Published : 11 Jul 2026, 05:19 PM
ঢাকার পল্লবীতে এক কিশোরীকে অচেতন করে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয়েছে।
মামলায় আনোয়ার হোসেন সাইদ নামের এক ব্যক্তিকে কারাগারে পাঠিয়েছেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আলম।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ঘটনাটি ঘটে গেল ৪ জুলাই ভোরে; পল্লবীর ১০ নম্বর সেকশনের জেনিভা ক্যাম্পে।
মামলায় বাদী হয়েছেন ওই কিশোরীর ভাই। এ মামলায় গেল বৃহস্পতিবার ওই কিশোরী মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ফাহমিনা খন্দকার আন্নার আদালতে জবানবন্দি দেন। পরে তাকে তার ভাইয়ের জিম্মায় রাখার আদেশ দেন বিচারক।
২০ জুলাই মামলার প্রতিবেদন জমান দেওয়ার দিন ধার্য রয়েছে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার এসআই আনোয়ার হোসেন বলেন,"আসামিকে প্রয়োজনে রিমান্ডে নেওয়া হবে। ওই কিশোরী আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। কিছু রিপোর্ট পেলে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেব।"
মামলায় অভিযোগ করা হয়, সাইদ ভুক্তভোগী পরিবারের প্রতিবেশী। সাইদ নানা সময় কিশোরীকে উত্যক্ত করত।
বাদীর ভাষ্য, গত ৪ জুলাই রাত ২টা ৪০ মিনিটের দিকে বাথরুম থেকে ঘরে ফেরার পথে ওই কিশোরীকে মুখ চেপে ধরে নিজের ঘরে নিয়ে নিয়ে যায় সাইদ। সেখানে কিশোরীকে মারধর করে মুখে বালিশ চাপা দিলে সে অজ্ঞান হয়ে পড়ে। পরে আসামি তাকে ধর্ষণ করে। একপর্যায়ে তাকে পাশের বাসার ইয়াসমিনের কলপাড়ে ফেলে রেখে চলে যায়।
“ইয়াসমিন অজু করার জন্য কলপাড়ে এসে ওই কিশোরীকে বিবস্ত্র অবস্থায় দেখতে পান। তিনি চিৎকার শুরু করেন। তার চিৎকারে আশপাশের লোকজনসহ কিশোরীর পরিবারের লোকজন এগিয়ে আসে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।”
ওই কিশোরীর ভাই জানান, সাইদ একজন গাড়ির চালক। সাইদের চার মেয়ে রয়েছে। ১৫ দিন আগে স্ত্রীকে মারধর করে বাবার বাড়ি পাঠিয়ে দিয়েছেন।
ওই কিশোরীর ভাই বলেন,"আমরা তিন ভাই ও তিন বোন। বড় দুই বোনের বিয়ে হয়ে গেছে। ৯ বছর আগে এক ভাই রাগ করে বেরিয়ে গেছে। আর ফিরে আসেনি। আম্মা এক বছর আগে মারা গেছে। এক ভাই, অসুস্থ বাবা আমি আর ছোট বোনটা একসঙ্গ থাকি।"
তিনি বলেন,"গত ৪ জুলাই রাতে আর্জেন্টিনার খেলা ছিল। আমি বাইরে খেলা দেখতে গিয়েছিলাম। বাবা আর ভাই ঘুমিয়ে ছিল। রাত ২ টা ৪০ মিনিটের দিকে বাবুটা (ছোট বোন) ওয়াসরুমে যায়।”