২৪ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
“চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি সিসিটিসহ কোনো স্থাপনা দেশি-বিদেশি কোনো প্রতিষ্ঠানের কাছে ইজারা দেওয়া চলবে না,” বলেন বন্দর রক্ষা কমিটির সদস্য সচিব।
ক্রেইন ও কনটেইনার ক্ষতিগ্রস্ত হলেও কেউ হতাহত হয়নি বলে জানিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ।
“চট্টগ্রাম বন্দর যদি বিদেশিদের হাতে চলে যায়, আমরা অর্থনৈতিক এবং নিরাপত্তার ঝুঁকিতে পড়ব,” বলেন শ্রমিকদল নেতা বাহার।
সেজান ২০২৩ সালে চট্টগ্রামে জন্ম নিবন্ধন জালিয়াতি মামলায়ও একবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন।
“চট্টগ্রাম বন্দর ঘিরে কোনো দুর্নীতি হলে দায়িদের বিচার হবে”
“টার্মিনালটি চালু হলে বন্দরের সক্ষমতা ও কর্মসংস্থান বাড়ার সুযোগ তৈরি হবে,” বলেন তিনি।
“চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে দক্ষ, যোগ্য ও প্রেরণাদায়ী জনবলই একটি আধুনিক বন্দরের মূল শক্তি।”
দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছিল বা এ কারণে কোনো পণ্য নষ্ট হয়েছে এমন তথ্য নেই, বলছেন চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম।