১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

ইংলিসের সঙ্গে নাহিদ রানার ঘটনা ‘নাথিং সিরিয়াস’

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডেতে বাংলাদেশের প্রথম বোলার হিসেবে চার উইকেট নেওয়ার পথে জশ ইংলিসের সঙ্গে কথার লড়াইয়ে জড়িয়ে পড়েছিলেন নাহিদ রানা।

ক্রীড়া প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 11 Jun 2026, 03:02 PM

Updated : 11 Sep 2026, 03:22 PM

ঘটনার সময় পরিস্থিতি বেশ উত্তপ্ত বলেই মনে হচ্ছিল। দুজনকে আলাদা করতেই বেগ পেতে হচ্ছিল অন্যদের। তবে ম্যাচের পর সেই ঘটনাকে পাত্তা দিচ্ছেন না কোনো পক্ষই। নাহিদ রানা নিজেই দাবি করলেন, ঘটনাটি একদমই সাধারণ।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডের ঘটনা সেটি। নাহিদ রানার বলে দুটি চার মেরেছিলেন ইংলিস। একটু পরই প্রবল বিক্রমে ঘুরে দাঁড়িয়ে উইকেটটি আদায় করে নেন বাংলাদেশের ফাস্ট বোলার। মুষ্ঠিবদ্ধ হাত দেখিয়ে হুঙ্কারও ছোড়েন তিনি। 

শেষ নয় সেখানেই। ইংলিস ক্রিজ ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার সময় তাকে কিছু একটা বলেন নাহিদ। সেটা শুনে অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়কও তেড়ে আসেন। নাহিদও এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন পাল্টা জবাব দিতে। কিন্তু বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের অনেকেই ছুটে এসে দুজনকে আলাদা করে শান্ত করেন পরিস্থিতি।

ইংলিস আউট হন ১৯ রানে। অস্ট্রেলিয়া ম্যাচ হেরে যায় ৮৬ রানে। 

বাংলাদেশের প্রথম বোলার হিসেবে ওয়ানডেতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৪ উইকেট নেন নাহিদ। তার বোলিং নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে আলোচনা বিস্তর। তার গতি, আগ্রাসন ও বাউন্সের পাশাপাশি ওই ঘটনা নিয়েও প্রশ্ন হয়। 

অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে ম্যাচ-সেরা হওয়া মোসাদ্দেক হোসেন ঠিক আগ্রহী হলেন না ঘটনার গভীরে যেতে। 

“ওরকম কিছুই হয়নি। ওটা শুধু ব্যাটসম্যানের হতাশা ছিল যে, ও আউট হয়ে গেছে। সেই জায়গা থেকে ওটা হয়তোবা হয়েছে, একটা মিসকমিউনিকেশন, এছাড়া আর কিছুই না। নাথিং সিরিয়াস। আমার কাছে মনে হয়, মাঠেরটা মাঠে রাখাই ভালো।”

অস্ট্রেলিয়ার প্রতিনিধি হয়ে সংবাদ সস্মেলনে আসা অ্যালেক্স কেয়ারি বললেন, বিস্তারিত তার জানা নেই। 

“জশের সাথে আমার এখনও কথা হয়নি। তবে আমার মনে হয়, ক্রিকেটে আমরা তো এটাই চাই, একটু বাড়তি উত্তেজনা। স্পষ্টতই ব্যাপারটিকে বাড়াবাড়ির পর্যায়ে নিয়ে যেতে চাইবে না কেউ। ওখানে দুজন ক্রিকেটারই একটি লড়াইয়ে ছিল। তবে তাদের মধ্যে কী কথা হয়েছিল, তা আমি জানি না।”

ঘটনার কেন্দ্রে যিনি, সেই নাহিদ নিজেও এটিকে বড় করে দেখছেন না। মুহূর্তের উত্তেজনায় এমন হয়েছে বলে মনে করেন তিনি। 

“ক্রিকেটে এটা হয়েই থাকে… জাস্ট হিট অব দা মোমেন্ট। এছাড়া সেরকম কিছু নেই। এটা নরমাল।”

“সবাই বলছিল যে, ‘শান্ত থাকো, নিজের কাজ করো।’ আমিও চেষ্টা করছিলাম নিজের কাজটা করার। আমার দল আমার কাছে যে জিনিসটা, সেটি মেলে ধরার চেষ্টা করছিলাম। ব্যাক অব দা মাইন্ড অনেক কিছু চলতে থাকে। তবে একটি ব্যাপারই সবসময় মাথায় কাজ করে যে, আমার দল একটা ম্যাচ জেতানো পারফরম্যান্স চায়।”