Published : 29 Dec 2025, 04:49 PM
চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে নভেম্বর সময়ে বিদেশি ঋণের অর্থ ছাড়ের উল্লম্ফন কিছুটা কমলেও আগের অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ২৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধির দেখা মিলেছে।
জুলাই-নভেম্বর সময়ে মোট ১৯৫ কোটি ডলারের ঋণ ও অনুদানের অর্থ ছাড় করেছে উন্নয়ন সহযোগী দেশ ও আন্তর্জাতিক অর্থায়নকারী সংস্থাগুলো। আগের অর্থবছরের একই সময়ে যা ছিল ১৫৪ কোটি ৩৭ লাখ ডলার।
সোমবার অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) হালনাগাদ প্রতিবেদনে অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে অর্থছাড়ের এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।
এ হিসাবে চলতি অর্থবছরের পাঁচ মাসে বিদেশি ঋণ ও অনুদানের অর্থছাড় বেড়েছে ২৬ দশমিক ৩১ শতাংশ।
একমাস আগেও, অর্থাৎ অর্থবছরের প্রথম চার মাসে এ প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৩৮ দশমিক ৫১ শতাংশ। ওই সময়ে মোট ১৬৬ কোটি ৪৯ লাখ ডলারের ঋণ ও অনুদানের অর্থ ছাড় করেছে উন্নয়ন সহযোগী দেশ ও আন্তর্জাতিক অর্থায়নকারী সংস্থাগুলো।
রাজনৈতিক ডামাঢোলের মধ্যে শুরু হওয়া গত অর্থবছরের শুরুতে অর্থনীতির বিভিন্ন সূচকে যে নেতিবাচক ধারা ছিল, তার রেশ দেখা যায় এ সূচকেও। তাতে চলতি অর্থবছরের শুরু থেকে বিদেশি ঋণের অর্থছাড়ের প্রবৃদ্ধিতে যে উল্লম্ফন দেখা গিয়েছিল তা কিছুটা ধীর হয়ে আসছে।
চলতি অর্থবছরের এ সময়ে বিদেশি সহায়তার প্রতিশ্রুতি মিলেছে ১২১ কোটি ৯৪ লাখ ডলার।
ইআরডির প্রতিবেদনের তথ্য বলছে, অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে অর্থায়নকারী সংস্থাগুলোর পাওনার মধ্যে বাংলাদেশ সরকার পরিশোধ করেছে ১৮৯ কোটি ১ লাখ ডলার।
আগের অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে আসল ও সুদ মিলিয়ে মোট পরিশোধ করা হয়েছিল ১৭১ কোটি ১০ লাখ ডলার। সে হিসাবে ঋণ শোধ বেড়েছে ১০ দশমিক ৪৬ শতাংশ।
পুরনো খবর:
চার মাসে বিদেশি ঋণ ছাড় বেড়েছে ৩৯%