Published : 18 Jan 2026, 04:42 PM
গ্যাস সংকটের কারণে অনেক পরিবার এখন বৈদ্যুতিক চুলা, ইন্ডাকশন কুকার, রাইস কুকারসহ বিভিন্ন ইলেকট্রিক রান্নার যন্ত্রের ওপর নির্ভর করছে।
এই সংকটে রান্নার বিকল্প উপায় খোঁজার পাশাপাশি রান্নাঘরে অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি থেকে সতর্ক থাকা অত্যন্ত জরুরি।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মিডিয়া সেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শাহজাহান শিকদার জানান, বাসাবাড়িতে অগ্নিকাণ্ডের অন্যতম প্রধান উৎস রান্নাঘর।
গ্যাস লিক, অসাবধানতা ও ইলেকট্রিক যন্ত্রের অবহেলা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়।
গ্যাস সংযোগ ও লিকেজ পরীক্ষার নিয়ম
গ্যাস সিলিন্ডার বা লাইনের সংযোগ নিয়মিত পরীক্ষা করতে হবে।
এক কাপ পানিতে সামান্য সাবান বা ডিটারজেন্ট মিশিয়ে ফেনা তৈরি করুন। এই ফেনা স্পঞ্জ বা ব্রাশ দিয়ে পাইপ, রেগুলেটর ও চুলার সংযোগস্থলে লাগান। বুদবুদ উঠলে গ্যাস লিকের লক্ষণ।
তাৎক্ষণিক রেগুলেটর বন্ধ করে মিস্ত্রি ডাকুন। কখনই লাইটার বা আগুন দিয়ে লিক পরীক্ষা করা যাবে না।
গ্যাসের গন্ধ পেলে সঙ্গে সঙ্গে সংযোগ বন্ধ করুন। বৈদ্যুতিক সুইচ ‘অন’ করবেন না, জানালা খুলে দিন এবং নিরাপদ স্থানে যান।
রান্নাঘরে সাধারণ সতর্কতা
বৈদ্যুতিক রান্নার যন্ত্র ব্যবহারে সতর্কতা
দুর্ঘটনা ঘটলে করণীয়
আগুন লাগলে প্রথমে মূল গ্যাস সংযোগ বন্ধ করার চেষ্টা করুন। এরপর দ্রুত পরিবারের সবাইকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিন।
আতঙ্কিত না হয়ে ফায়ার সার্ভিসে হটলাইন নম্বর ১০২ বা ৯৯৯ যোগাযোগ করুন।
রান্নাঘরে অগ্নিকাণ্ড প্রতিরোধে অভিভাবকদের সচেতনতা ও নিয়মিত পরীক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক সতর্কতা অবলম্বন করলে গ্যাস সংকটের মধ্যেও রান্নাঘর নিরাপদ থাকবে এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।
আরও পড়ুন
বৈদ্যুতিক চুলা কোনটি কিনবেন- ইন্ডাকশন নাকি ইনফ্রারেড?