Published : 09 Feb 2026, 08:54 AM
দুই দলের মাঝে ব্যবধান স্রেফ চার রানের। ৪০ ওভারের লড়াইয়ে পার্থক্য গড়ে দিয়েছে মূলত দুই দলের ইনিংসের শেষ ওভার। উইল জ্যাকসের তিনটি বিশাল ছক্কায় শেষ ওভারে ইংল্যান্ড তুলেছিল ২১ রান। লক্ষ্য তাড়ায় শেষ ওভারে নেপাল করতে পারে কেবল পাঁচ রান। দারুণ বোলিংয়ে ইংল্যান্ডের শেষের নায়ক স্যাম কারান বললেন, শেষ ওভারে বোলিং শুরু করার আগে ২০১৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনালে বেন স্টোকসের শেষ ওভারের কথা মনে পড়ছিল তার।
মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে রোববার দুইবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ী ইংল্যান্ডের বিপক্ষে স্মরণীয় এক জয়ের আশা জাগায় এশিয়ার উঠতি ক্রিকেট শক্তি নেপাল। ১৮৫ রানের লক্ষ্য তাড়ায় শেষ ওভারে তাদের প্রয়োজন ছিল ১০ রান, হাতে উইকেট চারটি। ১৫ বলে ৩৫ রান নিয়ে স্ট্রাইকে তখন লোকেশ বাম।
কিন্তু কারানের চমৎকার বোলিংয়ে শেষ ওভারে কোনো বাউন্ডারিই পায়নি নেপাল। বারবার ব্লকহোলে বল করেন ইংলিশ পেস বোলিং অলরাউন্ডার। তিনটি নিখুঁত ইয়র্কার করেন তিনি, লো ফুল টস দুটি, একটি বল ফুল লেংথে। শেষ বলে লো ফুল টসে এক রানের বেশি নিতে পারেননি বাম।
শেষ ওভারে বাম একাই খেলেন পাঁচ বল, আর এই পাঁচ বলে তিনি করতে পারেন কেবল চার রান। অন্য বলটিতে এক রান নিতে পারেন কারান কেসি।
ম্যাচের পর বিবিসির ‘টেস্ট ম্যাচ স্পেশাল’-এ শেষ ওভারের পরিকল্পনা তুলে ধরেন কারান। ২০১৬ বিশ্বকাপ ফাইনালে স্টোকসের শেষ ওভার থেকে অনুপ্রেরণা নেওয়ার কথা বলেন তিনি। ১০ বছর আগে কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে শেষ ওভারে ইয়র্কারের চেষ্টায় বারবার লেংথে গড়বড় করে ফেলেছিলেন স্টোকস। তার প্রথম চার বলে চার ছক্কা মেরে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে শিরোপা এনে দিয়েছিলেন কার্লোস ব্র্যাথওয়েট।
“ব্রুকিকে (ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক) বলেছিলাম, ‘ছয়টি ইয়র্কার করার কথা ভাবছি, যদি বাস্তবায়ন করতে না পারি, তাহলে আমিই দায় নেব। আমার মনে হয় তোমাকেও সেভাবেই ভাবতে হবে।”
“২০১৬ সালের ফাইনালের কথা আমার অদ্ভুতভাবে মনে পড়েছিল, যখন স্টোকসির (বেন স্টোকস) বিপক্ষে সফল হয়েছিল কার্লোস। ভাবছিলাম, ‘যদি (ইয়র্কারের পরিকল্পনা) বাস্তবায়ন করতে পারি, তাহলে আমাকে ছক্কা মারতে পারবে না। আমি কেবল (ব্যাটসম্যানের) পায়ের দিকে তাকাচ্ছিলাম এবং সৌভাগ্যক্রমে বাস্তবায়ন করতে পেরেছি। এই ম্যাচগুলো জিতলে দারুণ হয়, কিন্তু হারলে ভয়াবহ হতো।”