Published : 28 Sep 2025, 10:55 PM
রাজনৈতিক ডামাডোলের মধ্য দিয়ে যাওয়া গত বছরের জুলাই ও অগাস্টের চেয়ে চলতি অর্থবছরের একই সময়ে বিদেশি ঋণের অর্থছাড়ের পরিমাণ বৃদ্ধির তথ্য দিয়েছে সরকার।
অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ— ইআরডি তাদের ওয়েবসাইটে রোববার যে হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করেছে, তাতে চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে বিদেশি ঋণ ছাড় হয়েছে ৭৫ কোটি ডলার।
গত অর্থবছরের জুলাই-অগাস্টে ছাড় হয় ৪৫ কোটি ৮২ লাখ ডলার।
কোটা সংস্কার আন্দোলনের উত্তাল সময়ে দেশের অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিতে স্থবিরতার মধ্যে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম মাসে বিদেশি অর্থ ছাড় আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় কমে যায় ৩৮ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের এসে তাই বড় উল্লম্ফন দেখা গেল।
সাধারণত অর্থছাড়ের তুলনায় ঋণ পরিশোধের পরিমাণ কম থাকে। ২০২৩-২৪ ও তার আগের অর্থবছরগুলোতে সেই চিত্রই দেখা গেছে। কিন্তু গত অর্থবছরের প্রথম মাস থেকে বিপরীতে প্রবণতা দেখা দেয়।
তবে এবার এসে পুরনো চিত্র দেখা মিলল। দেশে আসা বিদেশি অর্থ ছাড়ের তুলনায় পরিশোধ খানিকটা কম।
ইআরডির তথ্য বলছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে ঋণ পরিশোধে গেছে প্রায় ৬৬ কোটি ৭১ লাখ ডলার। এর মধ্যে ঋণের আসল ৪৮ কোটি ৮৭ লাখ ডলার এবং সুদ ছিল প্রায় ১৭ কোটি ৮৩ লাখ ডলার।
গত অর্থবছর একই সময়ে বিদেশি ঋণের সুদাসল বাবদ সরকারকে ৫৮ কোটি ৯২ লাখ ডলার পরিশোধ করতে হয়েছিল। সে হিসাবে, ব্যয় বেড়েছে ১৩ শতাংশের মতো।
জুলাইয়ে বিদেশি ঋণ ও অনুদান মিলে প্রতিশ্রুতি মিলেছে ২৪ কোটি ৩৮ লাখ ডলারের; যা গত অর্থবছরের প্রথম মাসে ছিল ২ কোটি ১ লাখ ডলার।
গত অর্থবছর বিদেশি ঋণের অর্থছাড় হয় ৮৫৬ কোটি ৮৪ লাখ ডলার, যা এর আগের অর্থবছরে ছিল ১ হাজার ২৮ কোটি ৩৪ লাখ ডলার।
অর্থছাড় কমলেও ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ঋণ পরিশোধ বেড়ে দাঁড়ায় ৪০৮ কোটি ৬৯ লাখ ডলারে। পরিশোধিত অর্থের মধ্যে আসলের পরিমাণ ছিল ২৫৯ কোটি ৫১ লাখ ডলার এবং সুদ ছিল ১৪৯ কোটি ১৮ লাখ ডলার।
আরও পড়ুন