Published : 17 Jan 2026, 04:08 PM
পৃথিবীর বিস্ময় তিব্বত মালভূমি। তুষার আবৃত পাহাড়, উচ্চ মালভূমি, বিশ্ব বিখ্যাত মাউন্ট এভারেস্ট, মাউন্ট কৈলাশ, মানস সরোবর, পোটালা প্যালেসসহ প্রকৃতির ঐশ্বর্য তিব্বত।
চীন ভ্রমণে পথে পথে ঘোর লাগা সময় কেটেছে লাসা ও তিব্বতে। তীব্র শীতের দিনগুলিতে রোদ ঝলমলে মাউন্ট এভারেষ্ট কিংবা মাউন্ট কৈলাশের মতোই অবাক করেছে তিব্বতের আরেক বিস্ময়-বিশ্বের উঁচু রেলপথ। দৈর্ঘ্য প্রায় ১৯০০ কিলোমিটার।

চীনের শিনিং প্রদেশ থেকে যাত্রা শুরু হওয়া এই রেলপথ মিশেছে লাসায়। তিব্বতের এই অঞ্চল কখনও হিমবাহ, কখনও বরফ কিংবা ধূসর পাহাড়। পাহাড়ের ভেতরে দিয়ে উঁচু নিচু পথে সড়ক বানিয়েছে চীন। এর রেলপথের গড় উচ্চতা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৫ হাজার ৩শ ফুট। সাধারণত ১০ থেকে ৩৩ হাজার ফুট উচ্চতায় বিমান চলাচল করে।
তিব্বতে রেল চলাচলে করে প্রায় ১৫ হাজার ফুট উচ্চতায়। তিব্বত ভ্রমণ নিয়ে একাধিক কিস্তি লেখার ইচ্ছে আছে। তবে এবারের পর্ব শিনিং থেকে লাসা পর্যন্ত দীর্ঘ ট্রেন ভ্রমণ। পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু রেলপথ ধরে এই যাত্রা ছিল রোমাঞ্চে ভরপুর।
শিনিংকে তিব্বতের ‘প্রবেশদ্বার’ বলা হয়। শিনিংয়ে সকাল ৭টায় আমাদের দিনের শুরু। আগের দিনে চীনের কুনমিং থেকে ফেরার ক্লান্তি ভুলে প্রাতঃরাশ শেষ করে শহর দর্শনে বের হলাম। পরিচ্ছন্ন শিনিংয়ের রাস্তা। পুরো শহর তখনও ভালো করে জাগেনি। শহরের ফুটপাতগুলোতে মানুষের আনাগোনা কম। নতুন শহর মানেই সবকিছু আলাদা লাগে। শহরের পথ, মানুষ, সুপারশপ, শহরের প্রাণী সব কিছু ভালো লাগে।

নভেম্বরে বাংলাদেশে হেমন্ত হলেও শিনিংয়ে তখন পুরোপুরি শীত। সকালে দেখতে গেলাম পুরো প্রদেশের সবচেয়ে বড় মসজিদ ‘শিনিং গ্রেট মসজিদ’। বেশ প্রাচীন; ১৩৯০ সালে নির্মিত। স্থাপত্যশৈলী বেশ চমৎকার।
মসজিদের চারপাশে ফুটপাতে বিভিন্ন পণ্যের পসরা বসিয়েছে দোকানিরা। বেশিরভাগই খাবারের দোকান। ভ্রমণসঙ্গীদের সবাই অল্প কিছু শুকনা খাবার বা ড্রাই ফ্রুটস কিনে নিলাম। চায়না কিসমিস, খেজুরসহ বাহারি খাবার।
মসজিদ দেখে হোটেলের দিকে রওনা হলাম। দুপুর ১২টায় আমাদের বহুল প্রত্যাশিত রেলভ্রমণ। আমাদের ভ্রমণ গাইড মিস হাফসা গাড়িতে করে আমাদের স্টেশন পর্যন্ত এগিয়ে দিল।
ঢাকা থেকে বিমানে কুনমিং, তারপর শিনিং। এই দীর্ঘযাত্রার গন্তব্য ছিল লাসাগামী ‘বিখ্যাত’ ট্রেন যাত্রা। অবশেষে স্বপ্ন যেন হাতের নাগালে। আমাদের গাইড হাফসা প্ল্যাটফমে দাঁড়িয়ে থাকা লাসাগামী ট্রেন দেখিয়ে দিল। সেখান থেকেই হাফসা বিদায় নিল।

সিঁড়ি বেয়ে নামতে প্ল্যাটফমে দাঁড়িয়ে থাকা লাসাগামী ট্রেন ছুঁয়ে দেখলাম। ট্রেনের দায়িত্বে থাকা গার্ড আমাদের টিকেট দেখল। পাশাপাশি তিব্বত ভ্রমণের পারমিটও দেখতে চাইল। বিশাল প্ল্যাটফর্ম। তবে মানুষের কোন হৈচৈ নেই। আমরা আমাদের নিদিষ্ট বগিতে উঠে পড়লাম। সবগুলো কেবিন সিট।
ট্রেন ছাড়তে তখনও প্রায় মিনিট দশেক সময় ছিল। এই সুযোগে প্ল্যাটফর্মে নেমে দেখলাম। বেশ লম্বা ট্রেন। অনেকগুলো বগি। পুরো ট্রেন শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত। নির্ধারিত সময় দুপুর ১২টায় শিনিং রেলওয়ে স্টেশন থেকে তিব্বতের উদ্দ্যেশে ট্রেন যাত্রা শুরু করল।
দোতলা কেবিনে আমার সহযাত্রী মেহেদি হাসান প্রিন্স। পেশায় স্থাপত্য প্রকৌশলী। আরেকজন তিব্বতীয় নাগরিক। ভাষার জটিলতায় তার সঙ্গে খুব একটা আলাপ হয়ে ওঠেনি। তবে বেশ বন্ধুসুভল মনে হল।
আমি আর প্রিন্স ভাই নিচে আলাদা সিটে। পাঁচ ফুটের বেশি লম্বা সিটে অনায়াসে শুয়ে থাকা যায়। এত লম্বা যাত্রা বসে যাওয়া সম্ভব নয়।

আমাদের ভ্রমণ দলের সবারই এবার প্রথম তিব্বত যাত্রা। তাসনিম আপা আর সেতু আপা ঘুরে বেড়ানোর মানুষ। জুলাইয়ে তারা আফ্রিকার সবচেয়ে উঁচু পাহাড় কিলিমানজারো সামিট করেছেন। আর এবারের ট্যুরসঙ্গী সানাউল ভাই আর তানিম ভাইও নিয়মিত ঘুরে বেড়ান।
ট্রেন ছাড়ার পর সবার উচ্ছ্বাসও বেশি। এই যাত্রা প্রায় ২২ ঘন্টা। কিছুক্ষণ পরেই খাবারের ট্রলি নিয়ে আসল ট্রেনের ভেতরে থাকা কর্মীরা। বেশ লম্বা ট্রেনের ভেতরে একটা পুরো বগিতে রেস্তোরাঁ রয়েছে। সেখানে বসে চোখে তিব্বত মালভূমির অনিন্দ্য ল্যান্ডস্কেপ ধরা পরে।
রেস্তোরাঁর প্রশস্ত স্বচ্ছ কাঁচের জানালা দিয়ে নীল জলের সু্বশিাল লেক, উপত্যকা, পাহাড় দেখা যায়। দুচোখ ভরে দেখে নিচ্ছি পৃথিবীর সুন্দরতম জনপদগুলোর একটি। প্রায় দুই ঘন্টা পর নাগরিক সভ্যতা পেরিয়ে ট্রেন প্রবেশ করল জনমানবহীন মালভূমিতে।

বিস্তৃত দিগন্ত ছুঁয়ে দাঁড়িয়ে আছে সুউচ্চ পাহাড়। দুপুর গড়িয়ে, তিব্বত মালভূমির পথে আমাদের প্রথম বিকেল।
ট্রেনের জানালায় যতদূর চোখ যায় মালভূমির বিস্তৃীন এলাকা। রেলপথের অদূরে ধূসর মাটির পাহাড়। নভেম্বরে অধিকাংশ গাছ পাতাশূন্য। মালভূমির ভৌগলিক গঠন অবাক করা। মাইলের পর মাইল জনমানবহীন। যেন কোথাও কেউ নেই। দীর্ঘ সময় পরপর দেখা মেলে স্টেশনের।

এটি যেহেতু পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু রেলপথ, তাই স্টেশনগুলো গড় উচ্চতা ৩ হাজার থেকে ৫ হাজার মিটার। স্টেশনের আশপাশে মাঝে মাঝে জনবসতি দেখা যায়। তবে মানুষ খুব একটা চোখে পড়ে না। সব স্টেশনে লাসাগামী ট্রেন দাঁড়ায় না।
মালভূমি বুকে দেখা মিলে বিচ্ছিন্ন গ্রাম। কোথাও কোথাও মেষের দল। ধূসর পাহাড়ের পাদদেশে বিচরণ করছে তৃণভোজী এই পশু। একেক দলে কয়েকশ মেষ। পাহাড়ের পাদদেশে ছোট ছোট গ্রাম। বেশ ঘনবসতিপূর্ণ। এত উঁচু মালভূমির মাঝেও দেখা মিলে স্বচ্ছ নীল জলের হ্রদ। এ যেন সৃষ্টির অবাক রহস্য।
চীন মালভূমির অনেকাংশে উইন্ডমিল বসিয়েছে। বড় বড় সোলার প্যানেল। বিকল্প জ্বালানির উৎস হিসেবে চীনজুড়ে সৌর বিদ্যুৎ ব্যবস্থা রয়েছে। ট্রেনের যাত্রীদের জন্য প্রতিটি বাথে অক্সিজেনের ব্যবস্থা রয়েছে। উচ্চতা জনতি কোনো সমস্যায় অক্সিজেন লেভেল কমে গেলে এটি ব্যবহার করা যায়।

আর ট্রেনের বাইরে দুনিয়ার তাপমাত্রা এক ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আমাদের এই ট্যুরের আয়োজন করে বেসরকারি ভ্রমণ সংস্থা-ট্যুর গ্রুপ বিডি (টিজিবি)। ট্যুরের হোস্ট ছিলেন রাফসান রাহী। টিজিবি বেশ পেশাদারী প্রতিষ্ঠান। রাহী ভাইয়ের ব্যবস্থাপনায় কোনো ধরনের ভোগান্তি ছাড়াই দুই সপ্তাহ চীন তিব্বত ভ্রমণ হয়েছে।
চীনের রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ, ভৌগলিক দুর্গমতা, এশিয়া-ইউরোপসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের তিব্বতে প্রবেশ নিষিদ্ধ ছিল। কয়েক বছর আগে নিষিদ্ধ নগরী তিব্বত এখন পৃথিবীর মানুষের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।

চীন ভিসার পাশাপাশি তিব্বতের বিশেষ অনুমতি নিয়ে সেখানে ভ্রমণের সুযোগ পাওয়া যায়। সেই ‘নিষিদ্ধ নগরী’র বিস্ময় খুব কাছ থেকে দেখতে এই দীর্ঘযাত্রা।
বিকেলে পেরিয়ে সন্ধ্যা। কিছুক্ষণ পরেই একটা স্টেশনে দাঁড়াল। সেটি প্রায় ২ হাজার ৮শ ২৯ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত। আর ইতোমধ্যেই শরীরে উচ্চতাজনিত সংকট ধরা পড়ল। শুরু হল মাথা ব্যথা। প্রচণ্ড ঠাণ্ডায় নাক দিয়ে রক্তও পড়েছে। ওষুধ খেয়েও খুব একটা কমেনি।
আমার সহযাত্রী প্রিন্স ভাই গুগল মেপে দেখে জানাল রাত ১টার দিকে ট্রেন অতিক্রম করবে টান্দগুলা রেলওয়ে স্টেশন, যার উচ্চতা ১৬ হাজার ৬শ ২৭ ফুট। এটি পৃথিবীর উঁচু রেলপথ।
তখন মধ্যরাত। বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু রেলস্টেশনে দাঁড়ানোর অনুভূতি একেবারেই স্বতন্ত্র। কিছু সময়ের জন্য ট্রেন থামলেও দরজা খোলা হয়নি। আমাদের এই যাত্রাপথ প্রায় দুই হাজার কিলোমিটার।
রাত পেরিয়ে সকাল। মাত্র আলো ফুটেছে। অথচ ঘড়ির কাটায় তখন সকাল ৮টা ২১ মিনিট। ট্রেনের স্বচ্ছ কাচে জানালায় উঁকি দিচ্ছে সাদা পাহাড়। ট্রেন ছুটে যাচ্ছে লাসার দিকে।
আগের দিন দুপুর ১২টায় শিনিং থেকে ট্রেন ছাড়লে তুষার আর বরফ আবৃত পাহাড় চোখে পড়েনি। আর এবার ভোরের প্রথম আলোয় চোখ মেলতেই 'সাদা পাহাড়' এর প্রথম দর্শন। একেকটা পাহাড় আশ্চর্য সুন্দরে মোড়ানো।

কখনও নাতিদীর্ঘ কখনও বা সুউচ্চ পাহাড়। শীতের চাদরে মোড়ানো বরফের মুকুট পরানো পাহাড় যেন সাদা দ্যুতি ছড়াচ্ছে। পাহাড়ে নিচে বড় মেষের পাল। তিব্বতে দেরিতে ভোরের আলো ফোটার প্রধান কারণ হল- চীনের পশ্চিম অংশে অবস্থিত তিব্বত।
এখানে বিশ্বের সর্বোচ্চ মালভূমি গড়ে ৪,৫০০ মিটার উচ্চতায়। চারদিকে উঁচু পাহাড় ও পর্বত থাকায় সূর্যের আলো দিগন্তে ওপরে উঠতে সময় লাগে বেশি, ফলে বাস্তব আলো ফুটতে দেরি হয়। শীতকালে এই দেরি আরও স্পষ্ট হয়। কিছু এলাকায় শীতে সকাল ৯টা বা তারও পরে আলো ফুটতে দেখা যায়। মূলত উঁচু পর্বতের বাঁধার কারণে আলো আসতে দেরি।
ভোর বেলায় ট্রেনে বাইরে তাপমাত্রা প্রায় মাইনাস পাঁচ ডিগ্রীর নিচে। শিনিং থেকে ছেড়ে আসা পুরো ট্রেন শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত হওয়াতে ভেতরে আরামেই ছিলাম।
এ যেন অন্য সকাল। হিমালয়ের রেঞ্জের সাদা তুষারে মোড়ানো পর্বতশ্রেণী। মাইলে পর মাইল আশ্চর্য সুন্দর পাহাড়। পাহাড়ের ওপর দিয়ে উড়ে যাচ্ছে অচেনা পাখির ঝাঁক। ঝকঝকে রৌদ্রস্নাত সকাল দু চোখ ভরিয়ে দিচ্ছে।

হিমালয়ের কোলজুড়ে থাকা তিব্বত, পৃথিবীর অন্য যে কোনো জনপথের থেকে অনন্য অসাধারণ।
সকাল ১০টার কিছু সময় পরে আমাদের ট্রেন লাসা পৌঁছায়। ট্রেন থেকে নেমে লাসার মাটি স্পর্শ করতেই শীতল বাতাস আমাদের স্বাগত জানাল।
পৌছানোর পরই মনে হল জীবনের অধরা কয়েকটা স্বপ্নে মধ্যে একটা অন্তত পূরণ হল। উফ! কি যে ভালো লাগার অনুভূতি। আমাদের ভ্রমণ সহযাত্রীদের সে কি আনন্দ। দারুণ উপভোগ্য সেই দৃশ্য।
স্টেশনের চারপাশে সাদা বরফে ঢাকা পাহাড়। এই যেন বহুল প্রত্যাশার প্রথম পর্ব পূরণ। লাসার আকাশে ঝকঝকে রোদ।
আমাদের বরণ করে নিতে আগে থেকেই প্রস্তুত ছিল লাসার স্থানীয় ট্যুর এজেন্সি। তারা আমাদের স্বাগত জানাল। স্টেশন থেকে লাসা শহরটা এক পলকে দেখে নিলাম। পুরো ঝলমলে একটি শহর। খুব পরিচ্ছন্ন।
স্টেশনের সামনেই চীনের সাংস্কৃতিক বিপ্লবের মহানায়ক কমরেড মাও সেতুং-এর বিশাল প্রতিকৃতি। লাসা থেকে মাও এর দেশে শুরু হল আমাদের তিব্বত ভ্রমণের আনুষ্ঠানিক যাত্রা।
চলবে ...
তিব্বতে ভ্রমণে প্রয়োজনীয় তথ্য
প্রথমেই চীনের ভিসা নিতে হবে। আর তিব্বত ভ্রমণের জন্য বিশেষ ট্র্যাভেল পারমিট নিতে হয়।
তিব্বতের স্থানীয় ট্যুর এজেন্সি পারমিটের ব্যবস্থা করে। চীনের কুনমিং থেকে সরাসরি লাসায় বিমান যোগাযোগ রয়েছে। তবে ট্রেন ভ্রমণ উপভোগ করতে চাইলে বিমানে শিনিং যেতে হবে।

তিব্বতে ভ্রমণে কিছু সর্তকতা রয়েছে: প্রয়োজনীয় অক্সিজেন সাথে রাখতে হয় (সাধারণ ট্যুর এজেন্সি থেকে দেওয়া হয়)। উচ্চতা-জনিত সমস্যা মোকাবেলায় ওষুধ নিতে হবে। অক্টোবর থেকে মার্চ পর্যন্ত তাপমাত্রা মাইনাসে থাকে। সেভাবে উষ্ণ গরম কাপড় সাথে রাখতে হবে।
হালকা খাবার রাখতে হবে(দেশ থেকে নিয়ে গেলে ভালো হয়)। সবসময় গরম পানি সাথে রাখলে ভালো।
তিব্বতের সামরিক পোস্ট এলাকাগুলোতে ছবি তোলা পুরোপুরি নিষিদ্ধ। ট্র্যাভেল পারমিট সবসময় সাথে রাখতে হবে।
চীনের লোকজন ইংরেজিতে একেবারে অনভ্যস্ত এক্ষেত্রে গুগল ট্রান্সলেট সাহায্য করতে পারে। চীনে বা তিব্বতে গুগল, হোয়াটসঅ্যাপ, ফেইসবুক এসব কাজ করে না। এজন্য দেশে থাকা অবস্থায় পেইড ভিপিএন মোবাইলে ইনস্টল করে নিতে হবে।
চীন ভ্রমণে ‘উই চ্যাট’ এবং ‘আলি পে’ মোবাইলে ইনস্টল করতে হবে।
লেখক: সংবাদিক