Published : 07 Jan 2026, 09:01 AM
চোট কাটিয়ে নিউ জিল্যান্ডের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দলে ফিরেছেন ম্যাচ হেনরি ও লকি ফার্গুসন। তবে বিশ্বকাপ চলার সময়ই কোনো একটি পর্যায়ে দেশে ফিরতে পারেন দুই পেসার। দুজনেরই সঙ্গী সন্তানসম্ভবা। বিশ্ব আসরের মাঝেই তাই প্রয়োজন পড়লে ছোট্ট পিতৃত্বকালীন ছুটি পাবেন তারা।
অনেক দিন ধরেই চোটের কারণে একগাদা ক্রিকেটারকে না পাওয়া নিউ জিল্যান্ড বিশ্বকাপ দলে ফিরে পাচ্ছে প্রথম পছন্দের প্রায় সবাইকেই। হেনরি ও ফার্গুসনের পাশাপাশি চোট কাটিয়ে ফিরেছেন আরেক পেসার অ্যাডাম মিল্ন ও বিস্ফোরক ওপেনার ফিন অ্যালেনকে। চোট কাটিয়ে মার্ক চ্যাপম্যান ও অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনারের ফেরা অবশ্য একরকম নিশ্চিতই ছিল।
তাদের সবাই অবশ্য এখনই মাঠে নামতে প্রস্তুত নয়। দল ঘোষণার সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নিউ জিল্যান্ড ক্রিকেট জানিয়েছে, মাঠে ফেরার পরিকল্পনা সবার জন্যই আলাদা করে দেওয়া হয়েছে এবং বিশ্বকাপের শুরু হওয়া নাগাদ সবাই ফিট হয়ে উঠবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
মূল পেসারদের চোটের কারণে সুযোগ পেয়ে দারুণ বোলিংয়ে টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে ওঠা পেসার জেকব ডাফি আছেন দলে। আপাতত র্যাঙ্কিংয়ের দুইয়ে থাকা পেসার প্রথমবার খেলবেন বিশ্বকাপে। মূল স্কোয়াডে ঠাঁই না পেলেও রিজার্ভ হিসেবে দলের সঙ্গে বিশ্বকাপে থাকবেন কাইল জেমিসন।
উল্লেখযোগ্যদের মধ্যে বাড় পড়েছেন টিম রবিনসন। মূল ক্রিকেটারদের অনুপস্থিতিতে ২৩টি টি-টোয়েন্টি খেলেছেন তিনি। সেঞ্চুরিও করেছেন। রেকর্ড যথেষ্ট ভালো। তবে সবাই ফিট হয়ে ফেরায় ২৩ বছর বয়সী এই ওপেনারকে বাইরে চলে যেতে হয়েছে।
আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে চেন্নাইয়ে বিশ্বকাপ শুরু করবেন নিউ জিল্যান্ড। ‘ডি’ গ্রুপে তাদের আরও সঙ্গী দক্ষিণ আফ্রিকা, কানাডা ও সংযুক্ত আরব আমিরাত।
বিশ্বকাপের আগে ভারতে তিন ম্যাচের ওয়ানডে ও পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে কিউইরা।
নিউ জিল্যান্ডের বিশ্বকাপ দল: মিচেল স্যান্টনার (অধিনায়ক), ফিন অ্যালেন, মাইকেল ব্রেসওয়েল, মার্ক চ্যাপম্যান, ডেভন কনওয়ে, জেকব ডাফি, লকি ফার্গুসন, ম্যাট হেনরি. ড্যারিল মিচেল, অ্যাডাম মিল্ন, জেমস নিশাম, গ্লেন ফিলিপস, রাচিন রাভিন্দ্রা, টিম সাইফার্ট, ইশ সোধি।
সফরসঙ্গী রিজার্ভ: কাইল জেমিসন।