Published : 14 May 2026, 02:39 PM
হামে মারা যাওয়া শিশুর প্রতীকী মরদেহ হাতে নিয়ে চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের এক নেতা।
বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারে এ অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন তিনি।
এ সময় তার হাতে থাকা এক প্লেকার্ডে লেখা ছিল–‘হামে আমার শিশুর প্রাণ ঝরে, ইউনূস কেন ভিভিআইপি সার্ভিস চড়ে? তারেক তুই জবাব দে’। নিচে ‘প্রতিবাদে: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ’ লেখা দেখা যায়।
ছাত্রলীগের এই নেতার নাম ওয়াহিদুল আলম। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্পোর্টস সায়েন্স বিভাগের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী এবং বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সম্পাদক।
২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার দুই মাস পর ‘সন্ত্রাসী’ সংগঠন হিসেবে ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করে মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার।

সংগঠনটির বিরুদ্ধে কোটা সংস্কার ও সরকার পতন আন্দোলন চলাকালে ছাত্র-জনতা ‘হত্যা’ ও অসংখ্য মানুষের ‘জীবন বিপন্ন’ করা এবং বিভিন্ন সময় ‘সন্ত্রাসী’ কাজে জড়িত থাকার অভিযোগ আনা হয়।
ওয়াহিদুল আলম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আমাদের শিশু হামের টিকার অভাবে মরে, ইউনূস ভিভিআইপি প্রোটোকল নিয়ে ঘুরে। এই হত্যার দায়ে অতি দ্রুত ইউনূসের গ্রেপ্তার চাই।”
ওয়াহিদুল এও বলেন, “আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনা টিকার বাজেট করে যাওয়া পরেও কেন টিকার অভাব হবে?”
নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতার কর্মসূচি পালনের বিষয়ে জানতে চাইলে সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক মো. কামরুল হোসেন বলেন, “আমাদেরকে এ বিষয়ে আগে জানানো হয়নি, বিষয়টি আপনার কাছ থেকেই জানতে পারলাম।
“নিরাপত্তাকর্মীরা সামান্য সময়ের জন্য অন্যত্র গেলে সেই সুযোগে হয়তো তারা এসব কর্মকাণ্ড ঘটায়। আমরা প্রক্টোরিয়াল বডি বিষয়টি নিয়ে আরও আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।”