Published : 09 Sep 2025, 09:14 PM
ফরিদপুর-৪ আসন থেকে দুটি ইউনিয়ন কেটে নেওয়ার প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন জনতা। এতে দিনভর ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে যাত্রীদের।
মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে টানা সন্ধ্যা পর্যন্ত ঢাকা-খুলনা এবং ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের ভাঙ্গা গোলচত্বরের আশপাশে নয়টি স্থানে টায়ার জ্বালিয়ে ও গাছ ফেলে অবরোধ করেন বিক্ষুব্ধ জনতা। এ আন্দোলনে নারীদেরকেও অংশ নিতে দেখা যায়।
এতে এ দুটি মহাসড়ক ধরে চলাচলকারী ২১ জেলার যানবাহন বন্ধ হয়ে যায়। প্রায় ২৫ কিলোমিটার মহাসড়কে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।
সন্ধ্যায় অবরোধ সরানোর পর নেতারা ঘোষণা করেন, বুধবার সকাল ৮টা থেকে পুনরায় তারা অবরোধ শুরু করবেন।
৪ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশন থেকে সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্বিন্যাসের চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করা হয়। এতে ফরিদপুর-৪ আসনের ভাঙ্গা উপজেলার আলগী ও হামিরদী ইউনিয়নকে কেটে ফরিদপুর-২ আসনে (সালথা-নগরকান্দা) অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এরপর থেকেই বিক্ষোভ শুরু করেন ভাঙ্গা উপজেলার রাজনৈতিক দলের নেতারা।
দুপুরে মহাসড়কে গিয়ে দেখা যায়, হাজারো জনতা ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের হামিরদী ইউনিয়নের পুকুরিয়া, মাধবপুর বাসস্ট্যান্ড এবং ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের মুনসুরাবাদ বাসস্ট্যান্ড ও আলগী ইউনিয়নের সুয়াদী এলাকায় অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করছেন।

এ সময় তারা ‘ভাঙ্গার এক ইঞ্চি মাটিও, নগরকান্দায় যাবে না’, ‘রক্ত লাগলে রক্ত নে, ভাঙ্গাবাসীকে মুক্তি দে’- ইত্যাদি স্লোগান দেন তারা।
আলগী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. সিদ্দিক মিঞা বলেন, “আমাদের দুটি ইউনিয়ন কেটে নেওয়ার আগে অবগত করা দরকার ছিলো। ভাঙ্গা উপজেলার দুটি ইউনিয়ন পুনরায় ফরিদপুর-৪ আসনে যুক্ত না হওয়া পর্যন্ত আমাদের এই শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চলবে।”
একই দাবিতে শুক্রবার সকালে এবং সন্ধ্যায় দুই দফায় নয় ঘণ্টা ভাঙ্গা উপজেলা দিয়ে যাওয়া ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের মনসুরাবাদ এবং ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের হামিরদী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সড়ক অবরোধ ও টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ করা হয়েছিল।