Published : 09 Jun 2026, 01:07 AM
আবারও মাঠের বাইরের বিতর্কিত ঘটনায় আলোচনায় ইংল্যান্ডের ক্রিকেটাররা। নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে লর্ডস টেস্টের পর অধিনায়ক বেন স্টোকস ও পেসার গাস অ্যাটকিনসনকে নিয়ে নাইটক্লাবের একটি ঘটনা তদন্ত করছে ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি)।
ইসিবির এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, রোববার সিরিজের প্রথম টেস্টে ইংল্যান্ডের জয়ের পর সোমবার ভোরে ‘দলের প্রোটোকল লঙ্ঘনে’ জড়িত ছিলেন এই দুজন।
“সোমবার ভোররাতে বেন স্টোকস ও গাস অ্যাটকিনসন একটি নাইটক্লাবে উপস্থিত ছিলেন, যেখানে একটি ঘটনা ঘটে। বর্তমানে এই বিষয়ে আমরা আরও তথ্য জানার চেষ্টা করছি এবং দ্বিতীয় টেস্টের দল ঘোষণা যথাসময়ে করা হবে। ক্রিকেট রেগুলেটরকে (ইসিবির স্বাধীন সংস্থা) বিষয়টি জানানো হয়েছে এবং যথাসম্ভব আমরা আরও তথ্য জানাব।”
গত অ্যাশেজ সফরে মদ্যপানের সংস্কৃতির অভিযোগ ওঠার পর ইংল্যান্ড দলের সবশেষ বিতর্কিত ঘটনা এটি।
অ্যাশেজের আগে গত বছরের শেষ দিকে নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে ম্যাচের আগের দিন ওয়েলিংটনের এক নাইটক্লাবের বাউন্সারের হাতে ঘুষি খেয়েছিলেন সাদা বলের অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক।
পরে ইংল্যান্ড দলে ‘মিডনাইট কারফিউ’ চালু করা হয়।
অস্ট্রেলিয়ায় ৪-১ ব্যবধানে হারা সিরিজের সময় মাঠের বাইরের আচরণের জন্য ব্যাপক সমালোচিত হয়েছিল ইংল্যান্ড, বিশেষ করে সিরিজের মাঝপথে উপকূলীয় শহর নুসায় মদ্যপানে ভরা ছুটি কাটানোর জন্য।
নুসায় ভ্রমণের পর বেন ডাকেটের একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করা হয়, যেখানে এই ওপেনারকে মাতাল অবস্থায় দেখা যায়।
ইংল্যান্ডের ক্রিকেট পরিচালক রব কি নুসার ঘটনা তদন্ত করেন, কিন্তু দলে মদ্যপানের সংস্কৃতি থাকার কথা অস্বীকার করেন তিনি।
গত অক্টোবরে ব্রুককে নিয়ে ঘটা ঘটনাও প্রকাশ পায় মূলত জানুয়ারিতে অ্যাশেজ সিরিজ শেষের পর। ব্রুক প্রথমে দাবি করেছিলেন, তিনি ওয়েলিংটনের নাইটক্লাবে একা ছিলেন। পরে জানা যায়, জ্যাকব বেথেল ও জশ টংও তার সঙ্গে ছিলেন।
ওই ঘটনায় যদিও বড় কোনো শাস্তি পেতে হয়নি তাদের।
স্টোকসের নিজের ক্যারিয়ারও শৃঙ্খলাজনিত সমস্যায় জর্জরিত। যার মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ২০১৭ সালে ব্রিস্টলে ওয়ানডে ম্যাচের পর গভীর রাতে রাস্তায় মারামারিতে জড়িয়ে পড়া। মারামারির অভিযোগ থেকে মুক্তি পেলেও, খেলার সুনাম ক্ষুণ্ণ করার দায়ে শাস্তি পেতে হয়েছিল তাকে।
ওভালে আগামী ১৭ জানুয়ারি শুরু হবে দ্বিতীয় টেস্ট। স্টোকস ও অ্যাটকিনসন এই ম্যাচে নাও খেলতে পারেন। লর্ডসে শেষ ইনিংসে পাঁচ উইকেট নিয়ে দলের জয়ে বড় অবদান রাখেন অ্যাটকিনসন।