পাহাড়ে ইউপিডিএফ-জেএসএস গোলাগুলি, নারীর মৃত্যুর খবর
খাগড়াছড়ির দক্ষিণ ধুধুকছড়ার হাতিমারা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে পানছড়ির থানার ওসি মো. জসীম উদ্দিন জানান।
খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলার দুর্গম এলাকায় পাহাড়ের দুটি আঞ্চলিক সংগঠনের মধ্যে গোলাগুলি হয়েছে; এতে এক নারী গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছে বলে জানতে পেরেছে পুলিশ।
সোমবার সকালে উপজেলার দক্ষিণ ধুধুকছড়ার হাতিমারা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে পানছড়ির থানার ওসি মো. জসীম উদ্দিন জানান।
নিহত রূপসী চাকমা (২৬) ওই এলাকার হেমন্ত চাকমার স্ত্রী।
নিহত নারীর মরদেহের একাধিক ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, রূপসী চাকমার স্বজনরা মরদেহ ঘিরে আর্তনাত ও কান্না করছেন। স্বজনদের কেউ কেউ ক্ষোভ প্রকাশ করছেন।
ইউপিডিএফের জেলা সংগঠক অংগ্য মারমা অভিযোগ করে বলেন, “সকালে গ্রামে ঢুকে আমাদের কর্মীদের লক্ষ্য করে সন্তু লারমা নেতৃত্বাধীন জেএসএসের সদস্যরা এলোপাতাড়ি গুলিবর্ষণ করে। এতে স্থানীয় বাসিন্দা রূপসী চাকমা মারা যায়।”
গুলি বাড়ির বেড়া ভেদ করে রূপসী চাকমার পিঠে লাগে। এতে সঙ্গে সঙ্গে তার মৃত্যু হয় বলে জানান অংগ্য মারমা।
খাগড়াছড়িতে জেএসএসের কোনো নেতা প্রকাশ্যে না থাকায় সংঘটনটির কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
পরে এ ব্যাপারে জানতে জেএসএসের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি ও রাঙামাটির সাবেক সংসদ সদস্য উষাতন তালুকদারকে মোবাইলে কল করলে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।
ওসি জসীম উদ্দিন বলেন, “সকালে দুটি আঞ্চলিক সংগঠন প্রসীত খীসার নেতৃত্বাধীন ইউপিডিএফ এবং সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন জনসংহতির মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে বলে শুনেছি।”
তবে এ নিয়ে নিহতের পরিবার, স্বজন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কেউ অভিযোগ করেননি বলে জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।
