Published : 11 Jul 2026, 04:28 PM
দুই দিন পর শেরপুরে পাহাড়ি ঢলের পানি কমতে শুরু করেছে। এ ছাড়া জেলার প্রধান নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। শুধুমাত্র চেল্লাখালি নদীর পানি বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
তবে পানি কমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ভেসে উঠছে বন্যার ক্ষত। এর মধ্যে শেরপুর-নালিতাবাড়ী ভায়া গাজীরখামার সড়কের গোল্লারপাড় এলাকায় প্রায় ১০০ মিটার অংশ ধসে গেছে।
শনিবার বেলা ৩ টায় নালিতাবাড়ী উপজেলার চেল্লাখালি নদীর পানি বিপৎসীমার ১৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।
এ ছাড়া ভোগাই নদীর পানি নাকুগাও পয়েন্টে ২৯৮ সেন্টিমিটার ও নালিতাবাড়ী পয়েন্টে ২১২ সেন্টিমিটার এবং সদরে পুরনো ব্রহ্মপুত্র নদের পানি ৩৯২ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

ঝিনাইগাতী ও সোমেশ্বরী নদীর পানিও বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। এখন ফসলি জমিতে কোনো আবাদ না থাকায় কৃষকদের তেমন কোনও ক্ষতি হয়নি।
তবে নদীগুলোর বাঁধে ভাঙন দেখা দিলে জরুরি মেরামতের জন্য জিও ব্যাগ প্রস্তুত করে রাখার কথা জানিয়েছেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুদীপ্ত চৌধুরী।
বুধ ও বৃহস্পতিবার টানা বর্ষণ ও উজানে ঢলে গাজীরখামার সড়কের গোল্লারপাড় এলাকায় প্রায় ১০০ মিটার অংশ বিধ্বস্ত হয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সড়কটি পরিদর্শন শেষে পানি উন্নয়ন বোর্ড ও এলজিইডিকে দ্রুত মেরামতের নির্দেশ দিয়েছেন জেলা প্রশাসক।
জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, আকস্মিক বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় শুকনো খাবারসহ সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে জেলা প্রশাসন। এ ছাড়া ভাঙা সড়কটি দ্রুত মেরামতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এদির বেলা ৩টা পর্যন্ত শেরপুরে ৭ মিলিমিটার, নালিতাবাড়ীতে ৮ মিলিমিটার এবং নাকুগাঁও পয়েন্টে ১০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।