সাজেকে গোলাগুলিতে আটকা পর্যটক, ভ্রমণে নিরুৎসাহ প্রশাসনের
“যারা সেখানে অবস্থান করছেন তাদের বুধবার নিরাপদে ফিরিয়ে আনা হবে।”
রাঙামাটির পর্যটনকেন্দ্র সাজেকে দিনভর গোলাগুলির ঘটনায় পর্যটকরা ফিরতে পারেননি।
এই পরিস্থিতিতে পর্যটকদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে বুধবার সাজেক ভ্রমণে নিরুৎসাহিত করে নির্দেশনা দিয়েছে রাঙামাটি জেলা প্রশাসন।
মঙ্গলবার রাতে রাঙামটির জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন খান সাংবাদিকদের বলেন, “দুই আঞ্চলিক দলের গোলাগুলির ঘটনায় পর্যটকদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে বুধবার একদিন সাজেকে পর্যটক ভ্রমণে নিরুৎসাহিত করে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনা করে পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
“যারা সেখানে অবস্থান করছেন তাদের বুধবার নিরাপদে ফিরিয়ে আনা হবে।”
খাগড়াছড়ি জিপগাড়ির লাইনম্যান মো. ইয়াছিন আরাফাত বলেন, মঙ্গলবার সকালে খাগড়াছড়ি থেকে ২৫-৩০টি গাড়ি সাজেক গিয়েছে। এতে প্রায় চার শতাধিক পর্যটক ছিলেন। একইদিন সকালে সাজেক থেকে ২০-২৫টি গাড়ি খাগড়াছড়ি ফিরেছে।
তিনি বলেন, “দুই আঞ্চলিক দলের মধ্যে কয়েকদিন ধরে গোলাগুলি হচ্ছে। পর্যটকদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে বিকালে কোনো পর্যটকবাহি গাড়ি সাজেক থেকে খাগড়াছড়ি ফিরেনি।”
সাজেক রিসোর্ট মালিক সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মতিজয় ত্রিপুরা বলেন, সাজেক ও মাচালং এর ৭ নম্বর ওয়ার্ডের শীপপাড়া নামক এলাকায় এই গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এটি পর্যটন কেন্দ্র থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে।
গোলাগুলির ঘটনার কারণে বিকালে প্রায় ১০টি পর্যটকবাহী গাড়ি সাজেক ছেড়ে যায়নি। রাতে প্রায় পাঁচ শতাধিক পর্যটক সাজেক অবস্থান করছেন বলে জানান মতিজয় ত্রিপুরা।
স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আধিপত্য বিস্তারের জেরে সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন জেএসএস এবং প্রসীত খীসার নেতৃত্বাধীন ইপিডিএফের মধ্যে দফায় দফায় গোলাগুলির ঘটনা ঘটছে। তবে এতে হতাহতের কোনো খবর মিলেনি।
