এনসিপি থেকে সামান্তা শারমিনের পদত্যাগ
নতুন রাজনৈতিক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশের পৌনে দুই বছর পর কেন্দ্রীয় কমিটিতে তার দায়িত্ব পুর্নবণ্টন করা হয়।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় থেকে আলোচনায় আসা জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন দল থেকে পদত্যাগ করেছেন।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে ফেইসবুক পোস্টে তিনি পদত্যাগের ঘোষণা দেন।
এরপর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে তিনি বলেন, ‘‘আমি মাত্রই পদত্যাগ করেছি। ফেইসবুকে লিখেছি বিস্তারিত।’’
ফেইসবুক পোস্টে তিনি লিখেন, “গত ১১ মাস যাবৎ আমার রাজনৈতিক বোঝাপড়া অনুযায়ী এনসিপির অতীত কর্মকাণ্ড বিশ্লেষণ ও ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা নিয়ে যখনই সুযোগ পেয়েছি তখনই দলের বিভিন্ন পর্যায়ে লিখিত অভিযোগ ও প্রস্তাব প্রদান এবং তর্ক- বিতর্ক বা আলাপ- আলোচনা করেছি। যেহেতু সংগঠনে নানান চড়াই উৎরাই থাকে, সেখানে দল যদি ভুল পথে যায় সেই পথ থেকে দলকে রক্ষা করার চেষ্টা করা আমার রাজনৈতিক কর্তব্য ছিল।
‘‘সেই কর্তব্য পালন করতে এনসিপির অভ্যন্তরে মতাদর্শিক সংগ্রামকেই বেছে নিয়েছিলাম। কারণ দলের গৃহীত নীতিসমূহকে স্বীকৃত ফোরামগুলোতে যুক্তিসঙ্গত উপায়ে চ্যালেঞ্জ করা ব্যতীত দলকে ভুল পথ থেকে ফিরিয়ে আনার ভিন্ন কোনো গণতান্ত্রিক পন্থা ছিল না। আজ প্রায় এক বছরের এই সংগ্রামের ইতি ঘোষণা করলাম কারণ এনসিপির পক্ষে তার দলের প্রারম্ভের মূল্যবোধের প্রতি আর আন্তরিক হওয়া সম্ভব বলে মনে করি না।’’
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সামনের সারির নেতাদের নিয়ে গঠিত এনসিপির প্রথম কেন্দ্রীয় কমিটিতে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন সামান্তা শারমিন। নতুন রাজনৈতিক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশের একদিন পর ২০২৫ সালের ২ মার্চ ২১৭ সদস্যের ওই কমিটি ঘোষণা করা হয়েছিল।
প্রতিষ্ঠার পৌনে দুই বছর পর গত ২৩ অক্টোবর ওই কমিটি পুনর্গঠন করা হয়, যাতে সামান্তা শারমিনকে যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়।
