২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩
সংকটের এই সময়ে নতুন বাজেটের মোট ঘাটতির ৬৪ দশমিক ১৩ শতাংশই বিদেশি ঋণ দিয়ে পূরণের আশা করছে নতুন সরকার।
সহজ শর্তের এ ঋণ সংক্রান্ত নথি সই হয়েছে।
“বাজেটকে সামনে রেখে সরকার অর্থনীতি, সামাজিক নিরাপত্তা ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে,” বলেন তিনি।
জুলাই থেকে এপ্রিল পর্যন্ত সময়ে উন্নয়ন সহযোগী দেশ ও আন্তর্জাতিক অর্থায়নকারী সংস্থাগুলো ঋণ এবং অনুদানের অর্থ ছাড় করেছে ৪২৩ কোটি ৬২ লাখ ডলার।
এই সময়ে বিদেশি সহায়তার প্রতিশ্রুতিও কমেছে, বেড়েছে পুরনো ঋণের কিস্তি শোধের পরিমাণ।
তবে অর্থায়ন পাওয়ার প্রতিশ্রুতি বেড়েছে।
চলতি অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে বিদেশি সহায়তার প্রতিশ্রুতিও কমেছে।
ছয় মাসে প্রতিশ্রুতি মিলেছে ১৯৯ কোটি ডলারের, যা গত অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ২২৯ কোটি ৮৬ লাখ ডলার।