Published : 16 Oct 2025, 09:52 PM
খাতা-কলমে ছাত্রী থাকলেও নেই ভবন, শ্রেণিকক্ষ। কোনোদিন ক্লাসও হয় না।
অথচ ২৫ বছর ধরেই নাকি চলছে বগুড়ার ধুনট উপজেলার গোসাইবাড়ী মহিলা কলেজ। যদিও সেটি এমপিওভুক্ত নয়।
এবার সেই কলেজ থেকে চারজন এইচএসসি পরীক্ষাতেও অংশ নিয়েছিল। কিন্তু তাদের কেউ পাশ করেনি।
স্থানীয়রা জানান, গোসাইবাড়ী মহিলা কলেজ ১৯৯৯ সালে প্রতিষ্ঠা হয়। দুবছর পর ২০০১ সালে কলেজ কর্তৃপক্ষ ছাত্রী ভর্তির অনুমতি পায়।
যদিও অভিযোগ রয়েছে, যাদের ভর্তি দেখানো হয় তারা অন্য প্রতিষ্ঠানে ক্লাস করে।
কলেজের করণিক মহব্বত আলী বলেন, “কতজন ভর্তি হয়েছে এবং পাশ করেছে তা অধ্যক্ষ জানাননি। সব কিছু তার হেফাজতে থাকে। তবে যারা ভর্তি হন তারা অন্য কলেজে পড়ালেখা করে। তিনি শিক্ষক নিয়োগ দিয়েছেন যাদের তারাও কলেজে আসেন না।”
কলেজের একজন প্রভাষক বলেন, “জাহাঙ্গীর আলম অধ্যক্ষ হওয়ার পর কাকে কোন পদে নিয়োগ দেন কেউ জানেন না। কলেজে ছাত্রী আসে না। কী করব কলেজে গিয়ে?”
কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ বেলাল হোসেন বলেন, “আওয়ামী লীগের সময়ে আমাকে বাদ দিয়ে জাহাঙ্গীর আলম নামের একজনকে অধ্যক্ষ করা হয়। তারপর থেকে কলেজের এই করুণ অবস্থা। এখানে আর কেউ ক্লাস নিতেও আসেন না। ছাত্রীরাও আসে না।”
কলেজ অধ্যক্ষ জাহাঙ্গীর আলম কেউ পাস না করার বিষয়টি জানিয়ে এ নিয়ে প্রতিবেদন না করার অনুরোধ করেন।