১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শিক্ষকতা করছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে। ইতিহাস ও সাম্প্রতিক ঘটনাবলির প্রতি তার টান আছে এবং এসব বিষয়ে লেখালেখি করেন। এ পর্যন্ত তার ১১টি বই প্রকাশিত হয়েছে। প্রকাশিত হয়েছে বেশ কিছু একাডেমিক গবেষণা নিবন্ধও। তিনি নিজেকে একজন অনুসন্ধিৎসু শিক্ষার্থী বলে পরিচয় দিতে পছন্দ করেন।
১৯৮১ সালের ৩০ মে ভোররাতে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের পর দেশজুড়ে তৈরি হয়েছিল চরম বিভ্রান্তি। চালাক-চতুর ও বুদ্ধিদীপ্ত হিসেবে পরিচিত মেজর জেনারেল এম এ মঞ্জুরের এই কথিত ‘বিপ্লব’ কেন মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে মুখ থুবড়ে পড়েছিল?
১৯৮১ সালের ৩০ মে ভোররাতে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে ঘটেছিল বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম রক্তক্ষয়ী অধ্যায়—রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ড। এই ঘটনার পর পর এক অলীক আকাঙ্ক্ষায় গঠিত হয়েছিল সাত সদস্যের রহস্যময় ‘বিপ্লবী পরিষদ’, যার মুখপাত্র ছিলেন খোদ মেজর জেনারেল এম এ মঞ্জুর। কিন্তু সাধারণ সেনারা কেন এই কথিত বিপ্লবকে প্রত্যাখ্যান করলেন? কীভাবে মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মাথায় ধূলিসাৎ হয়ে গেল সেই বিদ্রোহ?
দেশের টেলিভিশন মাধ্যমগুলোতে নিয়মিত বেতন ও পেশাগত সুরক্ষা নিশ্চিত না করে সাংবাদিকদের স্বাধীনতায় যে অনাপত্তিপত্রের শৃঙ্খল পরাতে চেয়েছিল টেলিভিশন চ্যানেল মালিকদের সংগঠন অ্যাটকো। সমালোচনার মুখে তা প্রত্যাহার করা হলেও তে বাধ্য হলো মালিকপক্ষ।
মুক্তিযুদ্ধের ৯ মাস রণাঙ্গনে শত্রু মোকাবিলা করার পাশাপাশি তাজউদ্দীন আহমদকে লড়তে হয়েছিল অভ্যন্তরীণ কোন্দলের বিরুদ্ধেও। কেন গঠিত হয়েছিল ‘মুজিববাহিনী’?
বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র কেবল একটি ঘোষণা নয়, এটি একটি রাষ্ট্রের জন্মের বৈধ দলিল। ১৯৭১ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু করে ১০ এপ্রিলের চূড়ান্ত রূপান্তর পর্যন্ত এই দলিলের বিবর্তনের গল্প আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সুসংগঠিত রূপটিকেই তুলে ধরে।
১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল, ১৭ এপ্রিল এবং ১৬ ডিসেম্বর—এই তিন ঐতিহাসিক দিনে তাজউদ্দীন আহমদের দেওয়া ভাষণগুলো আজ কোথায়? কেন মুক্তিযুদ্ধোত্তর কালে বাংলাদেশের মানুষ শুনতে পায়নি সেই অমূল্য সব ভাষণ?