Published : 13 Jul 2026, 11:51 PM
এক বছরেরও বেশি সময় পর চট্টগ্রামে পাহাড় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা ৩২তম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে পাহাড় ও টিলার বর্তমান অবস্থা নিরূপণে সিদ্ধান্ত হয়েছে বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠনের।
পাশাপাশি পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণ বসতির তালিকা হালনাগাদ, অবৈধ বিদ্যুৎ-পানি-গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন, পাহাড় কাটার বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার এবং তিন মাস পরপর কমিটির সভা করার বিষয়েও সিদ্ধান্ত হয়েছে।
সোমবার বিকেলে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন কমিটির আহ্বায়ক ও চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মো. জিয়াউদ্দীন।
এর আগে গত বছর ২৬ মে পাহাড় ব্যবস্থাপনা কমিটির সবশেষ সভা হয়েছিল। সে হিসেবে প্রায় এক বছর দেড় মাস পর এই সভা হল।
সভায় আলোচনা শেষে বিভাগীয় কমিশনার চট্টগ্রামে কি পরিমাণ পাহাড় রয়েছে কিংবা আগে কত ছিল এসব বিষয়ে জরিপের জন্য একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি করার সিদ্ধান্তের তথ্য দেন।
কমিটিতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল, বন ও পরিবেশবিদ্যা এবং চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত হয়। এই কমিটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সহকারী কমিশনার (ভূমি) কর্মকর্তা, পরিবেশ অধিদপ্তর, বন বিভাগসহ বিভিন্ন প্রতিনিধিকে যুক্ত করা হবে।
সভায় পাহাড়ের অবৈধ ঝুঁকিপূর্ণ বসতিতে বিদ্যুৎ ও পানিসহ সেবা সংযোগের বিষয়টি আলোচনায় আসে। কীভাবে সেখানে সেবা সংযোগ যায় এবং উচ্ছেদ অভিযানের অগ্রগতি নিয়ে কথা হয়।
এ প্রসঙ্গে বিভাগীয় কমিশনার মো. জিয়াউদ্দীন বলেন, “জঙ্গল সলিমপুরে পাহাড়ের দখলদার নিজের নামে বিদ্যুতের বিল বানিয়ে ফেলেছেন। তারা বসবাসকারীদের কাছ থেকে বিদ্যুতের বিল তোলে। এটা তো রাষ্ট্রকে চ্যালেঞ্জ করা। বিদ্যুৎ ও ওয়াসার এসব বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে হবে। অভিযান পরিচালনা করতে হবে।”
সভায় কমিটির সদস্যসচিব অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সাখাওয়াত জামিল সৈকত, চট্টগ্রাম জেলা এএসপি চাইলাউ মারমা, নগর পুলিশের উপ-কমিশনার (ট্রাফিক) লিয়াকত আলী খান, পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক সোনিয়া সুলতানা, রেলওয়ের বিভাগীয় ভূসম্পত্তি কর্মকর্তা নূর এ জান্নাত রুমি, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ম্যাজিস্ট্রেট শোয়েব উদ্দিন খান, সিডিএর নগর পরিকল্পনাবিদ আবু ইশা, বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ সোহেল রানা উপস্থিত ছিলেন।