Published : 02 Jun 2026, 09:29 PM
একজন চৌকস সেনা কর্মকর্তা, চালাক-চতুর ও বুদ্ধিদীপ্ত ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত এম এ মঞ্জুর রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আস্থাভাজন অফিসারদের একজন ছিলেন বলে বলা হয়ে থাকে। বিভিন্ন বিষয়ে তার জ্ঞানের গভীরতা ও দক্ষতা ছিল উল্লেখ করার মতো। ১৯৭৭ সালে ঢাকার সেনাসদরের সিজিএস পদ থেকে তাকে চট্টগ্রামে বদলি করা হয়। খুব সম্ভবত এই পদায়নে মঞ্জুর নাখোশ ছিলেন।
১৯৮১ সালে মেজর জেনারেল এম এ মঞ্জুর যখন চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্টের জিওসি তখন চট্টগ্রাম জেলার ডেপুটি কমিশনার ছিলেন জিয়াউদ্দীন চৌধুরী। পেশাগত কারণেই তাদের মধ্যে যোগাযোগ ছিল। কিছু ঘরোয়া আয়োজনে আলাপ-সালাপও হতো। জিয়াউদ্দীন চৌধুরী উল্লেখ করেছেন, বিভিন্ন বিষয়ে প্রজ্ঞা ও গভীর জ্ঞানের কারণে এমএ মঞ্জুর ‘পণ্ডিত’ হিসেবে পরিচিত ছিলেন (পৃষ্ঠা: ৫৯, অ্যাসাসিনেশন অব জিয়াউর রহমান: অ্যান্ড দ্য আফটারমাথ)।
কিন্তু একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা, প্রজ্ঞাবান ও যোগ্য সেনা কামান্ডার হিসেবে পরিচিত মঞ্জুর ১৯৮১ সালের ৩০ মে ভোর রাত থেকে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত যা যা করেছেন তা অনেকের কাছেই অবিশ্বাস্য। জিয়াউর রহমান হত্যা ও পরবর্তী সময়ের আনাড়িপনা নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছিলেন প্রয়াত সেনা কর্মকর্তা আমীন আহম্মদ চৌধুরী বীর বিক্রম। তিনি আমার সঙ্গে ২০১৩ সালে এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, চট্টগ্রামে রাষ্ট্রপতি জিয়াকে হত্যা করে অভ্যুত্থান করা সম্ভব ছিল না। এছাড়া মঞ্জুর জিয়াকে ঠিক হত্যা করতে চেয়েছিলেন কিনা সে বিষয়েও সন্দিহান ছিলেন তিনি। কারণ মঞ্জুরের মতো একজন অফিসারের পক্ষে এমন অপরিপক্ক চিন্তা করা সম্ভব নয় বলে দৃঢ় বিশ্বাস ছিল আমীন আহম্মদ চৌধুরীর।
৩০ মে ভোরবেলা চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের পর বেসামরিক প্রশাসন ছিল পুরোপুরি বিভ্রান্ত। ১৯৭৫ সালের ১৫ অগাস্টের অভিজ্ঞতায় ডেপুটি কমিশনার জিয়াউদ্দীন চৌধুরীসহ অনেকের ধারণা ছিল এটি সম্ভবত সরকার পরিবর্তনের জন্য পরিচালিত সেনা অভ্যুত্থান এবং এর সঙ্গে ঢাকার সেনাসদর ও অন্যান্য শীর্ষ সেনা অফিসারও যুক্ত। যদিও তার ভুল ভেঙেছিল খুব দ্রুত। ৩০ মে সকালে চট্টগ্রাম সেনানিবাসে গিয়ে বাংলাদেশ বেতারের চট্টগ্রাম কেন্দ্র থেকে সেনা অভ্যুত্থানের ঘোষণা তিনি শোনেন। তাতে জানানো হয়, সেনাবাহিনী সরকারের দায়িত্ব নিয়েছে। যদিও বাংলাদেশ বেতারের ঢাকা কেন্দ্রের সম্প্রচার ছিল সম্পূর্ণ স্বাভাবিক। সেখানে রাষ্ট্রপতি হত্যা, সরকার উৎখাত ও নতুন সরকারের কোন সংবাদ ছিল না। সব অনুষ্ঠান চলছিল স্বাভাবিকভাবে। তখন সেনানিবাসে অবস্থান করা জিয়াউদ্দীনসহ অন্যান্য সরকারি কর্মকর্তা বুঝতে পারেন, এটি সম্ভবত স্থানীয়ভাবে সংঘটিত (Engineered locally) একটি সেনা অভ্যুত্থান। (পৃষ্ঠা: ৫৭, অ্যাসাসিনেশন অব জিয়াউর রহমান: অ্যান্ড দ্য আফটারমাথ)
রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে হত্যা করে সরকার উৎখাতের প্রক্রিয়ায় জিওসি এম এ মঞ্জুর অনেকটা একা ছিলেন। তার অভ্যুত্থান প্রক্রিয়ায় ছিল গুরুতর গলদ। প্রথমত. রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যা অভিযানে কোনো সৈনিক যুক্ত ছিলেন না। এটা ছিল নিতান্তই কিছু অফিসারদের হটকারিতা। দ্বিতীয়ত. ঢাকা থেকে পদস্থ কোন সেনা কর্মকর্তার সমর্থন চট্টগ্রামের বিদ্রোহীরা পাননি। তৃতীয়ত. চট্টগ্রামকে বিচ্ছিন্ন করে ঢাকার সঙ্গে দরকষাকষি করতে সাধারণ সৈনিকদের যে সমর্থন প্রয়োজন সেটাও মঞ্জুরের ছিল না। চতুর্থত. রাজধানী ঢাকার বাইরে বিভাগীয় শহর চট্টগ্রাম থেকে সরকার পরিবর্তনের কোন অভ্যুত্থান সফল করা ছিল অকল্পনীয় বিষয়। এছাড়া রাষ্ট্রপতির মরদেহ গোপনে অমার্যাদাকরভাবে দাফন থেকে শুরু করে নানা হটকারিতায় শুরু থেকেই এম এ মঞ্জুর ছিলেন কোণঠাসা।
৩০ মে ১৯৮১ ভোরবেলা হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হওয়ায় ওইদিন সংবাদপত্রে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের কোন খবর প্রকাশিত হয়নি। পরদিন ৩১ মে থেকে সংবাদপত্রে রাষ্ট্রপতি হত্যার খবর প্রকাশিত হতে থাকে। এই সংবাদগুলোতে ছিল সংবিধান মেনে চলার অঙ্গীকার, চট্টগ্রামের বিদ্রোহীদের প্রতি কড়া হুঁশিয়ারি আর বিদ্রোহীদের প্রচেষ্টা ধীরে ধীরে নসাৎ হওয়ার বর্ণনা।
দুষ্কৃতকারীদের আত্মসমর্পণের নির্দেশ, সাংবিধানিক সরকার বহাল

রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে হত্যা করে তার সরকার উৎখাত ও কথিত বিপ্লবী পরিষদের ঘোষণা দিলেও এম এ মঞ্জুরের এই ঘোষণার কোন বাস্তবায়ন ছিল না। বরং ঢাকার সেনা নেতৃত্ব ও বেসামরিক প্রশাসন সংবিধান মেনে চলতে ছিল বদ্ধপরিকর। যে প্রক্রিয়ায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের শাসনতন্ত্রের ৫৫ (১) ধারা মোতাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট বিচারপতি আবদুস সাত্তার গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রেসিডেন্টের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী, বাংলাদেশ রাইফেলস ও পুলিশ বাহিনীর প্রধানরা দেশের নিয়মতান্ত্রিক সরকারের প্রতি পূর্ণ আনুগত্য প্রদর্শন করেন।
৩১ মে ১৯৮১ দেশের প্রধান সংবাদপত্রগুলোতে বাসসের বরাতে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির আহ্বান সম্বলিত একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। যার শিরোনাম ছিল ‘দুষ্কৃতকারীদের আত্মসমর্পণের নির্দেশ’ । এতে বলা হয়–“অস্থায়ী প্রেসিডেন্ট বিচারপতি আবদুস সাত্তার গতকাল সকালে চট্টগ্রামে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে হত্যাকারী গণবিরোধী দুষ্কৃতকারীদের অবিলম্বে সরকারের নিকট আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়াছেন। অস্থায়ী প্রেসিডেন্ট হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করিয়া বলেন, অন্যথায় এই সকল দুষ্কৃতকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গৃহীত হইবে।” (৩১মে, ১৯৮১, আজাদ)
দিকভ্রান্ত এম এ মঞ্জুর যখন রাষ্ট্রপতি হত্যা ও চট্টগ্রাম বিদ্রোহকে যুক্তিসঙ্গত দাবি করে চট্টগ্রাম সেনানিবাসের সৈনিক ও বেসামরিক প্রশাসনকে তার পক্ষে নেওয়ার জোর চেষ্টা চালাচ্ছেন তখন ঢাকা থেকে বিদ্রোহীদের দমনে উচ্চারিত হচ্ছিল চরম হুঁশিয়ারি। আর যেহেতু রাষ্ট্রপতি হত্যা ও সরকার উৎখাতের অভিযানে চট্টগ্রামের সিংহভাগ সেনা অনবহিত ও অসম্মত ছিলেন–তাই এম এ মঞ্জুরের চেষ্টা দ্রুত ভেস্তে যেতে শুরু করে। যার প্রতিফলন ছিল সংবাদপত্রের পাতায়। ২ মে ১৯৮১ আজাদ প্রকাশ করে–বিপুল সংখ্যক অনুগত অফিসার ও সৈনিকের আত্মসমর্পণ শিরোনামের সংবাদ। এতে বলা হয়–“গতকাল (রবিবার) রেডিও বাংলাদেশের ঢাকা কেন্দ্র ও বাংলাদেশ টেলিভিশনের খবরে বলা হয়, চট্টগ্রামে মেজর জেনারেল মঞ্জুরের নেতৃত্বে মুষ্টিমেয় বিদ্রোহীদের দলত্যাগ করিয়া ইষ্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট বিপুল সংখ্যক অফিসার ও সৈনিক সরকারের নিকট আত্মসমর্পণ করিয়াছেন। ইতিমধ্যে সেনাবাহিনীর প্রধান লেফটেনেন্ট জেনারেল এইচ এম এরশাদ দেশপ্রেমিক নাগরিক ও সৈনিকদের জানাইয়াছেন যে, সরকারের নির্দেশে সাড়া দিয়া সেনাবাহিনীর ২জন অফিসার, ২জন জুনিয়র কমান্ডিং অফিসার ও ৭০ জন সৈন্য বিদ্ৰোহী দল ত্যাগ করিয়াছেন। সেনাবাহিনী প্রধান এই মর্মে দৃঢ় আস্থা ব্যক্ত করেন যে, দেশ ও জাতির কল্যাণে সকল অনুগত সৈন্য তাহার নির্দেশে সাড়া দিবেন।” (৩১মে, ১৯৮১, আজাদ)
আজাদের বিশেষ বক্স আইটেমে আত্মসমর্পণের খবর

যুদ্ধ, বিদ্রোহ, বিপ্লব, অভ্যুত্থান নিঃসন্দেহে এক ধরনের জরুরি পরিস্থিতি। এ রকম সময়ে রাষ্ট্রযন্ত্রে দ্রুত নানা বিষয় পরিবর্তিত হয়। আর সেসব বিষয়ে সংবাদ জনগণকে জানানোও খুব জরুরি। ৩১ মে ১৯৮১ দৈনক আজাদে এমন একটি সংবাদ বক্স আকারে প্রকাশিত হয়েছিল। যা পরিস্থিতি বিবেচনায় ছিল খুবই জরুরি। বাসসের বরাত দিয়ে শিরোনামহীন এই সংবাদে বলা হয়– “সেনাবাহিনী প্রধান লে জেনারেল এরশাদ জানান, ৩০৫ তম ব্রিগেড হেডকোয়াটার ৬৪ ইষ্টবেঙ্গল রেজিমেন্টের কমান্ডারসহ সমগ্র ব্যাটালিয়ন, একাদশ ইষ্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের কমান্ডার এবং চট্টগ্রামের বিভিন্ন ইউনিটের বিভিন্ন পদের সৈনিকগণ আত্মসমর্পণ করিয়াছেন।” (৩১মে, ১৯৮১, আজাদ)
দ্য বাংলাদেশ অবজারভারে কঠোর হুঁশিয়ারি, আত্মসমর্পণ
সাংবিধানিক সরকার টিকিয়ে রাখতে সরকার ও সেনা নেতৃত্বের একমত হওয়ার পর এমনিতেই বিদ্রোহীরা কোণঠাসা ছিল। এরপর চট্টগ্রামের বিভিন্ন ইউনিটের সৈনিক ও কর্মকর্তাদের সমর্থন না পাওয়ায় চট্টগ্রাম বিদ্রোহের অবসান ছিল শুধুই সময়ের অপেক্ষা। এদিকে বিদ্রোহ দমনে সরকারও কঠোর হতে থাকে। যার সংবাদ আসতে থাকে সংবাদপত্রে।
১ জুন ১৯৮১ দ্য বাংলাদেশ অবজারভারের প্রধান শিরোনাম ছিল–‘STERN ACTION ORDERED’. যার বাংলা অর্থ দাঁড়ায়–‘কঠোর ব্যবস্থার সিদ্ধান্ত’। এই সংবাদে আরও বিস্তারিত বলা হয়, “The Acting President Justice Abdus Sattar on Sunday directed the Chief of army staff and the chiefs of other forces to take immediate ‘stern action’ for suppressing the rebellion by ‘some misguided’ members of defense forces under the leadership of Major General Manzoor, reports BSS. … Meanwhile the Chief of Army Staff Lt. Gen. H. M. Ershad on Sunday Issued a final directive asking all the miscreants and their Commanding Officers at Chittagong including Major General Manzoor to surrender by 6 am today (Monday). The original time limit to surrender by Sunday noon has been extended by 18 hours.”
অবজারভারের এই সংবাদে সৈনিক ও অফিসারদের আত্মসমর্পণে সরকারের কড়া ও নির্দেশ এবং আত্মসমর্পণের খবর ছিল বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। যার মাধ্যমে এম এ মঞ্জুরের বিদ্রোহ অবসানের চূড়ান্ত ক্ষণ গণনা শুরু হয়।
শুভপুর ব্রিজে আত্মসমর্পণের সংবাদ ছবি

আগেই উল্লেখ করা হয়েছে বিদ্রোহ সফল করতে এম এ মঞ্জুর চট্টগ্রামকে সারাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা করেছিলেন। সড়কপথে কোন আক্রমণ ঠেকাতে চট্টগ্রাম ও ফেনী জেলার সংযোগস্থল হিসেবে পরিচিত শুভপুর ব্রিজ এলাকায় সেনা মেতায়েন করতে চেয়েছিলেন এম এ মঞ্জুর। এজন্য খুব সম্ভবত দুটি সেনা ইউনিটকে তিনি নির্দেশও দিয়েছিলেন। কিন্তু ফল ছিল উল্টো। সেনারা মঞ্জুরের কথায় আস্থা না রেখে সরকারের নির্দশমতো শুভপুর ব্রিজের অপরপ্রান্তে থাকা সেনা ইউনিটের কাছে আত্মসমর্পণ করে। যে ছবি ১ জুন ১৯৮১ প্রকাশিত হয় দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায়। এই ছবির ক্যাপশান ছিল: ফেনী নদীর শুভপুর সেতু। চট্টগ্রামের দিক হইতে সেনারা আসিয়া সরকারের অনুগত বাহিনীর সঙ্গে যোগ দেয়। ছবি: রশীদ তালুকদার।
এমএ মঞ্জুরের শেষ সময়

বিভ্রান্ত এম এ মঞ্জুরের ‘বিপ্লব’ প্রচেষ্টার স্থায়িত্ব ছিল মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মতো। নানামুখী প্রচেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হওয়ার পর রবিবার রাতে চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্ট ত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নেন এম এ মঞ্জুর ও তার অনুগত অফিসাররা। যে ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে ৪ জুন ১৯৮১ দ্য বাংলাদেশ অবজারভার প্রকাশ করেছিল ‘Last scenes of Manzoor’s drama’ শিরোনামের একটি সংবাদ। চট্টগ্রাম থেকে সৈয়দ মুরতাজা আলীর (Syed Murtaza Ali) প্রতিবেদনটি পাঠিয়েছিলেন। এই প্রতিবেদনে উঠে এসেছিল চট্টগ্রাম সেনানিবাসে মঞ্জুরের শেষ সময়ের চিত্র। তাতে বলা হয়– “Major General M. A. Manzoor held last round of meeting with his group members at midnight and finally decided to leave Chittagong Cantonment. He immediately withdrew his supporting soldiers from Chittagong centre of Radio Bangladesh and T and T exchange. General Manzoor before leaving the Cantonment dragged out the injured officers Lt. Col Fazle Hossain and Capt. Jamil from the Combined Military Hospital who boarded a jeep. The rebel leader along with his family members and group left Chittagong Cantonment at 3.35 a.m. on Monday.”

মুক্তিযোদ্ধা মেজর জেনারেল এম এ মঞ্জুরের পরের পরিণতি সবার জানা। যদিও সেই অধ্যায়েও রয়েছে রহস্যের কুয়াশা। যে কুয়াশা আজও ভেদ হয়নি।
রাহাত মিনহাজ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক