টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ
Published : 25 Jan 2026, 04:47 PM
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশকে বাদ দেওয়ায় বইছে আলোচনা-সমালোচনার ঝড়। আইসিসির সিদ্ধান্তের পক্ষে-বিপক্ষে নিজেদের মতামত জানাচ্ছেন অনেকেই। দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক ক্রিকেটার ও ইতিহাসের সেরা ফিল্ডারদের একজন জন্টি রোডসও জানিয়েছেন নিজের ভাবনা।
নিরাপত্তা শঙ্কায় ভারত থেকে নিজেদের ম্যাচগুলো সরিয়ে শ্রীলঙ্কায় নিতে আইসিসির কাছে দাবি জানায় বাংলাদেশ। তিন সপ্তাহের আলোচনার পর তাদের সেই আবেদন নাকচ করে দেয় বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্তা সংস্থা। ভারতে খেলতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে বাংলাদেশ অনড় থাকলে, শনিবার তাদেরকে বাদ দিয়ে স্কটল্যান্ডকে বিশ্বকাপে খেলার টিকেট দেয় আইসিসি।
এসবের শুরুটা রাজনৈতিক কারণে। বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের অভিযোগে ভারতের বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা ও ধর্মীয় গোষ্ঠীর প্রতিবাদের মুখে মুস্তাফিজুর রহমানকে দল থেকে বাদ দিতে কলকাতা নাইট রাইডার্সকে নির্দেশ দেয় ভারতীয় বোর্ড। নিলাম থেকে ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে কেনা পেসারকে পরে ছেড়ে দেয় ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।
এরপর তুমুল উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ভারত-বাংলাদেশের ক্রিকেটীয় সম্পর্ক। আগামী মাসের বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে না যাওয়ার ঘোষণা দেয় বিসিবি। বাংলাদেশের ম্যাচগুলি ভারতের বাইরে সরিয়ে নিতে আইসিসিকে চিঠি পাঠায় তারা। এরপর সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয় থেকে ঘোষণা আসে বাংলাদেশে আইপিএল সম্প্রচার বন্ধ রাখার।
শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের আবেদনে সাড়া দেয়নি আইসিসি। ভারতে না যাওয়ার অবস্থান থেকে সরে আসেনি বাংলাদেশও। যার ফলে বিশ্বকাপ থেকে তাদেরকে সরিয়ে দিয়েছে আইসিসি।
সরকারের বর্ণবাদ নীতির কারণে ২১ বছর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে দক্ষিণ আফ্রিকাকে নিষিদ্ধ করেছিল আইসিসি। আসছে বিশ্বকাপের প্রচারণামূলক অনুষ্ঠানে রোডস বলেন, চাইলেও রাজনীতিকে খেলাধুলার বাইরে রাখতে পারেন না প্রশাসকরা।
“আমি বলতে চাচ্ছি, আমরা সবসময়ই ভাবি খেলাধুলা থেকে রাজনীতিকে আলাদা রাখা যাক… কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো, রাজনীতিকে খেলাধুলা থেকে আপনি আলাদা করতে পারবেন না।”
আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি শুরু টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দশম আসর।
'বাংলাদেশকে ভুল পথে পরিচালিত করেছে পাকিস্তান'
পাকিস্তানের সামনে নিষেধাজ্ঞাসহ অনেক শাস্তির শঙ্কা, খবর ইন্ডিয়ান