২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

এইচএসসি: পরীক্ষার্থী কমেছে চট্টগ্রাম বোর্ডে

করোনাভাইরাস সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা পেছানোর দাবি তুলেছেন চট্টগ্রামের একদল শিক্ষার্থী।

এইচএসসি: পরীক্ষার্থী কমেছে চট্টগ্রাম বোর্ডে
চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড, ফাইল ছবি

চট্টগ্রাম ব্যুরো

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 22 Jun 2025, 09:28 PM

Updated : 26 Aug 2026, 01:14 PM

চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের অধীনে এবছর উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দিতে বসছেন এক লাখ দুই হাজার ৮৬৯ জন পরীক্ষার্থী।

পরীক্ষার্থীর এই সংখ্যা গতবছরের চেয়ে তিন হাজার ১৬৫ জন কম। গত বছর এ বোর্ডে এক লাখ ছয় হাজার ৩৪ জন এইচএসসি দিয়েছিল। 

আগামী ২৬ জুন থেকে শুরু হতে যাওয়া এবারের পরীক্ষায় চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৩০৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।

চট্টগ্রাম বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ড. পারভেজ সাজ্জাদ চৌধুরী রোববার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা সম্পন্ন করতে তারা সকল ধরনের প্রস্ততি ইতোমধ্যে সম্পন্ন করেছেন। 

আগামী বৃহস্পতিবার থেকে সারা দেশে একযোগে শুরু হচ্ছে এবছরের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা। প্রথমদিন হবে বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষা। তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হবে ১০ অগাস্ট। এরপর ১১ থেকে ২১ অগাস্ট পর্যন্ত চলবে ব্যবহারিক পরীক্ষা।

চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডে এ বছর মোট ১১৫টি কেন্দ্রে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা হয়েছে।সবচেয়ে বেশি ৪৫ হাজার ১২২ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন মানবিক বিভাগে।

এছাড়া ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ৩২ হাজার ৪৯৫ জন এবং বিজ্ঞান বিভাগে ২২ হাজার ৪১৭ জন পরীক্ষার্থী রয়েছেন এবার। 

প্রতিবছরের মত এবছরও সবচেয়ে বেশি পরীক্ষার্থী চট্টগ্রাম জেলায়। এ জেলা থেকে ৭১ হাজার ৫২৩ জন পরীক্ষায় অংশ নেবেন। তার মধ্যে চট্টগ্রাম মহানগরীর পরীক্ষার্থী সংখ্যা ৩৫ হাজার ৫৮৪ জন। 

এরপর কক্সবাজারে ১২ হাজার পাঁচ জন, রাঙামাটিতে পাঁচ হাজার ৫৫৪ জন, খাগড়াছড়িতে সাত হাজার ৮২ এবং বান্দরবান জেলা থেকে তিন হাজার ৮৭১ জন পরীক্ষায় অংশ নেবেন। 

পরীক্ষা পেছানোর দাবিতে আন্দোলন

করোনাভাইরাস সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা পেছানোর দাবি তুলেছে চট্টগ্রামের একদল শিক্ষার্থী। 

রোববার পরীক্ষা পেছানোর দাবি নিয়ে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের গেইটে বিক্ষোভ করেন তারা। এর আগেও কয়েকদিন এসব শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা পেছানোর দাবি নিয়ে বোর্ড প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ করতে দেখা যায়। 

দুপুরে ২০/২৫ জনের একটি দল শিক্ষা বোর্ডের ফটকে দাঁড়িয়ে স্লোগান দিতে শুরু করেন। এক পর্যায়ে তারা সেখানে বসে পড়েন। 

শিক্ষার্থীদের দাবি, সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ায় তারা আতঙ্কিত। পরীক্ষার সময় কেউ আক্রান্ত হলে তারা পরীক্ষা দেওয়া থেকে বঞ্চিত হবেন। তাতে শিক্ষার্থীদের ওপর মানসিক প্রভাব পড়বে। 

পাশাপাশি, গতবছরের সরকার পতন আন্দোলনে শিক্ষা কার্যক্রম ব্যহত হয়েছে। সড়কে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় কাজ করেছেন অনেক শিক্ষার্থী। সেজন্য তাদের পড়াশোনায় ক্ষতি হয়েছে বলেও দাবি তাদের। 

পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক পারভেজ সাজ্জাদ বলেন, “কিছু শিক্ষার্থী এসে পরীক্ষা পেছানোর দাবিতে আন্দোলন করেছে। আমরা তাদের বলেছি পরীক্ষা পেছানোর বিষয়ে আমাদের হাতে কিছু নেই। পরে তারা চলে গেছে।”

পুরনো খবর

এইচএসসি শুরু ২৬ জুন, সূচি প্রকাশ