০৩ জুলাই ২০২৬, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩
সংকটের এই সময়ে নতুন বাজেটের মোট ঘাটতির ৬৪ দশমিক ১৩ শতাংশই বিদেশি ঋণ দিয়ে পূরণের আশা করছে নতুন সরকার।
ব্যাংক খাত থেকে সরকার ঋণ বেশি নিলে বেসরকারি খাতে উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীরা ঋণ কম পান; তাতে দেশের উৎপাদন কমে যায়।
নতুন অর্থবছরে বিদেশ থেকে ১ লাখ ৫৫ হাজার ৮৫০ কোটি টাকা ঋণ করার লক্ষ্য ঠিক করা হয়েছে, যা জিডিপির ২ দশমিক ২৮ শতাংশ।
“সরকারকে মোটা অঙ্কের ঋণের জোগান দিলে বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ বাড়বে না। সরকার এখন উভয় সংকটে পড়েছে,” বলেন মোস্তফা কে মুজেরী।
জুলাই থেকে এপ্রিল পর্যন্ত সময়ে উন্নয়ন সহযোগী দেশ ও আন্তর্জাতিক অর্থায়নকারী সংস্থাগুলো ঋণ এবং অনুদানের অর্থ ছাড় করেছে ৪২৩ কোটি ৬২ লাখ ডলার।
এই সময়ে বিদেশি সহায়তার প্রতিশ্রুতিও কমেছে, বেড়েছে পুরনো ঋণের কিস্তি শোধের পরিমাণ।
তবে অর্থায়ন পাওয়ার প্রতিশ্রুতি বেড়েছে।
চলতি অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে বিদেশি সহায়তার প্রতিশ্রুতিও কমেছে।