Published : 03 May 2026, 09:29 AM
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর এবারে জাতীয় নির্বাচনেও অংশ নেওয়ার কথা ভেবেছিলেন সাকিব আল হাসান। তবে শেষ পর্যন্ত পারিপার্শ্বিকতার কারণে সেই ভাবনা থেকে সরে এসেছেন বলে দাবি তার। আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক সাংসদ ও বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়কের বিশ্বাস, মাগুরার মানুষ আবার তাকে সুযোগ দেবেই।
২০২৪ সালের জানুয়ারিতে মাগুরা-১ আসন থেকেই আওয়ামী লীগের মনোনয়নে ভোটে জিতে সংসদে গিয়েছিলেন সাকিব। তবে সেই সংসদের স্থায়িত্ব সাত মাসও হয়নি। তীব্র আন্দোলনের পথ ধরে ওই বছরের ৫ অগাস্ট পতন হয় শেখ হাসিনা সরকারের।
ওই সময় দেশের বাইরে থাকা সাকিব আর দেশে ফিরতে পারেননি। তার রাজনৈতিক জীবনও আপাতত থমকে আছে। তবে সময় হলেই আবার তা সচল করতে প্রবলভাবেই আগ্রহী ৩৯ বছর বয়সী ক্রিকেটার।
ফোনে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দেশের সর্বকালের সেরা ক্রিকেটার স্পষ্ট করেই জানিয়ে দেন, আওয়ামী লীগের রাজনীতি করতেই প্রতিজ্ঞাবদ্ধ তিনি এবং তার দলের নিষেধাজ্ঞাও উঠে যাবে বলে বিশ্বাস তার।
২০২৪ সালের ওই নির্বাচনের আগে মাগুরা নিয়ে অনেক স্বপ্নের কথা বলেছিলেন সাকিব। সেসব স্বপ্ন তিনি লালন করছেন এখনও। তার স্থির বিশ্বাস, মাগুরার জনপ্রতিনিধি হওয়ার সুযোগ পাবেন আবারও।
“মাগুরার মানুষের জন্য সারাটা জীবন আছে আমার। মাগুরার মানুষ আমাকে আবার সুযোগ দেবেই। যতদিন সুযোগ না পাচ্ছি…. তারপরও যদি ভালো করতে পারি, হয়তো আরও সুযোগ দিবে। আমার ধারণা, একবার সুযোগ পেলে আমি যে কাজ করব, তাতে আর বারবার করা লাগবে না।”
“আমার শতভাগ বিশ্বাস আছে, ওখানে নির্বাচন করলেই আমি জিতব। মানুষ আমাকে ভোট দেবে, যদি সুষ্ঠু নির্বাচন হয়।”
সেই প্রসঙ্গেই জানালেন, এবারের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ভাবনা তার মাথায় খেলা করেছিল।
“আমি তো এবারের নির্বাচন করতেও আগ্রহী ছিলাম। ভেবেছিলাম নির্বাচন করি, ভোটে দাঁড়িয়ে দেখিয়ে দেই। পরে ভাবলাম, আমাকে তো নির্বাচন করতে দেবেই না। এছাড়া দলেরও তো একটা সিদ্ধান্ত থাকে, সেটার বাইরে যাওয়া যায় না। নাহলে নির্বাচন করে দেখিয়ে দিতাম।”
'কালকে যদি নিশ্চয়তা দেওয়া হয় হয়রানি করা হবে না, পরশুই দেশে ফিরব'
জাতীয় দলে ফিরতে 'এক মাসের ট্রেনিং' যথেষ্ট মনে করেন সাকিব
দেশে ফিরব, কোর্টে যাব, মামলা লড়ব, কিন্তু নিরাপত্তা তো দিতে হবে : সাকিব
আওয়ামী লীগেই প্রতিজ্ঞাবদ্ধ সাকিব, 'পল্টি দেওয়ার অভ্যাস নেই'