২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩
ভারি বর্ষণে অনেক গ্রামীণ সড়ক ও যোগাযোগব্যবস্থা মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
বিলাইছড়ির ইউএনও বলেন, ফারুয়া উচ্চ বিদ্যালয় ও ফারুয়া ইউনিয়ন পরিষদে আশ্রয়কেন্দ্রে খোলা হয়েছে।
টানা বৃষ্টিতে শেরপুর-নালিতাবাড়ী গাজীরখামার সড়কের প্রায় ১০০ মিটার অংশ ধসে গেছে।
অতি বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের পাশাপাশি পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ থাকায় এই পরিস্থিতি হয়েছে, বলেন মৎস্যচাষী রওশনগীর আলম।
বান্দরবান জেলা শহর থেকে রাঙ্গামাটি, রুমা, রোয়াংছড়ি ও থানচি উপজেলার সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।
টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, চন্দনাইশ, বাঁশখালীর অনেক জায়গা প্লাবিত হয়েছে। সবচেয়ে বেশি প্লাবিত হয়েছে সাতকানিয়া উপজেলা।
“বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় নদীর পানি বাড়ছে। আমরা পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রেখেছি।”
সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে পর্যটন জেলা কক্সবাজারে, সেখানে ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।