Published : 22 Jul 2026, 10:04 PM
গোপালগঞ্জের একটি আদালতে বিচার চলার সময় বিচারকের ছোড়া একটি কাচের পেপার ওয়েটের আঘাতে এক শিক্ষানবীশ নারী আইনজীবী আহত হয়েছেন।
এ ঘটনার পর তাকে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বুধবার গোপালগঞ্জের মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন আহত আইনজীবী ও কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী।
আহত আইনজীবী সাবিহা সুলতানা বলেন, “আমি এজলাসে বসে মামলার নথি দেখছিলাম। হঠাৎ একটি পেপার ওয়েট আমার মাথায় এসে লাগে। পরে জানতে পারি, বিচারক মো. সুজন মিয়া সেটি ছুড়ে মেরেছেন। কেন ছুড়েছেন বা আমাকে লক্ষ্য করে ছুড়েছেন কিনা, তা আমি জানি না। তার সঙ্গে আমার কোনো বিরোধও নেই।”
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিচার চলার সময় আদালতের পেছনের বেঞ্চে কয়েকজন আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থী কথা বলছিলেন। এতে আদালতের কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটছিল। বিচারক কয়েকবার সবাইকে চুপ থাকতে বলেন। এক পর্যায়ে তিনি একটি কাচের পেপার ওয়েট ছুড়ে দেন। সেটি গিয়ে সাবিহা সুলতানার মাথায় লাগে।
তবে প্রত্যক্ষদর্শীদের কয়েকজন বলেন, পেপার ওয়েটটি নির্দিষ্ট কাউকে লক্ষ্য করে ছোড়া হয়েছিল কিনা, তা তারা নিশ্চিত নন।
জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এম. জুলকদর রহমান ঘটনাটিকে ‘অনাকাঙ্ক্ষিত’ বলে মন্তব্য করেছেন।
জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এম এ আলম সেলিম বলেন, “ঘটনার পর আমরা আইনজীবীরা মিলে মুখ্য বিচারিক হাকিমের কাছে গিয়েছিলাম। তিনি ঘটনাটি তদন্ত এবং ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছেন।”
এ বিষয়ে বিচারক মো. সুজন মিয়ার বক্তব্য জানতে তার মোবাইল ও হোয়াটসঅ্যাপে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ধরেননি।