Published : 30 Nov 2025, 11:38 PM
বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পর দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার চেয়ে আর কোনো মহৎ নেতা আসেনি বলে মন্তব্য করেছেন লেখক ও কলামিস্ট ফরহাদ মজহার।
তার দৃষ্টিতে, খালেদা জিয়া জুলাই গণঅভ্যুত্থানের নেতা।
“গণঅভ্যুত্থানের পর পরই তরুণরা প্রথম কিন্তু, তাকে মুক্ত করে এনেছে। তো, বিএনপি তো বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করে নাই। বেগম খালেদা জিয়া তো বিএনপির নেতা নয় এখন। বেগম খালেদা জিয়া গণঅভ্যুত্থানের নেতা।”
বিএনপির সঙ্গে এখন যে দলটির দ্বৈরথ চলছে সেই জামায়াতে ইসলামীর সংকটের দিকে আঙুল তুলে ফরহাদ মজহার বলেন, দলটিকে নাম বদলাতে হবে।
জামায়াতের জাতিবাদের রাজনীতির সুযোগে বাঙালি জাতিবাদী আওয়ামী লীগের ফিরে আসার বিপদও দেখছেন তিনি।
“তারা নাম বদলাতে চাইছে না। নাম না বদলানোর বিপদটা বলি কি, বিপদটা হচ্ছে আবারও ওই ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ ফিরে আসবে। যদি আপনি এই ধরনের ইসলামী জাতিবাদটা আপনি রাখেন, তাহলে বাঙালি জাতিবাদও আসবে।”
রাষ্ট্র সংস্কার, জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটের উদ্যোগের মধ্যে বাউলদের ওপর হামলা, গ্রেপ্তার, মাজার ভাঙা, কবর থেকে তুলে লাশ পোড়ানো, ‘মব’ সহিংসতার এ সময়ে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের আলোচনা অনুষ্ঠান ইনসাইড আউটে এসেছিলেন জুলাই অভ্যুত্থানে তরুণদের পক্ষে অবস্থান নিয়ে আলোচিত চিন্তক ফরহাদ মজহার।
পাল্টে যাওয়া বাংলাদেশে বিএনপি ও জামায়াতের রাজনীতির একটি দিক তুলে ধরার পাশাপাশি তিনি আওয়ামী লীগ সরকারকে থেকে উৎখাত করা ছাত্রনেতাদের রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপিকে নিয়েও তার বিশ্লেষণ তুলে ধরেছেন।
তিনি মনে করেন, এনসিপির নির্বাচনের পথে যাওয়া আত্মঘাতী পদক্ষেপ।
গত বছরের ৫ অগাস্ট ছাত্র-গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগের দেড় দশকের শাসনের অবসান ঘটে। ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পালিয়ে ভারতে চলে যান।
তিন দিন পর মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে যে অন্তর্বর্তী সরকার দেশের হাল ধরেছিল তাতে যোগ দিয়ে অভ্যুত্থানের নেতারা সাংবিধানিক প্রতিবিপ্লবে অংশ নিয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন কলামিস্ট ফরহাদ মজহার।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের ফেইসবুক পেইজ ও ইউটিউবে অনুষ্ঠানটি সম্প্রচার করা হয়।

‘খালেদা জিয়াকে মুক্ত করেছে তরুণরা’
দীর্ঘদিন ক্ষমতার বাইরে থাকা বিএনপি বিগত সরকারের বিরুদ্ধে দমন-পীড়নের মধ্যেও লাগাতার আন্দোলন চালিয়ে গেছে, যার এক পর্যায়ে দুটি দুর্নীতি মামলায় সাজা পেয়ে ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে কারাগারে যান বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।
২০২০ সালের মার্চে কোভিড মহামারীর সময় তাকে সাময়িক মুক্তি দেওয়া হলেও চিকিৎসার জন্য বিদেশে যেতে দেয়নি সরকার।
গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দণ্ড মওকুপ করে খালেদা জিয়াকে পুরোপুরি মুক্তি দেওয়া হয়।
লেখক ফরহাদ মজহার বলছেন, খালেদা জিয়ার প্রতি তাদের যে ভালোবাসা, তাদের যে মমতা সে তো তিনি প্রমাণ করেছেন।
“গণঅভ্যুত্থানের পর পরই তরুণরা প্রথম কিন্তু তাকে মুক্ত করে এনেছে। তো, বিএনপি তো বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করে নাই। বেগম খালেদা জিয়া তো বিএনপির নেতা নয় এখন। বেগম খালেদা জিয়া গণঅভ্যুত্থানের নেতা। এটাকে তারা, বিএনপির নেতা তো আমি মানি না।”
৭৯ বছরের খালেদা জিয়ার অসুস্থ অব্স্থায় ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। তাকে হাসপাতালে দেখতে ছুটে গেছেন বিভিন্ন দলের নেতারা। বিভিন্ন দল ও সংগঠন উপদেষ্টা পরিষদ, তার সুস্থতা চেয়েছে দোয়া ও মোনাজাত করেছে।
ফরহাদ মজহার বলছেন, “আজকে সে ভালোবাসা, তো উনি যেটা পেয়েছেন, তার যে নিরাপোষ, তার যে অবস্থান, এর জন্য তিনি আজকে সমস্ত মানুষ কানতেছে তার জন্য, তার শারীরিক অবস্থার জন্য।
“আমাকে দেখার পরে, তিনি আমাকে দুশমনি করে বলতেছেন যে, ম্যাডাম...আমাকে বলতেছেন যে, মজহার সাহেব আপনি...এই তো নতুন বেশ, আপনাকে তো আমি, দাড়ি দেখি নাই আগে। আমি বলছি, ‘ম্যাডাম আপনাকে বাঁচাবার জন্য কত কিছু করতে হয়েছে আমাকে!’ ঠিক আছে? এ দিয়ে আমি, চোখ দিয়ে পানি বেরিয়ে গেছে।”
খালেদা জিয়া অনেক কিছু করতে পারেননি মন্তব্য করেন তিনি বলেন, “আমাদের অনেক পরামর্শ তিনি শুনতে পারেন নাই। কিন্তু আজকে বাংলাদেশের নিরাপত্তার প্রশ্নে, বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থের প্রশ্নে তার চেয়ে মহৎ কোনো নেতা জিয়াউর রহমানের পরে তো আসে নাই। শেখ মুজিবের অবদানও আমি স্বীকার করি, সেটা ভিন্ন প্রশ্ন। কিন্তু তার যে মহৎ অবদানটা ছিল, এটা তো অস্বীকার করার কোনো জো নাই।”
এই কলামিস্টের মতে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ভুল করেছেন।
“হ্যাঁ বহু ভুল হয়েছে। কি কি ভুল হয়েছে বলি, নাহলে লোকে আমাকে ভুল বুঝবে। তিনি র্যাব করে ভুল করেছেন। এবং তিনি এখন স্বীকার করবেন। র্যাব যেদিন তিনি করেন, তার পরদিনই কিন্তু আমি লিখে বলেছি যে খালেদা জিয়া এটা মারাত্মক ভুল করেছেন। এই র্যাবই তাকে ধ্বংস করবে। র্যাবই তাকে... ঠিক র্যাবই তাকে ধ্বংস করেছে।
“তাহলে তিনি যে ভুলটা করেছেন, সেই ভুলও ধরাতে হবে। কিন্তু একইসঙ্গে তার মহত্ত্ব তো আপনার স্বীকার করতে হবে। তার মুখে কোনো কটুবাক্য ছিল না। কাউকে তিনি ছোট করে তিনি কথা বলতেন না। প্রত্যেকের মত শুনতেন।”
এই বিএনপি খালেদা জিয়ার বিএনপি নয় মন্তব্য করেন ফরহাদ মজহার বলেন, “আমি তরুণদেরকে বলব, আপনারা খালেদা জিয়ার...তার যে পথচিহ্ন তিনি রেখে গেছেন, এর ভিত্তিতে একটা শক্তিশালী বিএনপি গড়ে তোলা আপনাদের সম্ভব। এটা যদি, আমরা যদি সুযোগ পাই, অবশ্যই করা সম্ভব।”
এর জন্য প্রথমত বিএনপিকে যে কাজ করতে হবে বলে মনে করেন তিনি তাও তুলে ধরেছেন ফরহাদ মজহার।
“নিজেদের নির্বাচন করতে হবে। যে আপনারা কেন পদ দখল করে রেখেছেন? আপনারা তো সেই লুটেরা মাফিয়া শ্রেণি, যে আপনি জিয়াউর রহমানের যে দলটাকে আপনি আটকে রেখেছেন। কেন?
“আপনাদেরকে এই তরুণ যারা বিএনপির কর্মীরা আছে, এরা কি মানে কি মানে না? এটা নির্বাচন দিন। আপনারা নিজের নির্বাচন দেবেন না, কিন্তু আপনারা নির্বাচন চাইছেন জাতীয় নির্বাচন। কেন? তাহলে এই যে স্ববিরোধিতাগুলো, এটা তো আমাদেরকে তুলতে হবে, বলতে হবে, মীমাংসা করতে হবে।”
‘জামায়াতের সংকট মওদুদীবাদ’
ফরহাদ মজহার জোর দিয়েই বলেছেন, জামায়াতকে তাদের নাম পরিবর্তন করতে হবে।
“এখন যে উগ্র তাদেরকে দেখলাম এবং সেই উগ্রতার পক্ষে, মানিকগঞ্জে যে ঘটনা—এটা আমার কাছে যেসব তথ্য, সে তথ্য হচ্ছে, সেখানে জামায়াতে ইসলামী, এটা সত্য কি মিথ্যা, এটা আপনারা সাংবাদিক ভালো বলতে পারবেন। তারা বলছেন যে সেখানে জামায়াতে ইসলামী ভূমিকা রাখছে।”
হেফাজত ও উগ্রপন্থি লোকজনকে সামনে নিয়ে আসার ক্ষেত্রে জামায়াতের ভূমিকা তুলে ধরে এই চিন্তক বলেন, “এখন জামায়াতে ইসলামী তো আজকে বাউলদের পক্ষে বা বিপক্ষে কোনো কথা বলে নাই। কেন? তারা ভোট চান। এটা বললে, তাদের ভোট কমবে। তাদের ভোট তো এখনই কমবে। কারণ এই যদি ইসলাম হয়, যাদেরকে আমি দেখতেছি, তারা আপনি মনে করেন, সাধারণ নিরীহ মানুষ এই তাদের পক্ষে ভোট দিবে? দেশকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাব আমরা? এটা তো সব তছনছ করে দিবে।”
জামায়াত নাম বদলাতে চাইছে না এবং এটাকে তাদের প্রথম সংকট বলে মনে করেন ফরহাদ মজহার।
“তারা নাম বদলাতে চাইছে না। নাম না বদলানোর বিপদটা বলি কি। বিপদটা হচ্ছে আবারও ওই ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ ফিরে আসবে। যদি আপনি এই ধরনের ইসলামী জাতিবাদটা আপনি রাখেন, তাহলে বাঙালি জাতিবাদও আসবে। একটা একটার তো অপর পৃষ্ঠা। ঠিক আছে? ফলে জামায়াত মূলত তার নাম না বদলানোর দ্বারা আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন করছে, ‘ইডিওলজিক্যাল’, মতাদর্শিক।”
জামায়াত মওদুদীবাদের ওপর প্রতিষ্ঠিত মন্তব্য করে সেটিকে দলটির দ্বিতীয় সংকট হিসেবে বিশ্লেষণ দিয়েছেন ফরহাদ মজহার।
“ইসলামের যখন জাতিবাদের যে ধারাটা ছিল বিশ্বব্যাপী, উপনিবেশবিরোধী, সে উপনিবেশবিরোধী জাতিবাদের সময় মওদুদীর ইতিবাচক ভূমিকা আছে। কারণ তিনি একটা ইসলামী জাতিবাদের মধ্য দিয়ে একটা সাম্রাজ্যবাদকে তিনি মোকাবেলা করতে গেছেন। কিন্তু মওদুদীবাদের সঙ্গে তো ইসলামের মূল শিক্ষার অনেক স্ববিরোধিতা আছে। কোরআনের শিক্ষার অনেক স্ববিরোধিতা আছে। কারণ কোরআন তো জাতিবাদী না।”
লেখক ফরহাদ মজহারের মতে, ইসলাম অত্যন্ত শক্তিশালীভাবে শক্তিশালীভাবে বৈচিত্র্যের পক্ষপাতী।
“সে বৈচিত্র্য বাদ দিয়ে তারা (ইসলামন্থিরা) যখন বলে যে মুসলমানদেরই রাষ্ট্র হতে হবে, ইসলামী রাষ্ট্র—তার মানে আপনি বৈচিত্র্যের নিরাকরণ চাইছেন। বৈচিত্র্যের নিরাকরণ তো ইসলাম নয়। ইসলামবিরোধী তত্ত্ব। তাহলে জামায়াতকে তো এই তত্ত্বকে মোকাবেলা করতে হবে।”
‘নির্বাচনে যাওয়া এনসিপির আত্মঘাতী পদক্ষেপ’
গণঅভ্যুত্থানের গর্ভে জন্ম নেওয়া রাজনৈতিক দল এনসিপির কর্মকাণ্ডকেও সুনজরে দেখছেন না নতুন গঠনতন্ত্র প্রণয়নের দাবিতে অটল ফরহাদ মজহার।
২০২৩ সালের মার্চে তার নেতৃত্বে ‘ন্যাশনাল কমিটি ফর সিভিল রাইটস জাতীয় ইনসাফ কায়েম কমিটি নামে একটি নাগরিক অধিকার বিষয়ক সংগঠন মাঠে আসে। এই কমিটি একটি অন্তর্বর্তীকালীন জাতীয় সরকার গঠন করে সেই সরকারকে নতুন সংবিধান প্রণয়ন এবং তার অধীনে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবি তোলে।
গণঅভ্যুত্থানের পর ‘ন্যায় ও দরদের’ রাজনীতির নতুন বন্দোবস্ত প্রতিষ্ঠাকে লক্ষ্য ধরে আত্মপ্রকাশ করে অভ্যুত্থানের সামনের সারির নেতাদের রাজনৈতিক দল এনসিপি।
এই দলটি ঠিক পথে আছে কি না, সেই প্রশ্নে ফরহাদ মজহার বলেছেন, “আমি প্রথম দিন থেকে বলেছি, তারা নির্বাচনি পথে যাওয়াটা তাদের জন্য ছিল আত্মঘাতী। আপনি, তরুণদের অবদান ইতিহাস সবসময় স্বীকার করবে। তাদের নেতৃত্বে একটা গণঅভ্যুত্থান হয়েছে ৫ আগস্টে, ৮ আগস্টে একটা সাংবিধানিক প্রতিবিপ্লব হয়েছে। সে সাংবিধানিক প্রতিবিপ্লবে তারা অংশগ্রহণ করেছে। কারণ তারা সরকার গেছে।
“তারা যদি তখনই বলতো আমরা এই সরকারে যাব না, নতুন গঠনতন্ত্রের দাবি আমরা করেছি, ফলে আমরা নতুন গঠনতন্ত্রের দাবিতে, আমরা অটল থাকব—তাহলে আজকে বাংলাদেশে আরেকটা বিপ্লব হয়ে যেত ইতিমধ্যে। ফলে এনসিপিকে তো এটা ব্যাখ্যা করতে হবে যে কেন তারা এই ধরনের একটা সরকার, একটা সাংবিধানিক প্রতিবিপ্লবে, তারা কেন অংশগ্রহণ করেছে।”
তার মতে, পরবর্তীতে এনসিপির নীতিগত কোনো শক্ত বক্তব্য নেই, স্পষ্ট বক্তব্য নেই।
“এখন তারা আবার নির্বাচনে যাচ্ছে। তার মানে, তারা সাংবিধানিক প্রতিবিপ্লব করে ক্ষান্ত হচ্ছে না, তারা একইসঙ্গে সাংবিধানিক প্রতিবিপ্লবকে তারা কি করতেছে? বৈধতা দিচ্ছে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে। তো এটা কি ঠিক? আমি তাদেরকে প্রশ্ন করি, নেতাদেরকে বলব, এটা কি ঠিক? এটা কি সঠিক?”
ইতিহাস ছেড়ে কথা বলবে না মন্তব্য করে তিনি বলেন, “ফরহাদ মজহারের কাছে জবাবদিহি করলেন না, আমি একটা ক্ষুদ্র মানুষ। কিন্তু ইতিহাস কি ছেড়ে দেবে আপনাদের? ছেড়ে কথা বলবে?
“আপনারা এত বড় অবদান রেখেছেন, আপনারা এত সাহস... এতগুলা লোক মারা গেল, প্রাণ দিল, এতগুলা ছেলে পঙ্গু হয়ে বসে রইল—আপনারা কিচ্ছু করতে পারলেন না? কোনো সংস্কার নেই? তার মানে নির্বাচন দিয়ে চলে যাবেন? কার হাতে নির্বাচন?”
এনসিপি নির্বাচনে ভোট পাবে না বলে তার ধারণাও তুলে ধরেন ফরহাদ মজহার।
তার ব্যাখ্যায় তিনি বলেন, “জনগণ তো আপনাকে যেই দায়িত্ব দিয়েছে নতুন রাষ্ট্র গঠনের, সেই দায়িত্ব তো আপনি পালন করেন নাই। আপনি তো জনগণের সঙ্গে বেঈমানি করেছেন।”
এনসিপির রাজনীতি বিষয়ে নিজের মূল্যায়ন তুলে ধরে এই চিন্তক বলেন, নতুন রাষ্ট্র গঠনের রাজনীতি বাদ দিয়ে এনসিপি বিদ্যমান রাষ্ট্র ব্যবস্থায়, শেখ হাসিনার ‘ফ্যাসিস্ট’ রাষ্ট্র ব্যবস্থার একজন এমপি হওয়ার জন্য রাজনীতি করতে নেমেছে।
“তাহলে এটা কি জনগণ বোঝে না? এটা তো ঠিক না।”