০৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
মেনংছড়া নদীর মাজরাকুড়ায় এবং বুড়াঘাট নদীর মধ্য বোয়ালমারায় বাঁধ ভেঙে যায়।
সুনামগঞ্জের পৌনে চার লাখ কৃষকের সবাই এবার কমবেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে হাওর আন্দোলনের নেতারা দাবি করেছেন।
সপ্তাহের প্রথম ভাগে পানি বেড়ে নেত্রকোনা জেলার হাওর সংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে, বলা হয়েছে পূর্বাভাসে।
গত কয়েকদিনের বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে হবিগঞ্জে অনেক কৃষকের আধাপাকা বোরো ধান তলিয়ে গেছে।
কুমিল্লার প্রায় ৫০ হাজার মানুষ এ পথ দিয়ে চলাচল করতেন।
মেঘালয়ের ঢল আর নড়বড়ে বাঁধের মাঝে দাঁড়িয়ে কৃষকের হাহাকার জাতীয় সংকটের পূর্বাভাস দিচ্ছে। অথচ প্রকৃতির খামখেয়ালিপনার সঙ্গে প্রশাসনের দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করতে হচ্ছে তাদের।
এ অবস্থা শুধু সুনামগঞ্জ জেলায় নয়, নেত্রকোণার গারো পাহাড়ের নিম্নাঞ্চল ও সমতলেও অনেক জায়গায় জলাবদ্ধতায় জমির ফসল হারিয়েছে কৃষক। হবিগঞ্জ ও কুমিল্লার জেলাতেও হাজার হাজার হেক্টর জমির ফসল তলিয়ে গেছে।
সম্প্রতি পাহাড়ি ঢলে মাটি চাপা পড়ে ওই নারী নিহত হয়েছেন বলে ধারণা করেছে পুলিশ।