Published : 10 Dec 2025, 01:06 AM
দুই বছর পর আরেকটি সংসদ নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণার দারপ্রান্তে নির্বাচন কমিশন। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের সেই তফসিল প্রায় চূড়ান্তের কাজও শেষ করেছে সংস্থাটি।
ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ শাসনামলের ভোটের দুর্নাম ঘোচানো আর রাষ্ট্র সংস্কার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে একই দিনে গণভোট করার চ্যালেঞ্জ থাকছে এএমএম নাসির উদ্দিন কমিশনের সামনে; যা নিতে প্রস্তুত থাকার কথা বলে আসছে কমিশনও।
গণ অভ্যুত্থানে সরকার বদলের পর দায়িত্বে আসা প্রায় এক বছর বয়সি ইসি তাদের প্রথম ভোট আয়োজনের সূচি বুধবার সন্ধ্যা কিংবা পরদিন বৃহস্পতিবার ঘোষণা করতে যাচ্ছে। এ জন্য ইসি সচিবালয় প্রয়োজনীয় সব কাজ গুছিয়ে এনেছে, বলছেন সংশ্লিষ্টরা।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) নাসির উদ্দিন টেলিভিশন ও বেতারে ভাষণের মাধ্যমে এ তফসিল জানাবেন।
মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতির সার্বিক অগ্রগতি তুলে ধরে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আমাদের তফসিল ঘোষণার অপেক্ষা মাত্র।“
ভোট আয়োজন নিয়ে মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের সামনে নানা দাবি তুলে ধরার পাশাপাশি দলগুলো ‘সবার জন্য সমান সুযোগ’ চেয়ে আসছে। তফসিলের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক প্রচারের সবুজ সংকেতের আগেই প্রার্থীরা নিজ এলাকায় প্রচারে সরব হয়েছেন। ভোটের আবহ তৈরি হয়েছে, কোথাও কোথাও নিজেদের মধ্যে কিংবা অন্য দলের সঙ্গে ঝুট ঝামেলা বেঁধে যাওয়ার খবরও আসছে। এরমধ্যেই এই ইসি তার প্রথম নির্বাচনি আয়োজনের প্রস্তুতির কাজ এগিয়ে নিচ্ছে।

নির্বাচনের দিকে চোখ রাখা বিশ্লেষকরা বলছেন, নির্বাচনের পরিবেশ অনুকূল থাকলে ইসির কাজের অনেক চ্যালেঞ্জই সহজ হয়ে যাবে।
তাদেরই একজন জেসমিন টুলী মনে করছেন, দলগুলো ও প্রার্থীরা আচরণবিধি অনুসরণ না করলে ইসির চ্যালেঞ্জ বাড়বে। তফসিলের পর পরিস্থিতি কোনো দিকে মোড় নেয় সেটাই দেখার বিষয়।
কখন সেই ঘোষণা?
সিইসির ভাষণ রেকর্ডের জন্য বুধবার টিভি ও বেতারকে ডেকে পাঠানোর খবর আগের দিন সোমবারই জানানো হয়েছে।
এদিন দুপুরে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে সিইসির সৌজন্য সাক্ষাতের পর বিকালে ভাষণ রেকর্ডের প্রস্তুতি রয়েছে।
ইতোমধ্যে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠকে সার্বিক অগ্রগতি তুলে ধরেছে ইসি। মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন সিইসি। এর আগে নিজেদের মধ্যে সভা করে কমিশন তফসিল বিষয়ক সিদ্ধান্তগুলো এগিয়ে রেখেছে।
ইসি কর্মকর্তারা বলছেন, রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করে আসার পর বুধবার সন্ধ্যাতেই তা ঘোষণা করতে পারেন সিইসি। পরদিন দিনের যেকোনো ভাগেও তা হতে পারে।
আর ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ভোট হবে তা আগেই জানা গেছে; সঙ্গে যোগ হয়েছে গণভোট। এতে প্রথমবারের মত সংসদ নির্বাচন ও গণভোট এক সঙ্গে হতে যাচ্ছে, যা ইসির জন্য হবে নতুন অভিজ্ঞতা। এর সঙ্গে পোস্টাল ভোটিং যুক্ত হয়েছে এবং গণভোটও দিতে পারবেন নিবন্ধিত প্রবাসী বাংলাদেশিরা।
তফসিল থেকে ভোটের ব্যবধান কত দিনের?
বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী এবং অভ্যুত্থানের নেতাদের নিয়ে গঠিত জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) অর্ধশতাধিক দল ভোটে অংশ নিতে পারছে এবার। তবে জাতীয় পার্টির ভোটে অংশ নেওয়ার বিষয়টি এখনও ধোঁয়াশার মধ্যে রয়েছে। অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো বাধা না থাকলেও দলটি অংশ নেবে কিনা পরিবেশ-পরিস্থিতির পর্যালোচনার মধ্যে সিদ্ধান্ত নেবে।
অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত হওয়া আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত থাকায় ভোটের বাইরে থাকতে হচ্ছে। এর আগে ১৯৮৮ সালের ৩ মার্চ চতুর্থ সংসদ নির্বাচন এবং ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির ষষ্ঠ সংসদ নির্বাচন বর্জন করেছিল দলটি।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল থেকে ভোটের দিন পর্যন্ত প্রায় দুই মাস বা ৬০ দিন ব্যবধান রাখা হবে বলে ইতোমধ্যে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
সেক্ষেত্রে মনোনয়নপত্র জমার শেষ দিন, বাছাই, প্রত্যাহারের শেষ সময় আগের চেয়ে তুলনামুলক বাড়ানো হতে পারে।
একই দিন সংসদ ও গণভোট হওয়ায় এবার ভোটগ্রহণের সময় এক ঘণ্টা বাড়িয়ে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত রাখা হবে।
মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, মনোনয়নপত্র জমা, বাছাই, প্রত্যাহারের জন্য পর্যাপ্ত সময় থাকবে।
কী চায় দলগুলো?
তফসিল ঘোষণার আগে সপ্তাহ খানেকের মধ্যে সিইসির সঙ্গে আলাদা আলাদা বৈঠক করেছে বিএনপি, এনসিপি ও জামায়াত। সব দলই যথাসময়ে তফসিল ও ভোটের পক্ষে মত দিয়েছে। তবে বিদ্যমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও সবার জন্য সমান সুযোগ নিয়ে জামায়াত ও এনসিপি অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে।
দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অসুস্থতার মধ্যে ভোটের তফসিল নিয়ে বিএনপিও নিজেদের অবস্থানও তুলে ধরেছে।
সিইসির সঙ্গে বৈঠকের পর দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, “আমরা নির্বাচনি প্রক্রিয়ায় আছি। খোদা না করুন, অনিবার্য কোনো পরিস্থিতি ছাড়া আমরা এই প্রক্রিয়ার বাইরে যেতে চাই না।

“তফসিল ঘোষণা করার কথা, এটা যদি বিলম্বিত করার কথা বলি, তাহলে তো নির্বাচন বিলম্বিত করার কথা বলা হবে। আমাদের দলের পক্ষ থেকে এখনো ওভাবে বলার মতো কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি।”
তবে খালেদা জিয়ার অসুস্থতার কথা বিবেচনা নিয়ে তফসিল ঘোষণা করার কথা বলেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
ইসির প্রস্তুতি
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতের পর সিইসির তফসিল ঘোষণার ভাষণের প্রস্তুতি চলছে ইসিতে। ভাষণের কপি চূড়ান্ত করে রাখা হচ্ছে।
তফসিলের পরপরই আসনভিত্তিক রিটার্নিং অফিসার, সহকারী রিটার্নিং অফিসারসহ সব ধরনের কর্মকর্তাদের জন্য প্রায় ২০টির মত পরিপত্র জারি করা হবে।
নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল প্রস্তুতির সার্বিক অগ্রগতির বিষয়ে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, সব প্রস্তুতি গ্রহণ করে রেখেছে (ইসি সচিবালয়)।
তিনি বলেন, নির্বাহী হাকিম, ইলেকটোরাল ইনকয়োরি কমিটি, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ, মনিটরিং সেল গঠন, আইনশৃঙ্খলা সেল গঠন সব ধরনের ফরম্যাট প্রস্তুত রয়েছে। পর্যায়ক্রমে এগুলোর বিষয়ে আদেশ জারি করা হবে। ইসির ওয়েবসাইট, ইউটিউবসহ সবখানে প্রচার করা হবে।
তিনি বলেন, তফসিল ঘোষণার জন্য প্রস্তুতির বাইরেও তফসিল থেকে ভোট পর্যন্ত কাজ রয়েছে। সব কাজের তালিকা করে রাখা হয়েছে।
সীমানা নির্ধারণের রিট নিয়ে আরও কোনো জটিলতা দেখছে না ইসি।
আচরণবিধি প্রতিপালনে কঠোর থাকার কথা তুলে ধরে নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল বলেন, তফসিল ঘোষণার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নিজ দায়িত্বে সম্ভাব্য প্রার্থীদের আগাম প্রচার সামগ্রী সরাতে হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের যথাযথ ব্যবস্থা নিতে বলা হচ্ছে, তারাও প্রস্তুত। আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে প্রয়োজনে সর্বোচ্চ কঠোরতা নেওয়া হবে।
স্বপদে থেকে উপদেষ্টাদের ভোট নয়
অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টরা ভোটে অংশ নিতে পারবেন না বলে আগেই বলেছে নির্বাচন কমিশন।
নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টারাও পদে বহাল থেকে ভোটে অংশ নিতে পারেনি। অন্তবর্তীকালীন এবারের সরকারও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মত। সাম্প্রতিক আদালতের রায়ের পর্যবেক্ষণেও বিষয়টি রয়েছে।
“অন্তবর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের পদে থেকে ভোটে অংশগ্রহণের সুযোগ নেই। কেউ নির্বাচন করতে চাইলে পদত্যাগ করে ভোটে অংশ নিতে হবে।”
নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল বলেন, “(অন্তবর্তী) সরকারের কোনো পদে থেকে (কেউ) নির্বাচন করতে পারবেন না। নির্বাচনি প্রচারণায়ও পদে থেকে যাওয়া যাবে না। পদে থেকে যেহেতু প্রচারণায় যেতে পারবেন না, বলার অপেক্ষা রাখে না পদে বহাল থেকেও অংশ নিতে পারবেন না।”
এক দিনে দুই ভোটে চ্যালেঞ্জ দেখছে না ইসি
রাজনৈতিক দলগুলো গণভোটকে সামনে রেখে নানা মত দিলেও একই দিনে তা আয়োজন নিয়ে চ্যালেঞ্জ নেই বলে মনে করেন নির্বাচন কমিশনার মাছউদ।
তিনি বলেন, “দলগুলো তাদের অবস্থান জানাচ্ছে। আমরা ভোটের জন্য প্রস্তুত। এ নিয়ে কোনো মন্তব্য নয়। আমাদের সামনে চ্যালেঞ্জ আছে বলে আর মনে করি না।”
ভোটের পরিবেশ তৈরি করতে কমিশন বদ্ধপরিকর মন্তব্য করে তিনি বলেন, “আমাদের নির্দেশনা একটাই, আইন-বিধি মেনে সবাইকে কাজ করতে হবে। এর বাইরে আর কোনো বার্তা নেই। সঠিকভাবে দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের কাজ করতে হবে, ব্যত্যয় হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল বলেন, জেলা ও উপজেলায় কর্মকর্তারা নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করছেন, আইটি এক্সপার্টরাও কাজ করছেন। মক ভোটিংয়ে নতুন অভিজ্ঞতা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া গেছে।
ভালো নির্বাচনের জন্য যেখানে যা প্রয়োজন সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তুলে ধরেন তিনি।
এক প্রশ্নের জবাবে এ নির্বাচন কমিশনার বলেন, “কোনো দিন থেকে কোনো ধরনের চাপ, প্রেসার আকারে ইঙ্গিতেও কেউ কিছু বলছে না। এজন্য ইসি উদ্যমের সাথে কাজ করছে।”
“সবাই প্রতীক্ষয়, ভোটাররা ভোট দেওয়ার জন্য উন্মুখ হয়ে আছে। নির্বাচন কমিশন সেদিক থেকে উৎফুল্ল, উৎসাহী; উদ্যম নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি” যোগ করেন তিনি।
বিশ্লেষকের দৃষ্টিতে ভোট
নির্বাচন বিশ্লেষক জেসমিন টুলী দলগুলোর মধ্যে কথার লড়াইয়ের মত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে কোনো ধরনের চ্যালেঞ্জ দেখছেন না।
তফসিল ঘোষণার পর আরও কিছু বিষয় স্পষ্ট হবে তুলে ধরে তিনি বলেন, তখন বোঝা যাবে কারা জোট করছে, কীভাবে মনোনয়ন দিচ্ছে, ইসির আদেশ-নির্দেশনা মানছেন কিনা তা দেখা যাবে। নির্বাচনি পরিবেশ অনুকূল থাকলে অনেক চ্যালেঞ্জই সহজ হয়ে যাবে।
নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের এই সদস্য এবং ইসির সাবেক অতিরিক্ত সচিব টুলী বলেন, তফসিলের পর পরিস্থিতি কোনো দিকে মোড় নেয় তা দেখার বিষয়।
তিনি বলেন, “রাজনৈতিক দলগুলো প্রস্তুত। তারা অনেক দিন ধরে নির্বাচন চাইছে। আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্য কোনো দলেরতো ভোটে বাধা নেই।”
ভোটে এবার কয় দল
২০০৮ সালে দলের নিবন্ধন প্রথা চালুর সময় ৩৮টি দল ছিল। বর্তমানে তা ৫৫টিতে দাঁড়িয়েছে; একটির নিবন্ধন স্থগিত ও তিনটির নিবন্ধন বাতিল হয়েছে।
প্রথম সংসদ নির্বাচনে ১৪টি দল অংশ নেয়। দ্বিতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯ দল, তৃতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৮টি দল; চতুর্থ সংসদ নির্বাচনে আটটি দল অংশ নিয়েছিল। নব্বইয়ের গণআন্দোলনের পর পঞ্চম সংসদ নির্বাচনে ৭৫টি দল অংশ নেয়।
১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির ষষ্ঠ সংসদ নির্বাচনে তফসিল দিয়ে তিনবার পরিবর্তন করতে হয়। অধিকাংশ দলের বর্জনের মধ্যে এতে অংশ নেয় ৪১টি দল। সপ্তম সংসদ নির্বাচনে সর্বোচ্চ ৮১টি দল এবং অষ্টম সংসদ নির্বাচনে ৫৪টি দল অংশ নেয়।
নবম সংসদের সময় ভোটে অংশ নিতে রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা হয় আর স্বতন্ত্র প্রার্থীদের নিজ এলাকার ১% সমর্থন দেখাতে হয়। নিবন্ধিতরা দলীয়ভাবে ভোট করার সুযোগ পায় আর স্বতন্ত্র প্রার্থী রাখা হয়। তখন ওই নির্বাচনে নিবন্ধিত ৩৮টি দল অংশ নেয়।
দশম সংসদ নির্বাচনে দল ছিল ১২টি। বিএনপিসহ সমমনা দলগুলো ভোট বর্জন করে এবং ১৫৩ আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতা নির্বাচিত হওয়ার রেকর্ড হয়।
একাদশ সংসদ নির্বাচনে ৩৯টি দল ভোটে অংশ নেয়। সবশেষ দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে ২৮টি দল ভোটে অংশ নেয়। এসময় নিবন্ধিত দল ছিল ৪০টি।
এবার ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে নিবন্ধিত দল রয়েছে বিএনপি, জামায়াত, এনসিপিসহ ৫৭টি। আর আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত থাকায় তাদের ভোটে অংশ নেওয়ার সুযোগ নেই।
ভোটের বাইরে নৌকা কতবার?
বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন দল আওয়ামী লীগ দু’বার ভোট বর্জন করেছিল; আর এবার ভোটের বাইরে থাকতে বাধ্য হচ্ছে নিবন্ধন স্থগিত থাকায়। সব মিলিয়ে ১৩টি নির্বাচনে ব্যালট পেপারে নৌকা প্রতীক থাকছে না তিনবার।
এর আগে ১৯৮৮ সালে ও ১৯৯৬ সালে আন্দোলনের মধ্যে ভোট বর্জন করেছিল। এবার দলটির নিবন্ধন স্থগিত রয়েছে।
মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশনার মাছউদ বলেন, “পোস্টাল ব্যালটে নিবন্ধন স্থগিত কোনো দলের প্রতীক থাকবে না।”
তফসিলের আগে ১০ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ইসির সাক্ষাৎ
সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনে কমিশন প্রস্তুত: প্রধান উপদেষ্টাকে সিইসি
প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ সিইসির
সংসদ নির্বাচন ও গণভোট: তফসিল ঘোষণা কবে?
তফসিলের জন্য প্রস্তুত ইসি, ভোটের 'ভাব' কি এল?
নির্বাচনি প্রক্রিয়ায় আছি আমরা, ভোট যথাসময়ে হোক: নজরুল ইসলাম খান