশকে দিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে পুলিশ।”
সংঘর্ষে মিরাজুলের ‘ঘনিষ্ঠজন’ হিসেবে পরিচিত শহিদুল ইসলাম নামে এক যুবলীগ কর্মী আহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ।
তবে তিনি কোথায় চিকিৎসাধীন আছেন তা জানতে পারেননি বলে জানান রূপগঞ্জ থানার ওসি।
সাকিবুল হাসান বলেন, “গত বর্ষা মৌসুমে এলাকার জলাবদ্ধতা নিয়ে মন্তব্য করায় মিরাজুলের সঙ্গে আমার বিরোধ হয়। এরপর দ্বন্দ্ব আরও বাড়ে। এরই জেরে সে আমার ফেসবুক পোস্টে বাজে মন্তব্য করে। আমি কারণ জানতে চাইলে সে আমার বাড়িতে হামলা চালায়।”
তার অনুসারীর সংঘর্ষে জড়ানোর বিষয়টি অস্বীকার করেন তিনি।
এ ঘটনায় মাহিমের মুঠোফোনের নম্বরটি বন্ধ পাওয়ায় তার মন্তব্য পাওয়া যায়নি। খুদেবার্তারও উত্তর মেলেনি।