চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে ‘দস্যুতা কমেছে’
জলদস্যুতা পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা— রিক্যাপের হিসাবে, গত চার মাসে বর্হিনোঙরে কোনো জলদস্যুতার ঘটনা ঘটেনি।
চলতি বছরের প্রথম চার মাসে চট্টগ্রাম বন্দরের বর্হিনোঙরে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোতে দস্যুতার ঘটনা শূন্যে নেমে আসার কথা বলেছেন বন্দর সংশ্লিষ্ট সংস্থা ও ব্যক্তিরা।
নৌবাহিনী ও কোস্টগোর্ডের নিয়মিত টহল এবং চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সমন্বিত পদক্ষেপের কারণে দস্যুতার ঘটনা কমে এসেছে বলে মনে করছেন তারা।
জাহাজে জলদস্যুতা পর্যবেক্ষণকারী সিঙ্গাপুরভিত্তিক সংস্থা— রিজিওনাল কো-অপারেশন অ্যাগ্রিমেন্ট অন কমবেটিং পাইরেসির (রিক্যাপ) হিসাব বলছে, গত চার মাসে বন্দরের বর্হিনোঙরে কোনো জলদস্যুতা হয়নি।
চট্টগ্রাম বন্দরের হিসাবে, গেল বছর বর্হিনোঙরে আসা বা অবস্থান করা দেশি-বিদেশি জাহাজে দস্যুতার চারটি ঘটনা ঘটে।
চট্টগ্রাম বন্দর সচিব সৈয়দ রেফাত হামিম বলেন, নৌবাহিনী, কোস্টর্গাড ও বন্দর কর্তৃপক্ষের সময়োপযোগী ও সমন্বিত পদক্ষেপের কারণে বর্হিনোঙরে নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে। এ সমন্বিত প্রচেষ্টার ফলে বর্হিনোঙর এলাকা আগের চেয়ে অনেক বেশি নিরাপদ।
“আর্ন্তজাতিক শিপিং লাইনগুলোর মধ্যে আস্থা বৃদ্ধি পেয়েছে, যা দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে এবং জাতীয় ও আর্ন্তজাতিক পর্যায়ে বন্দরের ভাবমূর্তি ও সুনাম বহু গুণে বেড়েছে।”
চট্টগ্রাম বন্দরে প্রতি বছরে গড়ে চার হাজারের বেশি দেশি-বিদেশি জাহাজ পণ্য নিয়ে আসে এবং বর্হিনোঙরে অবস্থান করে।
বন্দর কর্তৃপক্ষ বলছে, বর্হিনোঙরে অবস্থানরত জাহাজে পোর্ট ওয়াচম্যান নিয়োগ, সমন্বিত নিরাপত্তা টহল, আধুনিক ভিটিআইএমএসের মাধ্যমে কঠোর নজরদারির কারণে দস্যুতা কমেছে।
এ বিষয়ে বন্দরের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কমডোর আমিন আহমেদ আবদুল্লাহ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “রিক্যাপের তথ্য অনুযায়ী দস্যুতার দিক থেকে এ অঞ্চেলের বন্দরগুলোর মধ্যে আমরা ভালো অবস্থানে আছি।”
“সময়োপযোগী বিভিন্ন পদক্ষেপের কারণে এ অর্জন সম্ভব হয়েছে। আমরা এ অর্জন ধরে রাখতে চাই।”
