সাত মাসে বিদেশি ঋণের অর্থছাড়ের চেয়ে পরিশোধ বেশি
চলতি অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে বিদেশি সহায়তার প্রতিশ্রুতিও কমেছে।
জুলাই থেকে জানুয়ারি—চলতি অর্থবছরের প্রথম সাত মাস শেষে বিদেশি ঋণের অর্থছাড় যে পরিমাণ হয়েছে তার চেয়ে বেশি পরিশোধে চলে গেছে।
এ সময়ে উন্নয়ন সহযোগী দেশ ও আন্তর্জাতিক অর্থায়নকারী সংস্থাগুলো ঋণ ও অনুদানের অর্থছাড় করেছে ২৬৪ কোটি ১৬ লাখ ডলার।
এর বিপরীতে একই সময়ে সরকারকে পুরনো ঋণের সুদ ও আসল মিলিয়ে পরিশোধ করতে হয়েছে ২৬৭ কোটি ৬৮ লাখ ডলার।
বৃহস্পতিবার প্রকাশিত অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের-ইআরডি হালনাগাদ তথ্য বলছে, আগের ২০২৪-২৫ অর্থবছরের একই সময়ে অর্থছাড় হয়েছিল ৩৯৩ কোটি ৮৮ লাখ ডলার।
এ হিসেবে পরিশোধ ব্যয়ের চাপের মধ্যে অর্থছাড়ও ঢের কমেছে।
জুলাই আন্দোলনের প্রভাবে গত অর্থবছরের শুরুতে অর্থনীতির বিভিন্ন সূচকে যে নেতিবাচক ধারা ছিল, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়েও তার রেশ দেখা যায় এ সূচকেও। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে বিদেশি সহায়তার প্রতিশ্রুতিও কমেছে।
এ সময়ে প্রতিশ্রুতি মিলেছে ২২৭ কোটি ডলার, যা গত অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ২৩৫ কোটি ডলার।
