Published : 11 May 2026, 09:47 PM
চলতি বছরের প্রথম চার মাসে চট্টগ্রাম বন্দরের বর্হিনোঙরে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোতে দস্যুতার ঘটনা শূন্যে নেমে আসার কথা বলেছেন বন্দর সংশ্লিষ্ট সংস্থা ও ব্যক্তিরা।
নৌবাহিনী ও কোস্টগোর্ডের নিয়মিত টহল এবং চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সমন্বিত পদক্ষেপের কারণে দস্যুতার ঘটনা কমে এসেছে বলে মনে করছেন তারা।
জাহাজে জলদস্যুতা পর্যবেক্ষণকারী সিঙ্গাপুরভিত্তিক সংস্থা— রিজিওনাল কো-অপারেশন অ্যাগ্রিমেন্ট অন কমবেটিং পাইরেসির (রিক্যাপ) হিসাব বলছে, গত চার মাসে বন্দরের বর্হিনোঙরে কোনো জলদস্যুতা হয়নি।
চট্টগ্রাম বন্দরের হিসাবে, গেল বছর বর্হিনোঙরে আসা বা অবস্থান করা দেশি-বিদেশি জাহাজে দস্যুতার চারটি ঘটনা ঘটে।
চট্টগ্রাম বন্দর সচিব সৈয়দ রেফাত হামিম বলেন, নৌবাহিনী, কোস্টর্গাড ও বন্দর কর্তৃপক্ষের সময়োপযোগী ও সমন্বিত পদক্ষেপের কারণে বর্হিনোঙরে নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে। এ সমন্বিত প্রচেষ্টার ফলে বর্হিনোঙর এলাকা আগের চেয়ে অনেক বেশি নিরাপদ।
“আর্ন্তজাতিক শিপিং লাইনগুলোর মধ্যে আস্থা বৃদ্ধি পেয়েছে, যা দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে এবং জাতীয় ও আর্ন্তজাতিক পর্যায়ে বন্দরের ভাবমূর্তি ও সুনাম বহু গুণে বেড়েছে।”
চট্টগ্রাম বন্দরে প্রতি বছরে গড়ে চার হাজারের বেশি দেশি-বিদেশি জাহাজ পণ্য নিয়ে আসে এবং বর্হিনোঙরে অবস্থান করে।
বন্দর কর্তৃপক্ষ বলছে, বর্হিনোঙরে অবস্থানরত জাহাজে পোর্ট ওয়াচম্যান নিয়োগ, সমন্বিত নিরাপত্তা টহল, আধুনিক ভিটিআইএমএসের মাধ্যমে কঠোর নজরদারির কারণে দস্যুতা কমেছে।
এ বিষয়ে বন্দরের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কমডোর আমিন আহমেদ আবদুল্লাহ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “রিক্যাপের তথ্য অনুযায়ী দস্যুতার দিক থেকে এ অঞ্চেলের বন্দরগুলোর মধ্যে আমরা ভালো অবস্থানে আছি।”
“সময়োপযোগী বিভিন্ন পদক্ষেপের কারণে এ অর্জন সম্ভব হয়েছে। আমরা এ অর্জন ধরে রাখতে চাই।”