Published : 12 Jun 2026, 08:54 PM
বন্দরনগরী চট্টগ্রামে দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ছয় ঘণ্টায় ৬৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে; তাতে নগরীর কয়েকটি এলাকায় জলজট তৈরি হলেও তা দীর্ঘস্থায়ী হয়নি।
শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটির দিনে সকাল থেকে বন্দরনগরীর আকাশ ছিল মেঘলা। দুপুর ১২টার পর শুরু হয় বৃষ্টি, বিকাল ৫টা পর্যন্ত চলে।
ফলে দুপুরে জুমার নামাজের উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হয়ে বৃষ্টি ভোগান্তিতে পড়েন অনেকে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের আমবাগান কেন্দ্রের তথ্য বলছে, দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত চট্টগ্রামে ৬৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। একই সময়ে পতেঙ্গা কেন্দ্রে রেকর্ড করা বৃষ্টির পরিমাণ ছিল ৪ দশমিক ১ মিলিমিটার।

এদিকে বৃষ্টির কারণে নগরীর কাতালগঞ্জ আবাসিক এলাকা, পাঁচলাইশের কয়েকটি স্থান এবং বাকলিয়া ইছাইক্যার পুল এলাকায় সাময়িক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়।
কয়েক ঘণ্টা পর বেশিরভাগ এলাকা থেকে পানি সড়ে যায়। তবে ইছাইক্যার পুল এলাকায় বিকেল সাড়ে ৫টার সময়ও কিছুটা জলজট ছিল।
এদিকে দুপুর ২টার দিকে নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, খাল ও জলাবদ্ধতাপ্রবণ এলাকাগুলো ঘুরে দেখেন এবং পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা কার্যকর রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন মেয়র শাহাদাত হোসেন।

পরিদর্শনকালে মেয়র বলেন, “সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতা ও প্রকৌশল বিভাগের কর্মীরা মাঠপর্যায়ে সার্বক্ষণিক কাজ করছেন এবং খাল, নালা-নর্দমার প্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
“দীর্ঘ সময় ধরে ভারি বৃষ্টিপাত হলেও নগরীর অধিকাংশ এলাকায় দ্রুত পানি নিষ্কাশন হয়েছে। কোথাও উল্লেখযোগ্য জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়নি।”
পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস কর্মকর্তা ইসমাইল ভুঁইয়া বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ৬ জুন থেকে চট্টগ্রামে মৌসুমী বায়ু প্রবেশ করেছে; অর্থাৎ বর্ষা মৌসুম শুরু হয়েছে। মৌসুমী বায়ু সক্রিয় থাকায় এখন বৃষ্টিপাত হচ্ছে।