Published : 20 Dec 2025, 01:41 PM
চট্টগ্রাম নগরীর কাতালগঞ্জের জলাবদ্ধতা সমস্যার স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন সিটি মেয়র শাহাদাত হোসেন।
শনিবার দুপুরে নগরীর কাতালগঞ্জ আবাসিক এলাকার ৩ নম্বর রোডের মুখে হিজড়া খালের পাড়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।
শাহাদাত হোসেন বলেন, “হিজড়া খাল নগরীর মেহেদীবাগ গোলপাহাড় মোড় থেকে বাকলিয়ার ফুলতলীর ওখানে চাক্তাই খালে গিয়ে শেষ হয়েছে।
“শহরের অনেক গুরুত্বপূর্ণ এলাকা যেমন- পাঁচলাইশ, মেহেদীবাগ ও ষোলশহরসহ এই খালের পাড়ে। হিজড়া খালের কাজ শুরু হয়েছে। যখন কাজ চলে কিছু জনদুর্ভোগ হয়। এটার স্থায়ী সমাধান হবে।”
মেয়র বলেন, “খালের কাজ যখন হয় তখন বাঁধ দিতে হয়। সেজন্য কিছু পানি ওঠে। ৩০ ফুটের হিজড়া খাল এখন ১৮ ফুট আছে। আরো ১২ ফুট যাদের ভবন তাদের ছাড়তে হবে।
“এখানে ভবন ভাঙতে হবে। যারা ভবন করেছে, তাদের ছাড় দিতে হবে। ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কষ্ট করতে পারলে সারা বছর ভালো থাকতে পারব। পুরো শহরে পানি নামলেও এখানে নামে না। এটার স্থায়ী সংস্কার দরকার।“

মেয়র বলেন, “এখন সাময়িক যে পানি, এটার জন্য চিন্তা করবেন না। ২-৩ মাসের মধ্যে স্থায়ী সমাধান পাবেন। আমরা সাময়িক কিছু করতে চাই না। তাই কাজ ধরেছি।”
খালের পাড়ে গড়ে তোলা ভবন মালিকদের উদ্দেশে শাহাদাত বলেন, “ডকুমেন্টসের বাইরে কিছু হবে না। আরএস-বিএসের বাইরে কেউ কিছু (জমি) নিতে চাইলেও দেবেন না। খালের জমি যা আছে তা দিতে হবে। আপনাদেরও এখানে হাঁটতে হবে। কারো উপর কোন অনিয়ম হবে না। যতটুকু ভাঙার দরকার, ততটুকু ভাঙা হবে।
“এখানে ৪-৫ ঘণ্টা পানি থাকে। আমাদের পাম্পিং মেশিন আছে। পাম্পিং করব। এখানে যে পানি উঠে সাংবাদিকরা সেটা নেগেটিভলি না দেখে পজেভটিভলি দেখেন, মিডিয়াকে অনুরোধ। কাজ শেষ হলে আর পানি থাকবে না।”

নগরীর কাতালগঞ্জ আবাসিক এলাকায় এবং পাঁচলাইশমুখী সড়কে হিজড়া খালের পাড়ে জোয়ারের সময় পানি উঠে প্রায়ই। সম্প্রতি খালে বাঁধ দিয়ে সংস্কার কাজ শুরুর পর প্রতিদিন এই এলাকায় জলাবদ্ধতা হচ্ছে।
এরপর মেয়র ওই এলাকায় ডেঙ্গু ও চিকনগুনিয়াসহ মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে মশক নিধনে ক্রাশ প্রোগ্রামের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।