০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩

চট্টগ্রামে ফের অতি ভারি বৃষ্টি, জলাবদ্ধতা

“এখন যে ভারি থেকে অতি ভারি বৃষ্টি হচ্ছে তা আগামীকাল দুপুরের পর কিছুটা কমতে পারে।”

চট্টগ্রামে ফের অতি ভারি বৃষ্টি, জলাবদ্ধতা
রাত থেকে চলা অতি ভারি বৃষ্টিতে নগরীর আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকার মূল সড়কে রোববার সকালে আবার জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। ছবি: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

চট্টগ্রাম ব্যুরো

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 12 Jul 2026, 01:23 PM

Updated : 19 Sep 2026, 02:26 PM

চট্টগ্রাম নগরীতে আবারও অতি ভারি বৃষ্টি হয়েছে। তাতে কয়েকটি এলাকায় দেখা দিয়েছে জলাবদ্ধতা। 

শনিবার দিনে বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কম থাকলেও রাতে মুষলধারে বৃষ্টি শুরু হয়। রাত ১১টার পর ভারি বর্ষণ চলতে থাকে, যা রোববার দুপুরেও চলতে দেখা গেছে।

এতে নগরীর কাতালগঞ্জ, আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকা, জাকির হোসেন রোড ইস্পাহানি গেইট, চান্দগাঁওসহ কয়েকটি এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। 

ভারি বৃষ্টির কারণে সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবস রোববার সকালে অফিস-আদালতগামী মানুষ ভোগান্তিতে পড়েন। বিদ্যালয়গুলোতে উপস্থিতিও ছিল তুলনামূলক কম। 

পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস কর্মকর্তা ইসমাইল ভুঁইয়া বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “বেলা ১২টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসে ১৪২ দশমিক ৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এখন যে ভারি থেকে অতি ভারি বৃষ্টি হচ্ছে তা আগামীকাল দুপুরের পর কিছুটা কমতে পারে। 

নগরীর চান্দগাঁও এলাকায় খালের পানি উপচে পাশের সড়কের উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ছবি: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

নগরীর চান্দগাঁও এলাকায় খালের পানি উপচে পাশের সড়কের উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে

“তবে এখন ভরা বর্ষা মৌসুম চলছে। তাই বর্ষার স্বাভাবিক যে বৃষ্টি, সেটা অব্যাহত থাকবে। নিয়মিত বিরতিতে বৃষ্টি হবে। কখনো কখনো ভারি থেকে অতি ভারি বৃষ্টিও হতে পারে।” 

নগরীর আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকায় একটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা মামুন হোসেন বলেন, “আগ্রাবাদে গত এক সপ্তাহ ধরে প্রতিদিন পানি উঠতেছে। কোনোদিন কম, কোনোদিন বেশি। আজকে আবার পানি উঠেছে। এই ভোগান্তির শেষ নাই।” 

গত রোববার থেকে বন্দর নগরী চট্টগ্রামে বৃষ্টির শুরু। সোমবার রাত থেকে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। মঙ্গলবার রেকর্ড বৃষ্টিতে শহরের অনেক এলাকা তলিয়ে যায়। সবচেয়ে খারাপ অবস্থা হয় বুধবার। সেদিন নগরীর কেন্দ্রের পাশাপাশি নানা প্রান্তের এলাকা জলাবদ্ধতার শিকার হয় নতুন করে।